ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ নারী গ্রেপ্তার সালথায় ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে দ্বিমুখী চিত্র: একপক্ষে সংবাদ সম্মেলন, অন্যপক্ষে আনন্দ মিছিল কালিয়াকৈরে কাবিটা ও কাবিখার ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ জয়বাংলা মোড় বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ভেজাল খাদ্য ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের দায়ে একাধিক হোটেলকে জরিমানা ফরিদপুরে ‘এইচ আর ইন্টারন্যাশনাল বাইক ক্লাব’ এর শুভ উদ্বোধন, বাইকপ্রেমীদের জন্য নানা সুবিধার ঘোষণা আওয়ামী লীগের সহিংসতার প্রতিবাদে টঙ্গী পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর দুই দিন পর  ওসি প্রত্যাহার। নগরকান্দার ডাঙ্গীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল টঙ্গীতে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ জন গ্রেফতার আলীপুরে শিশুর ওপর নির্মম নির্যাতন, ক্ষোভ ও উদ্বেগে ফরিদপুরবাসী

৯ কিলোমিটার রাস্তায় ৯ শতাধিকের বেশি খানা খনন্দ পথচারীদের চরম দুর্ভোগ নেই সংস্কার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৭:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল থেকে কালিনগর ৯ কিলোমিটার পাঁকা রাস্তায় ৯ শতাধিকের বেশি ছোট বড় খানা খনন্দে ভরে গেছে। খানা খনন্দের ফলে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের ও ভ্যান চালক শ্রমিকদের। খানা খনন্দে পড়ে কখনও ভ্যানের ফর ভেঙে পড়ছে। আবার কখনও ভ্যান উল্টে রাস্তার পাশে পড়ে যাচ্ছে এমনই অভিযোগ করেন ভ্যান চালকরা।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, সহস্রাইল থেকে কালিনগর ৯ কিলোমিটার পাঁকা রাস্তা ২০২০-২১ অর্থ বছরে দুই প্যাকেজে সংস্কারের কাজ হয়। এক প্যাকেজের বরাদ্দ ছিল ৮ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা, আরেক প্যাকেজের বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা। সংস্কারের অর্থ মোট বরাদ্দ ছিল ১২ কোটি ১০ লাখ টাকা।

সংস্কারের কাজ ৪ বছর পর পর করার নিয়ম থাকলেও প্রকল্প না থাকায় নতুন করে আর সংস্কার করা সম্ভব হয়নি।

রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বন্ডপাশা গ্রামের ভ্যান চালক এসকেন মোল্যা (৪৫) বলেন, খানা খনন্দের কারনে ভ্যানে যাত্রী নিয়ে যাওয়া খুব কষ্ট কর হয়ে পড়েছে এই রাস্তা দিয়ে। যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার মধ্যে ভ্যানের সামনের ফর ভেঙে পড়তে হয়। মাঝে মধ্যে ভ্যান উল্টে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যেতে হয়। পুরো রাস্তায় খানা খনন্দে ভরে গেছে।

সূর্যোগ গ্রামের গ্রামের আরেক ভ্যান চালক ইব্রাহিম মোল্যা (২৬) বলেন, রাস্তায় খানা খনন্দে ভরে গেছে। মাঝে মধ্যেই দেখা যায় ভ্যানের ফর ভেঙে পড়ে থাকতে অনেককে। একটা ভ্যানের ফর ৬ মাসের বেশি যায় না। বৃষ্টি নামলে রাস্তার মধ্যে খানা খনন্দে পানি ভরে পুকুরের মতো মনে হয়। রাস্তা সংস্কার জরুরী হয়ে পড়েছে।

সূর্যোগ বাজারের ব্যবসায়ী ও কাটাগড় গ্রামের বাসিন্দা আহাদ মোল্যা বলেন, সহস্রাইল থেকে কালিনগর পাঁকা রাস্তা খানা খনন্দের কারনে এতোটাই খারাপ হয়েছে তা আর বলে শেষ করা যাবে না। রাস্তার মাঝে মাঝে ছোট ছোট পুকুরের মতো হয়ে গেছে। বৃষ্টির দিনে তো মাঝারী ও বড় যান বাহন গুলো চাকা ডেবে ফেসে যায়। মাঝে মধ্যে ভ্যানের ফর ভেঙে যাত্রী সহ পড়ে যায়। রাস্তা সংস্কারের খুবই জরুরী হলেও সংস্কার হচ্ছে না।

