ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরের সালথায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, থানায় এজাহার দায়ের। নওগাঁ মধ্যরাতের অভিযানে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পত্নীতলায় ১৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সদরপুরে ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে সাংবাদিকতার পরিচয়ের আড়ালে মাদক ব্যবসা জরুরি বিজ্ঞপ্তিঃ তারিখ ০৮-০৬-২০২৬ ইং  ৬৫ শতাংশ গ্রাহককে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুচ্চালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ বোয়ালমারীতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে তিন সন্তানের জনক গ্রেপ্তার

বৃত্তির টাকা দেওয়ার নাম করে প্রতারণা: সাংবাদিক মোঃ মাহাবুব মিয়ার সতর্কবার্তা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫ ২২৫ বার পড়া হয়েছে

Oplus_0

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি।

বৃত্তির টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার নতুন কৌশলে অনেকেই প্রতারক’দের ফাঁদে পড়ছেন। এমনই এক প্রতারণার শিকার হয়েছেন একটি পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর জেলা সদরে, শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ২০২৫ ইং সন্ধ্যা ৭টার দিকে। ভুক্তভোগী ভাই জানান, তার বোন ফোন করে বলেন, বৃত্তির টাকা বিকাশ নম্বরে আসছে না। তাই তোমার এটিএম কার্ডের দুই পাশের ছবি আমাকে দাও আমি ওই সরকারি কর্মকর্তাকে দেই, আমি বললাম তাহলে আমার নাম্বারটা উনাকে দাও তার পর যা যা লাগে আমি দিতেছি। এরপর ‘সরকারি অফিস কর্মকর্তা`পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি আমাকে ফোন করে ব্যাংক কার্ডের দুই পাশের ছবি দিতে বলেন। তারা দাবি করেন, বৃত্তির টাকা আমার বোনের বিকাশ নম্বরে আসতেছে না তাই পরিবর্তন করে আপনার কার্ডে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে প্রতারকরা আরও এক ধাপ এগিয়ে তার ফোনে পাঠানো OTP বা কোড বারবার চাইতে থাকে। কোডগুলো দেওয়ার পরই শুরু হয় লেনদেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক টাকা কেটে যাওয়ার SMS আসে।

প্রতারকদের ব্যবহৃত নম্বর:
📞 ০১৩২৬৬৭৪০৯২
📞 ০১৬০৮৪৫৩৫৬৭

টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লেনদেন:

নগদ: ৫,০৮০ টাকা (ID: 19386691)

নগদ: ৪,৯৯৯ টাকা (ID: 19386691)

নগদ: ২,০০০ টাকা (ID: 19386691)

➡️ মোট: ১২,০৭৯ টাকা

এছাড়া বিকাশ থেকে ১৯,৯৬৮ টাকা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তবে ব্যালেন্স না থাকায় সেটি ব্যর্থ হয়।
প্রতারকদের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে তিনি প্রশ্ন করলে, অপর প্রান্তের ব্যক্তি উল্টো জবাব দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেয়। সতর্কবার্তা করে সাংবাদিক মোঃ মাহাবুব মিয়া দেশের সকল শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বলেন, সরকারি অফিস কখনোই ATM কার্ডের ছবি চাইবে না।OTP/কোড চাইলে বুঝবেন—এটি ১০০% প্রতারণা।

শুক্রবার–শনিবার সরকারি ছুটির দিনে কেউ সরকারি অফিস থেকে ফোন দেয় না। বৃত্তির টাকা বা সরকারি কোনো অর্থ সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রে সরাসরি উপজেলা শিক্ষা অফিস, স্কুল/কলেজ, অথবা বৃত্তি দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করুন। তিনি আরও বলেন, একটু অসতর্কতার কারণে আপনার কষ্টের উপার্জিত টাকা মুহূর্তেই শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই নিজে সতর্ক থাকুন, অন্যকেও সচেতন করুন।

প্রতারণা রোধে করণীয়
✔ কোনো অচেনা নম্বরে ব্যক্তিগত তথ্য, কার্ড নম্বর বা OTP দেবেন না। ✔ বিকাশ/নগদ/রকেট কর্তৃপক্ষ কখনো OTP চায় না—এটি মনে রাখুন। ✔ সন্দেহ হলে ১৬২৪৭ (বিকাশ), ১৬১২৭ (নগদ) এ কল করুন। ✔ প্রতারণার শিকার হলে অবিলম্বে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন।

