ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভুতুড়ে বিলের প্রতিবাদে ফরিদপুরে মিছিল, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি অসুবিধা ও অব্যবস্থাপনায় জরাজীর্ণ ফরিদপুরের আড়াইরশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার বদলে ‘প্রাইভেট বাণিজ্য’, অবহেলায় বঞ্চিত কোমলমতি শিশুরা ইলিয়াস আলীকে ‘দ্বিতীয় চেষ্টায়’ জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অপহরণ: চিফ প্রসিকিউটর ফরিদপুর জেলা পরিষদ ও বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ৩০ বছরের ভোগান্তি, বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান দিনমজুর নুরুল ইসলাম ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষের সরেজমিন পরিদর্শনের আহ্বান কালিয়াকৈরে জাল রাজস্ব স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ২৫ লক্ষ টাকার নকল সিগারেট জব্দ আটক ২ জন মোট চার দিনের ছুটিতে প্রিয়জনের সঙ্গে ছুটি উপভোগ করার জন্য উত্তরবঙ্গের পথে ছুটছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মান্দায় অভিযান: ২২০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণসহ একজন গ্রেফতার সীমান্ত থেকে ৯৪.৭৫০ কেজি ওজনের দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

নরসিংদীর সদর উপজেলার অলি কে ৮ টুকরা করে স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্যের কারণে , গ্ৰেফতার (৩)

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি 

 

উত্তরা ঢাকা ও চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানে RAB (1-7) গত শনিবার ৯ আগস্ট  অলি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২) সহ তিনজনকে  ।চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- নরসিংদী সদর থানার করিমপুর এলাকার আব্দুল মোতালেবের ছেলে আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২), মজনু মিয়ার ছেলে সাজ্জাদ হোসেন রনি (২৫) ও শাওন বেগম (৩২)। নিহত অলি মিয়া একই এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে। তারা সবাই টঙ্গী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

 

গ্রেপ্তারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) জানায় নরসিংদীর

একই এলাকায় বাড়ি হওয়ায় আগে থেকেই তাঁরা পূর্বপরিচিত ছিলেন। একসঙ্গে চলাফেরা করতেন নিকটতম আত্বিয়ের মতন। একে অন্যের বাসায় ছিল যাতায়াত।  নিহত অলি আসামি আপেল মাহমুদ সাদেকের স্ত্রীর চরিত্র সম্পর্কে খারাপ কথা বলেন। এতে সাদেক উত্তেজিত হন। প‌রে সাদেক ও সাজ্জাদ হোসেন রনি মিলে অলিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ৬ আগস্ট কৌশলে টঙ্গীর বনমালা রেল‌গেট এলাকায় সাদেকের ভাড়া বাসায় অলিকে আনা হয়। এরপর সাদেক ও সাজ্জাদ মিলে অলিকে ট্রেনের নীচে ফেলে হত্যা করতে রেললাইনে নিয়ে যান। কিন্তু ওই সময় কোনো ট্রেন না থাকায় অলিকে নি‌য়ে সাদেকের বাসায় ফিরে আসেন তারা।

 

এর কিছুক্ষণ পর সাদেক ও রনি রুমের দরজা বন্ধ করে প্রথ‌মে অলির মু‌খে বা‌লিশ চাপা দি‌য়ে হত্যা করেন। প‌রে তার লাশ ৮ টুকরা করেন এবং মাথাটি শরীর থে‌কে আলাদা ক‌রে প‌লি‌থি‌নে পেঁচিয়ে এক‌টি ব‌্যা‌গের ভেত‌রে ভ‌রে টয়লেটের ফলস ছাদে রে‌খে ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নরসিংদীর সদর উপজেলার অলি কে ৮ টুকরা করে স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্যের কারণে , গ্ৰেফতার (৩)

আপডেট সময় : ০২:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

 

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি 

 

উত্তরা ঢাকা ও চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানে RAB (1-7) গত শনিবার ৯ আগস্ট  অলি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২) সহ তিনজনকে  ।চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- নরসিংদী সদর থানার করিমপুর এলাকার আব্দুল মোতালেবের ছেলে আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২), মজনু মিয়ার ছেলে সাজ্জাদ হোসেন রনি (২৫) ও শাওন বেগম (৩২)। নিহত অলি মিয়া একই এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে। তারা সবাই টঙ্গী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

 

গ্রেপ্তারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) জানায় নরসিংদীর

একই এলাকায় বাড়ি হওয়ায় আগে থেকেই তাঁরা পূর্বপরিচিত ছিলেন। একসঙ্গে চলাফেরা করতেন নিকটতম আত্বিয়ের মতন। একে অন্যের বাসায় ছিল যাতায়াত।  নিহত অলি আসামি আপেল মাহমুদ সাদেকের স্ত্রীর চরিত্র সম্পর্কে খারাপ কথা বলেন। এতে সাদেক উত্তেজিত হন। প‌রে সাদেক ও সাজ্জাদ হোসেন রনি মিলে অলিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ৬ আগস্ট কৌশলে টঙ্গীর বনমালা রেল‌গেট এলাকায় সাদেকের ভাড়া বাসায় অলিকে আনা হয়। এরপর সাদেক ও সাজ্জাদ মিলে অলিকে ট্রেনের নীচে ফেলে হত্যা করতে রেললাইনে নিয়ে যান। কিন্তু ওই সময় কোনো ট্রেন না থাকায় অলিকে নি‌য়ে সাদেকের বাসায় ফিরে আসেন তারা।

 

এর কিছুক্ষণ পর সাদেক ও রনি রুমের দরজা বন্ধ করে প্রথ‌মে অলির মু‌খে বা‌লিশ চাপা দি‌য়ে হত্যা করেন। প‌রে তার লাশ ৮ টুকরা করেন এবং মাথাটি শরীর থে‌কে আলাদা ক‌রে প‌লি‌থি‌নে পেঁচিয়ে এক‌টি ব‌্যা‌গের ভেত‌রে ভ‌রে টয়লেটের ফলস ছাদে রে‌খে ছিলেন।