ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ইউসুফ শেখকে বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ ফরিদপুরে ৫৩ লিটার চোলাই মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন মাদারীপুরে ৩ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।   টেপাখোলা গরুর হাট সংলগ্ন ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম চলমান, জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার উদ্যোগ টেপাখোলা ইয়াছিন মঞ্জিল জামে মসজিদ সংলগ্ন সড়কের জলাবদ্ধতা নিরসনে পাইপ ড্রেন নির্মাণকাজ পরিদর্শন সাংবাদিক ইব্রাহিম হোসেনের বাবার মৃত্যুতে ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের শোক বিদায়ী ও নবাগত ১৪ বিজিবি অধিনায়কের সঙ্গে নওগাঁ পুলিশ সুপারের সৌজন্য সাক্ষাৎ মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার আসামি শহিদুল মোল্লা গ্রেফতার রায়পুরায় প্রকাশ্যে একজন কে গুলি করে হত্যা, আহত ৩

মধুখালী উপজেলার সরকারি হলরুম এখন রাজমিস্ত্রিদের বসতঘর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

রাকিবুল হাসান মিঠু,উপজেলা প্রতিনিধি মধুখালী।

 

ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার সরকারি হলরুম এখন পরিণত হয়েছে রাজমিস্ত্রিদের অস্থায়ী বসতঘরে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি এই স্থাপনাটি ব্যক্তিগত আবাসন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। হলরুমের ভেতরেই রান্না, খাওয়া ও রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

গত(১৭ মে ২০২৬)রবিবার দিবাগত রাতে সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়,হলরুমের ভিতরে রাজমিস্ত্রি ও শ্রমিকরা অবস্থান করছেন। সেখানে রান্নার চুলা,বিছানা ও দৈনন্দিন ব্যবহারের নানা সামগ্রী দেখা গেছে।এছাড়াও হলরুমের ভিতরে থাকা চেয়ার ও সোফা দিয়ে রাত্রি যাপনের জন্য খাট হিসেবে ব্যবহার করছে।সরকারি স্থাপনার এমন অপব্যবহার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

এদিকে,প্রয়োজন না থাকলেও ফ্যান ও লাইট চালু রাখা হচ্ছে। এতে সরকারের বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে এবং বাড়ছে সরকারি ব্যয়। সচেতন মহল বলছে, যেখানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, সেখানে সরকারি ভবনে এমন অব্যবস্থাপনা দুঃখজনক।

 

রুমের ভিতরে অবস্থানরত রাজমিস্ত্রিদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলে,এই উপজেলার রফিক স্যারের ম্যানেজার মামুন ভাই আমাদের কে সালথা থেকে নিয়ে আসছে। রফিক স্যার আমাদের এখানে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।হল রুমের ভিতরে অবস্থানরত শ্রমিকদের বাড়ি ফরিদপুর জেলার মোকসেদপুর ও সালথায়।

 

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান,সরকারি হলরুম সাধারণত সভা-সেমিনার ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহারের জন্য নির্মিত। কিন্তু বর্তমানে সেটি শ্রমিকদের আবাসস্থলে পরিণত হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের সময় হলরুম ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওশনা জাহান এর কাছে মোবাইল ফোনে কল ও খুদেবার্তার মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো উত্তর দেননি।

 

এমন ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত হলরুমটি দখলমুক্ত করে সরকারি কাজে ব্যবহারের উপযোগী করা হোক এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মধুখালী উপজেলার সরকারি হলরুম এখন রাজমিস্ত্রিদের বসতঘর

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

 

 

রাকিবুল হাসান মিঠু,উপজেলা প্রতিনিধি মধুখালী।

 

ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার সরকারি হলরুম এখন পরিণত হয়েছে রাজমিস্ত্রিদের অস্থায়ী বসতঘরে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি এই স্থাপনাটি ব্যক্তিগত আবাসন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। হলরুমের ভেতরেই রান্না, খাওয়া ও রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

গত(১৭ মে ২০২৬)রবিবার দিবাগত রাতে সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়,হলরুমের ভিতরে রাজমিস্ত্রি ও শ্রমিকরা অবস্থান করছেন। সেখানে রান্নার চুলা,বিছানা ও দৈনন্দিন ব্যবহারের নানা সামগ্রী দেখা গেছে।এছাড়াও হলরুমের ভিতরে থাকা চেয়ার ও সোফা দিয়ে রাত্রি যাপনের জন্য খাট হিসেবে ব্যবহার করছে।সরকারি স্থাপনার এমন অপব্যবহার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

এদিকে,প্রয়োজন না থাকলেও ফ্যান ও লাইট চালু রাখা হচ্ছে। এতে সরকারের বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে এবং বাড়ছে সরকারি ব্যয়। সচেতন মহল বলছে, যেখানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, সেখানে সরকারি ভবনে এমন অব্যবস্থাপনা দুঃখজনক।

 

রুমের ভিতরে অবস্থানরত রাজমিস্ত্রিদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলে,এই উপজেলার রফিক স্যারের ম্যানেজার মামুন ভাই আমাদের কে সালথা থেকে নিয়ে আসছে। রফিক স্যার আমাদের এখানে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।হল রুমের ভিতরে অবস্থানরত শ্রমিকদের বাড়ি ফরিদপুর জেলার মোকসেদপুর ও সালথায়।

 

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান,সরকারি হলরুম সাধারণত সভা-সেমিনার ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহারের জন্য নির্মিত। কিন্তু বর্তমানে সেটি শ্রমিকদের আবাসস্থলে পরিণত হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের সময় হলরুম ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওশনা জাহান এর কাছে মোবাইল ফোনে কল ও খুদেবার্তার মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো উত্তর দেননি।

 

এমন ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত হলরুমটি দখলমুক্ত করে সরকারি কাজে ব্যবহারের উপযোগী করা হোক এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।