ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি আরবের সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন বাংলাদেশির ঘটনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদের শোক ইতালি পাঠানোর প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মহাসড়কে বিক্ষোভ, মানববন্ধন  ডাকুয়া খাল থেকে প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন, রাস্তা ঝুঁকিতে।  ডাকুয়া খাল থেকে প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন, রাস্তা ঝুঁকিতে। কালিয়াকৈরে পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ছড়াচ্ছে নানা ধরনের রোগব্যাধি, পৌরবাসির বিক্ষোভ  ওমরাহ পালনের পথে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনা: ফরিদপুরের মা ও দুই সন্তানের করুণ মৃত্যু আজকের এই পবিত্র জুম্মার দিনে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে অশেষ শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ কালিয়াকৈর খাবার হোটেলের ডাকাতি প্রস্তুত কালে অস্ত্র সহ ১জন আটক ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের মোবাইল কোর্ট: তিন প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডাকুয়া খাল থেকে প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন, রাস্তা ঝুঁকিতে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

 

পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন বুড়ো গৌরাঙ্গ নদীর তীরে একটি খাল বয়ে যায় ডাকুয়া ইউনিয়ন থেকে রাবনাবাদ নদীর তীরে, ঐ খাল টি ডাকুয়া সুলিজ খাল নামে পরিচিত, ডাকুয়া খাল থেকে উলানিয়া বন্দর এক জন ব্যক্তি মোঃ ইমরান হুজুর নামে পরিচিত, বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। গলাচিপা উপজেলা ছোট চত্রা তীরবর্তী ডাকুয়া ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাড়া কবিরাজ বাড়ি সংলগ্ন এলাকা এবং ডাকুয়া খাল থেকে বিভিন্ন অংশে প্রভাবশালী একটি চক্র ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে দিনে ও রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে খালভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি কবিরাজ বাড়ি রাস্তাসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনা ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ছে। পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
নাম প্রকাশে একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই বালু উত্তোলন চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর ও খাল রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারির অভাব এবং প্রশাসনের দীর্ঘ নীরবতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবুজর ইজাজুল হক
বলেন “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, কঠোর নজরদারি এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নদী ও খাল ভাঙ্গনে অবকাঠামোর ক্ষতি এবং পরিবেশগত বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই নদী ও খাল জনস্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ডাকুয়া খাল থেকে প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন, রাস্তা ঝুঁকিতে।

আপডেট সময় : ০২:০৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

 

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

 

পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন বুড়ো গৌরাঙ্গ নদীর তীরে একটি খাল বয়ে যায় ডাকুয়া ইউনিয়ন থেকে রাবনাবাদ নদীর তীরে, ঐ খাল টি ডাকুয়া সুলিজ খাল নামে পরিচিত, ডাকুয়া খাল থেকে উলানিয়া বন্দর এক জন ব্যক্তি মোঃ ইমরান হুজুর নামে পরিচিত, বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। গলাচিপা উপজেলা ছোট চত্রা তীরবর্তী ডাকুয়া ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাড়া কবিরাজ বাড়ি সংলগ্ন এলাকা এবং ডাকুয়া খাল থেকে বিভিন্ন অংশে প্রভাবশালী একটি চক্র ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে দিনে ও রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে খালভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি কবিরাজ বাড়ি রাস্তাসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনা ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ছে। পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
নাম প্রকাশে একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই বালু উত্তোলন চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর ও খাল রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারির অভাব এবং প্রশাসনের দীর্ঘ নীরবতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবুজর ইজাজুল হক
বলেন “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, কঠোর নজরদারি এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নদী ও খাল ভাঙ্গনে অবকাঠামোর ক্ষতি এবং পরিবেশগত বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই নদী ও খাল জনস্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।