ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সালথায় ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে দ্বিমুখী চিত্র: একপক্ষে সংবাদ সম্মেলন, অন্যপক্ষে আনন্দ মিছিল কালিয়াকৈরে কাবিটা ও কাবিখার ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ জয়বাংলা মোড় বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ভেজাল খাদ্য ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের দায়ে একাধিক হোটেলকে জরিমানা ফরিদপুরে ‘এইচ আর ইন্টারন্যাশনাল বাইক ক্লাব’ এর শুভ উদ্বোধন, বাইকপ্রেমীদের জন্য নানা সুবিধার ঘোষণা আওয়ামী লীগের সহিংসতার প্রতিবাদে টঙ্গী পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর দুই দিন পর  ওসি প্রত্যাহার। নগরকান্দার ডাঙ্গীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল টঙ্গীতে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ জন গ্রেফতার আলীপুরে শিশুর ওপর নির্মম নির্যাতন, ক্ষোভ ও উদ্বেগে ফরিদপুরবাসী নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ফরিদপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

বোয়ালমারীতে বিএনপির দ্বন্দ্বে মামলা, ৩৮ নামীয় ও অজ্ঞাত ৩০০/৪০০ জন আসামী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫ ১১৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

আব্দুল মতিন মুন্সী বোয়ালমারী (ফরিদপুর):

বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ ভাই) বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার নামীয় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন:
১ নং আসামী: মো. শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়া, সহসভাপতি, বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপি।
২ নং আসামী: শাহ মো. আবু জাফর, বিএনএম-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
৩ নং আসামী: মো. আবুল কালাম আজাদ, সালথা উপজেলার খায়েরদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
৪ নং আসামী: মো. মাহবুব হাসান সজিব, যুগ্ম আহবায়ক, বোয়ালমারী উপজেলা যুবদল।
৫ নং আসামী: মো. দুখু মিয়া।
৬ নং আসামী: মো. জাহাঙ্গীর আলম মুকুল মিয়া।
৭ নং আসামী: শেখ রইসুল ইসলাম পলাশ, সাবেক চেয়ারম্যান, শেখর ইউনিয়ন পরিষদ।

এছাড়াও আরও ৩৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উপজেলা ও পৌর বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও নেতৃত্বের বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সেই ঘটনার জের ধরেই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাদীর বক্তব্য:
উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমার ওপর ও আমার সহযোগীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধেই আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি।”

১ নং আসামির বক্তব্য:
বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও মামলার ১ নং আসামী মো. শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়া বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িত নই। দলকে সুসংগঠিত রাখার কাজ করছিলাম বলেই আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এই মামলার মাধ্যমে বিএনপিকে দুর্বল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।”

আসামীপক্ষের অন্য বক্তব্য:
বিএনএম-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ মো. আবু জাফর বলেন, “এ মামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। মতভেদকে কেন্দ্র করে আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সত্যের জয় হবেই।”

এদিকে মামলার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বোয়ালমারীতে বিএনপির দ্বন্দ্বে মামলা, ৩৮ নামীয় ও অজ্ঞাত ৩০০/৪০০ জন আসামী

আপডেট সময় : ০৩:২৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

 

আব্দুল মতিন মুন্সী বোয়ালমারী (ফরিদপুর):

বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ ভাই) বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার নামীয় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন:
১ নং আসামী: মো. শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়া, সহসভাপতি, বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপি।
২ নং আসামী: শাহ মো. আবু জাফর, বিএনএম-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
৩ নং আসামী: মো. আবুল কালাম আজাদ, সালথা উপজেলার খায়েরদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
৪ নং আসামী: মো. মাহবুব হাসান সজিব, যুগ্ম আহবায়ক, বোয়ালমারী উপজেলা যুবদল।
৫ নং আসামী: মো. দুখু মিয়া।
৬ নং আসামী: মো. জাহাঙ্গীর আলম মুকুল মিয়া।
৭ নং আসামী: শেখ রইসুল ইসলাম পলাশ, সাবেক চেয়ারম্যান, শেখর ইউনিয়ন পরিষদ।

এছাড়াও আরও ৩৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উপজেলা ও পৌর বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও নেতৃত্বের বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সেই ঘটনার জের ধরেই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাদীর বক্তব্য:
উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমার ওপর ও আমার সহযোগীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধেই আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি।”

১ নং আসামির বক্তব্য:
বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও মামলার ১ নং আসামী মো. শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়া বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িত নই। দলকে সুসংগঠিত রাখার কাজ করছিলাম বলেই আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এই মামলার মাধ্যমে বিএনপিকে দুর্বল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।”

আসামীপক্ষের অন্য বক্তব্য:
বিএনএম-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ মো. আবু জাফর বলেন, “এ মামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। মতভেদকে কেন্দ্র করে আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সত্যের জয় হবেই।”

এদিকে মামলার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।