কালিয়ায় প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে বসতবাড়ীর যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগ নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর বাজার এলাকায় ৪০ বছরের পুরনো বসতবাড়ীতে প্রবেশের রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী তামজিদ শেখ গংদের বিরুদ্ধে। তাদের সড়ক সংলগ্ন ৩/৪ হাত জায়গা যা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড অধিগ্রহণ করেছে বহু আগে। এ দিকে ভুক্তভোগীর রেকর্ডীয় জমিতে নির্মিত বসতবাড়ি থেকে বাহির হতে ওই জায়গাটুকু দীর্ঘদিন যাবত ব্যবহৃত হয়ে আসছে বলে জানা যায়। সেই রাস্তা বন্ধ করায় বিপাকে পড়েছে ভুক্তভোগী মৃত মোবারেক সরদারের ছেলে ইদ্রিস সরদার। অভিযুক্ত তামজিদ শেখ একই এলাকার মৃত নবীর শেখের ছেলে। ২০ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগীর বসতবাড়ির প্রবেশ পথে পাঁকা রাস্তার সামনে ডালপালা, বালু খোয়া দিয়ে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী ইদ্রিস সরদার জানান, আমার এই বাড়িটা প্রায় ৪০ বছর আগে করা হয়েছে। তামজিদ শেখ, সুজন শেখ সহ তার ভাইয়েরা আমার বাড়িতে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডে মৌখিকভাবে জানালে সরকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আশরাফুল সরেজমিনে এসে কাজ বন্ধ করাসহ মালামাল সরিয়ে নিতে বলেন। তাও তারা শোনেনি বরং হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এটাই আমার বাড়ীতে প্রবেশের একমাত্র রাস্তা। সরকারের কাছে আমরা এর সঠিক বিচার চাই। এ বিষয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাড়ী প্রবেশের রাস্তা হতে প্রধান সড়কের কাছাকাছি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি জায়গা বলে সবাই জানে। কিন্তু হঠাৎ তামজিদ ও তার ভাইয়েরা জোরপূর্বক রাস্তা বন্ধ করছে এটা চরম অন্যায়। ইদ্রিস সরদার যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা। এবিষয়ে অভিযুক্ত তামজিদ শেখ জানান, তিনি রাস্তা বন্ধ করেন নাই, ইদ্রিস সরদারের বাড়ির সামনের এই জায়গা তার, তাদেরকে তিনি অন্য পাশ দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তারা আমার নামে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পুর্ন বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আশরাফুলের সাথে কথা হলে বলেন, ওই জায়গাটা পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত বলে নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্তদের কাজ বন্ধ করা ও মালামাল সরিয়ে নিতে বলেছেন। এ বিষয়ে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহীপ্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা বলেন, অবৈধভাবে যদি কেউ সরকারি সম্পত্তি জবর দখল করে খায় প্রথমে তাদের নোটিশ দেওয়া হবে তাতে কাজ না হলে প্রয়োজনে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও বলেন সরকারি জায়গা দিয়ে যদি কেউ যাতায়াত করে তাহলে সরকারের প্রয়োজন ছাড়া কেউ কারো বসতবাড়ীতে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করতে পারেনা।
- আপডেট সময় : ১২:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২২৮ বার পড়া হয়েছে

নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর বাজার এলাকায় ৪০ বছরের পুরনো বসতবাড়ীতে প্রবেশের রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী তামজিদ শেখ গংদের বিরুদ্ধে। তাদের সড়ক সংলগ্ন ৩/৪ হাত জায়গা যা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড অধিগ্রহণ করেছে বহু আগে। এ দিকে ভুক্তভোগীর রেকর্ডীয় জমিতে নির্মিত বসতবাড়ি থেকে বাহির হতে ওই জায়গাটুকু দীর্ঘদিন যাবত ব্যবহৃত হয়ে আসছে বলে জানা যায়। সেই রাস্তা বন্ধ করায় বিপাকে পড়েছে ভুক্তভোগী মৃত মোবারেক সরদারের ছেলে ইদ্রিস সরদার। অভিযুক্ত তামজিদ শেখ একই এলাকার মৃত নবীর শেখের ছেলে।
২০ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগীর বসতবাড়ির প্রবেশ পথে পাঁকা রাস্তার সামনে ডালপালা, বালু খোয়া দিয়ে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ইদ্রিস সরদার জানান, আমার এই বাড়িটা প্রায় ৪০ বছর আগে করা হয়েছে। তামজিদ শেখ, সুজন শেখ সহ তার ভাইয়েরা আমার বাড়িতে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডে মৌখিকভাবে জানালে সরকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আশরাফুল সরেজমিনে এসে কাজ বন্ধ করাসহ মালামাল সরিয়ে নিতে বলেন। তাও তারা শোনেনি বরং হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এটাই আমার বাড়ীতে প্রবেশের একমাত্র রাস্তা। সরকারের কাছে আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাড়ী প্রবেশের রাস্তা হতে প্রধান সড়কের কাছাকাছি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি
জায়গা বলে সবাই জানে। কিন্তু হঠাৎ তামজিদ ও তার ভাইয়েরা জোরপূর্বক রাস্তা বন্ধ করছে এটা চরম অন্যায়। ইদ্রিস সরদার যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।
এবিষয়ে অভিযুক্ত তামজিদ শেখ জানান, তিনি রাস্তা বন্ধ করেন নাই, ইদ্রিস সরদারের বাড়ির সামনের এই জায়গা তার, তাদেরকে তিনি অন্য পাশ দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তারা আমার নামে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পুর্ন বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আশরাফুলের সাথে কথা হলে বলেন, ওই জায়গাটা পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত বলে নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্তদের কাজ বন্ধ করা ও মালামাল সরিয়ে নিতে বলেছেন।
এ বিষয়ে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহীপ্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা বলেন, অবৈধভাবে যদি কেউ সরকারি সম্পত্তি জবর দখল করে খায় প্রথমে তাদের নোটিশ দেওয়া হবে তাতে কাজ না হলে প্রয়োজনে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও বলেন সরকারি জায়গা দিয়ে যদি কেউ যাতায়াত করে তাহলে সরকারের প্রয়োজন ছাড়া কেউ কারো বসতবাড়ীতে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করতে পারেনা।


