প্রতিটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের প্রতি আহ্বান—সতর্ক হোন, প্রতারণা থেকে দূরে থাকুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বৃত্তির টাকা দেওয়ার নাম করে প্রতারণা: সাংবাদিক মোঃ মাহাবুব মিয়ার সতর্কবার্তা

আপডেট সময় : ০১:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

 

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি।

বৃত্তির টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার নতুন কৌশলে অনেকেই প্রতারক’দের ফাঁদে পড়ছেন। এমনই এক প্রতারণার শিকার হয়েছেন একটি পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর জেলা সদরে, শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ২০২৫ ইং সন্ধ্যা ৭টার দিকে। ভুক্তভোগী ভাই জানান, তার বোন ফোন করে বলেন, বৃত্তির টাকা বিকাশ নম্বরে আসছে না। তাই তোমার এটিএম কার্ডের দুই পাশের ছবি আমাকে দাও আমি ওই সরকারি কর্মকর্তাকে দেই, আমি বললাম তাহলে আমার নাম্বারটা উনাকে দাও তার পর যা যা লাগে আমি দিতেছি। এরপর ‘সরকারি অফিস কর্মকর্তা`পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি আমাকে ফোন করে ব্যাংক কার্ডের দুই পাশের ছবি দিতে বলেন। তারা দাবি করেন, বৃত্তির টাকা আমার বোনের বিকাশ নম্বরে আসতেছে না তাই পরিবর্তন করে আপনার কার্ডে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে প্রতারকরা আরও এক ধাপ এগিয়ে তার ফোনে পাঠানো OTP বা কোড বারবার চাইতে থাকে। কোডগুলো দেওয়ার পরই শুরু হয় লেনদেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক টাকা কেটে যাওয়ার SMS আসে।

প্রতারকদের ব্যবহৃত নম্বর:
📞 ০১৩২৬৬৭৪০৯২
📞 ০১৬০৮৪৫৩৫৬৭

টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লেনদেন:

নগদ: ৫,০৮০ টাকা (ID: 19386691)

নগদ: ৪,৯৯৯ টাকা (ID: 19386691)

নগদ: ২,০০০ টাকা (ID: 19386691)

➡️ মোট: ১২,০৭৯ টাকা

এছাড়া বিকাশ থেকে ১৯,৯৬৮ টাকা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তবে ব্যালেন্স না থাকায় সেটি ব্যর্থ হয়।
প্রতারকদের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে তিনি প্রশ্ন করলে, অপর প্রান্তের ব্যক্তি উল্টো জবাব দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেয়। সতর্কবার্তা করে সাংবাদিক মোঃ মাহাবুব মিয়া দেশের সকল শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বলেন, সরকারি অফিস কখনোই ATM কার্ডের ছবি চাইবে না।OTP/কোড চাইলে বুঝবেন—এটি ১০০% প্রতারণা।

শুক্রবার–শনিবার সরকারি ছুটির দিনে কেউ সরকারি অফিস থেকে ফোন দেয় না। বৃত্তির টাকা বা সরকারি কোনো অর্থ সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রে সরাসরি উপজেলা শিক্ষা অফিস, স্কুল/কলেজ, অথবা বৃত্তি দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করুন। তিনি আরও বলেন, একটু অসতর্কতার কারণে আপনার কষ্টের উপার্জিত টাকা মুহূর্তেই শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই নিজে সতর্ক থাকুন, অন্যকেও সচেতন করুন।

প্রতারণা রোধে করণীয়
✔ কোনো অচেনা নম্বরে ব্যক্তিগত তথ্য, কার্ড নম্বর বা OTP দেবেন না। ✔ বিকাশ/নগদ/রকেট কর্তৃপক্ষ কখনো OTP চায় না—এটি মনে রাখুন। ✔ সন্দেহ হলে ১৬২৪৭ (বিকাশ), ১৬১২৭ (নগদ) এ কল করুন। ✔ প্রতারণার শিকার হলে অবিলম্বে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন।

প্রতিটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের প্রতি আহ্বান—সতর্ক হোন, প্রতারণা থেকে দূরে থাকুন।