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্ণেন্দ্র সাহা বলেন, সহস্রাইল থেকে কালিনগর ৯ কিলোমিটার রাস্তা ২০২০-২১ অর্থ বছরে দুই প্যাকেজের মাধ্যমে ১২ কোটি ১০ টাকা সংস্কার কাজে ব্যয় হয়। সংস্কার কাজ চার বছর পর পর করার কথা। প্রকল্প না থাকায় সংস্কার করার সমস্যা আছে। তবে আগামী বছর ওই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে পাঠানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

৯ কিলোমিটার রাস্তায় ৯ শতাধিকের বেশি খানা খনন্দ পথচারীদের চরম দুর্ভোগ নেই সংস্কার

আপডেট সময় : ০৬:০৭:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল থেকে কালিনগর ৯ কিলোমিটার পাঁকা রাস্তায় ৯ শতাধিকের বেশি ছোট বড় খানা খনন্দে ভরে গেছে। খানা খনন্দের ফলে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের ও ভ্যান চালক শ্রমিকদের। খানা খনন্দে পড়ে কখনও ভ্যানের ফর ভেঙে পড়ছে। আবার কখনও ভ্যান উল্টে রাস্তার পাশে পড়ে যাচ্ছে এমনই অভিযোগ করেন ভ্যান চালকরা।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, সহস্রাইল থেকে কালিনগর ৯ কিলোমিটার পাঁকা রাস্তা ২০২০-২১ অর্থ বছরে দুই প্যাকেজে সংস্কারের কাজ হয়। এক প্যাকেজের বরাদ্দ ছিল ৮ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা, আরেক প্যাকেজের বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা। সংস্কারের অর্থ মোট বরাদ্দ ছিল ১২ কোটি ১০ লাখ টাকা।

সংস্কারের কাজ ৪ বছর পর পর করার নিয়ম থাকলেও প্রকল্প না থাকায় নতুন করে আর সংস্কার করা সম্ভব হয়নি।

রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বন্ডপাশা গ্রামের ভ্যান চালক এসকেন মোল্যা (৪৫) বলেন, খানা খনন্দের কারনে ভ্যানে যাত্রী নিয়ে যাওয়া খুব কষ্ট কর হয়ে পড়েছে এই রাস্তা দিয়ে। যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার মধ্যে ভ্যানের সামনের ফর ভেঙে পড়তে হয়। মাঝে মধ্যে ভ্যান উল্টে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যেতে হয়। পুরো রাস্তায় খানা খনন্দে ভরে গেছে।

সূর্যোগ গ্রামের গ্রামের আরেক ভ্যান চালক ইব্রাহিম মোল্যা (২৬) বলেন, রাস্তায় খানা খনন্দে ভরে গেছে। মাঝে মধ্যেই দেখা যায় ভ্যানের ফর ভেঙে পড়ে থাকতে অনেককে। একটা ভ্যানের ফর ৬ মাসের বেশি যায় না। বৃষ্টি নামলে রাস্তার মধ্যে খানা খনন্দে পানি ভরে পুকুরের মতো মনে হয়। রাস্তা সংস্কার জরুরী হয়ে পড়েছে।

সূর্যোগ বাজারের ব্যবসায়ী ও কাটাগড় গ্রামের বাসিন্দা আহাদ মোল্যা বলেন, সহস্রাইল থেকে কালিনগর পাঁকা রাস্তা খানা খনন্দের কারনে এতোটাই খারাপ হয়েছে তা আর বলে শেষ করা যাবে না। রাস্তার মাঝে মাঝে ছোট ছোট পুকুরের মতো হয়ে গেছে। বৃষ্টির দিনে তো মাঝারী ও বড় যান বাহন গুলো চাকা ডেবে ফেসে যায়। মাঝে মধ্যে ভ্যানের ফর ভেঙে যাত্রী সহ পড়ে যায়। রাস্তা সংস্কারের খুবই জরুরী হলেও সংস্কার হচ্ছে না।

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্ণেন্দ্র সাহা বলেন, সহস্রাইল থেকে কালিনগর ৯ কিলোমিটার রাস্তা ২০২০-২১ অর্থ বছরে দুই প্যাকেজের মাধ্যমে ১২ কোটি ১০ টাকা সংস্কার কাজে ব্যয় হয়। সংস্কার কাজ চার বছর পর পর করার কথা। প্রকল্প না থাকায় সংস্কার করার সমস্যা আছে। তবে আগামী বছর ওই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে পাঠানো হবে।