ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শোক সংবাদ ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ২৫০ শয্যার, নির্মাণের উদ্যোগ ১৫ তলা আধুনিক ভবনের পত্নীতলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিবচরে যুবলীগ নেতার দাপট, ভয়-ভীতি ও মারধর করে জমি দখলের অভিযোগ সদরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অভিযুক্তের বাড়ির সামনেই ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নেওয়া ও বাড়ি বিক্রির কথা বলে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বালিয়াকান্দিতে দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ফিলিং স্টেশনের ৫ ডিসপেন্সিং ইউনিট সিলগালা ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলর তিন বন্ধু নিহত অনিয়ম ও অবহেলা সহ্য করা হবে না: সদরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৩ সেবিকা বদলি

মানববন্ধনে উত্তপ্ত বোয়ালমারী, রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ – ঠিকাদার বলছেন—‘সুবিধা না পেয়ে ষড়যন্ত্র করছে সাব-ঠিকাদার’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫ ২৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

আব্দুল মতিন মুন্সী, স্টাফ রিপোর্টার:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সুতালিয়া থেকে জয়পাশা পর্যন্ত প্রায় ৪.৭৫ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার কাজকে কেন্দ্র করে ঠিকাদার ও সাব-ঠিকাদারের মধ্যে তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগে কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ঠিকাদার বাবলু অভিযোগ করেন, সাব-ঠিকাদার মিরাজ মিনা রাস্তার এজিংয়ের ইট ও ডাবলু বিএম খোয়া সরবরাহ করেছিলেন। কিন্তু সরবরাহকৃত ইট ও খোয়া নিম্নমানের হওয়ায় তা গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।

বাবলুর দাবি, রাস্তার পাশে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকার মাটির কাজ অন্য কাউকে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হন মিরাজ মিনা। এরপর থেকেই তিনি ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩ অক্টোবর (শুক্রবার) সকালে বন্ডপাশা গ্রামে মিরাজ মিনা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, “রাস্তার কাজে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে। অনিয়ম বন্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”

অন্যদিকে ঠিকাদার বাবলু দাবি করেন,

> “রাস্তার কাজে কোনো অনিয়ম নেই। কাজ বর্তমানে চলমান। মিরাজ মিনা আমার কাছ থেকে নানা সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেটা না পেয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।”

তিনি আরও বলেন,

> “তার দেওয়া ইট ও খোয়া নিম্নমানের হওয়ায় আমরা তা ফেরত দিয়েছি। এখন তিনি জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী পূর্ণানন্দ সাহা বলেন,

> “রাস্তার কাজ এখনো শেষ হয়নি। কাজ চলমান রয়েছে। কাজ শেষে গুণগত মান যাচাই করা হবে। কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি প্রমাণিত হলে বিল আটকে রাখা হবে। রাস্তার পাশে মাটির কাজও যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মানববন্ধনে উত্তপ্ত বোয়ালমারী, রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ – ঠিকাদার বলছেন—‘সুবিধা না পেয়ে ষড়যন্ত্র করছে সাব-ঠিকাদার’

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

 

 

আব্দুল মতিন মুন্সী, স্টাফ রিপোর্টার:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সুতালিয়া থেকে জয়পাশা পর্যন্ত প্রায় ৪.৭৫ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার কাজকে কেন্দ্র করে ঠিকাদার ও সাব-ঠিকাদারের মধ্যে তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগে কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ঠিকাদার বাবলু অভিযোগ করেন, সাব-ঠিকাদার মিরাজ মিনা রাস্তার এজিংয়ের ইট ও ডাবলু বিএম খোয়া সরবরাহ করেছিলেন। কিন্তু সরবরাহকৃত ইট ও খোয়া নিম্নমানের হওয়ায় তা গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।

বাবলুর দাবি, রাস্তার পাশে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকার মাটির কাজ অন্য কাউকে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হন মিরাজ মিনা। এরপর থেকেই তিনি ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩ অক্টোবর (শুক্রবার) সকালে বন্ডপাশা গ্রামে মিরাজ মিনা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, “রাস্তার কাজে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে। অনিয়ম বন্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”

অন্যদিকে ঠিকাদার বাবলু দাবি করেন,

> “রাস্তার কাজে কোনো অনিয়ম নেই। কাজ বর্তমানে চলমান। মিরাজ মিনা আমার কাছ থেকে নানা সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেটা না পেয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।”

তিনি আরও বলেন,

> “তার দেওয়া ইট ও খোয়া নিম্নমানের হওয়ায় আমরা তা ফেরত দিয়েছি। এখন তিনি জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী পূর্ণানন্দ সাহা বলেন,

> “রাস্তার কাজ এখনো শেষ হয়নি। কাজ চলমান রয়েছে। কাজ শেষে গুণগত মান যাচাই করা হবে। কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি প্রমাণিত হলে বিল আটকে রাখা হবে। রাস্তার পাশে মাটির কাজও যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হবে।