গণভোট পদ্ধতি পরিবর্তনের নির্বাচন, ভোট চুরির সুযোগ নেই: রিজওয়ানা হাসান
- আপডেট সময় : ০৯:২০:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

নাজমুল হুদা বাশার-ফরিদপুর
গণভোটকে সরকার পরিবর্তনের চেয়ে পদ্ধতি পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, এই গণভোটে ভোট চুরির কোনো সুযোগ নেই এবং এটি একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের পথে বড় পদক্ষেপ।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গণভোট প্রচারণার অংশ হিসেবে ভোটের গাড়ি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সংস্কার, বিচার নিশ্চিত করা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রশাসনিক ভারসাম্য ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে। এসব কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতেই জাতীয় পর্যায়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতায় ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে, জনগণ আরও ক্ষমতায়িত হবে এবং প্রশাসন জবাবদিহির আওতায় আসবে। এর ফলে কোনো একক দল একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবে না এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, অতীতে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ আন্দোলন করেছে এবং বড় ত্যাগের বিনিময়ে সেই শাসনের অবসান ঘটেছে। তবে স্বৈরাচার বিভিন্ন রূপে ফিরে আসার চেষ্টা করেছে। গণভোটের মাধ্যমে সেই আত্মত্যাগকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এ জন্য তিনি সবাইকে গণভোটে সরকারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। এছাড়া ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা,পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি কর্মকর্তা ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য প্রচারণা র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আম্বিকা মেমোরিয়াল ময়দানে গিয়ে শেষ হয়।














