ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মিরাজ শেখের ১০ বছরের কারাদণ্ড ১৭ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের কল্যাণ, ঐক্য ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ শোক সংবাদ ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ২৫০ শয্যার, নির্মাণের উদ্যোগ ১৫ তলা আধুনিক ভবনের পত্নীতলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিবচরে যুবলীগ নেতার দাপট, ভয়-ভীতি ও মারধর করে জমি দখলের অভিযোগ সদরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অভিযুক্তের বাড়ির সামনেই ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নেওয়া ও বাড়ি বিক্রির কথা বলে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বালিয়াকান্দিতে দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ফিলিং স্টেশনের ৫ ডিসপেন্সিং ইউনিট সিলগালা

সদরপুরে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫ ৫৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

সদরপুরে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

শিমুল তালুকদার, সদরপুর থেকে

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় শেষ মুহুর্তে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে। উপজেলার বড় পশুর হাট কৃষ্ণপুর ও সাড়ে সাতরশি হাটে কোরবানীর ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতা বিক্রেতার সংখ্যা ততই বাড়ছে৷ হাটে গরুর পাশাপাশি ছাগলের বেচা বিক্রিও বেশ। সব ধরনের গরু হাটে পাওয়া গেলেও সাইজে ছোট ও মাঝারী গরুর চাহিদা বেশী। দূর দুরান্ত থেকে বিভিন্ন পাইকাররা এসে গরু ছাগল ক্রয় করে বেশী লাভের আশায় রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার উপজেলার বড় গরুরহাট সাড়ে সাতরশি বাজারে গিয়ে সরজমিনে দেখা যায়, ছোট সাইজের গরু ৭৫/৮৫ হাজার টাকায় বেচা বিক্রি হচ্ছে,মাঝারী সাইজের গরু ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ২০/৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় সাইজের গরুর চাহিদা কম।

গরু বিক্রেতা সাঈদ জানান, তিনি ২ টি গরু এনেছিলেন একটি ছোট সাইজের গরু ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন,আরেকটির দাম হাকছেন দেড় লক্ষ টাকা। বেচা বিক্রিতে খুশী তিনি।

অপর গরু বিক্রেতা আইয়ুব হাওলাদার জানান, আমি ৪ টা গরু পালন করে হাটে এনেছি বিক্রি করতে। এবছর গো-খাদ্যের দাম বেশী হওয়ায় গরু পালনে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়েছে। ভাল দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে।

সদরপুর উপজেলার পশ্চিম শ্যামপুর গ্রামের ক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও দেশি জাতের একটি ষাঁড় কিনেছি। আগামী বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে।

সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশি গ্রামের বিক্রেতা আবু সালেহ মুসা জানান, ‘গত বছর কোরবানির ঈদের পর ছয়টি গরু কিনেছিলাম সাড়ে ৪ লাখ টাকায়। প্রতিটা গরুর জন্য দিনে খাওয়া খরচ হয় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। বছরে একটা গরু বড় করতেই খরচ হয়ে যায় ৮০-৯০ হাজার টাকা। সমিতির ঋণের টাকা সুদসহ দিতে হবে। বাজারে যে গরুটি এনেছি এখন গরু বিক্রি করে সব টাকা শোধ করা লাগবে।’

সাড়ে সাতরশি গরু হাটের ইজারাদার বাহালুল মাতুব্বর বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর গরুর সংখ্যা বেশী৷ বিক্রিও হচ্ছে অনেক৷ প্রতি হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা আসছেন গরু ছাগল কিনতে। হাটে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি হাট কমিটির পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারীর ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

ফরিদপুর জেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলার নয়টি উপজেলায় ১ লাখ ১০ হাজার গরু, ছাগল ও মহিষ আসন্ন কোরবানির জন্য মোটাতাজা করা হয়েছে। যা জেলার চাহিদার চেয়েও বেশি। আশা করছি খামারিরা তাদের পালনকৃত পশুর ন্যায্যমূল্য পাবেন।

শিমুল তালুকদার
সদরপুর, ফরিদপুর
০১৭১৯১০৩৬১৫
১/৬/২০২৫ ইং

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সদরপুরে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

আপডেট সময় : ০৫:১১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

সদরপুরে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

শিমুল তালুকদার, সদরপুর থেকে

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় শেষ মুহুর্তে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে। উপজেলার বড় পশুর হাট কৃষ্ণপুর ও সাড়ে সাতরশি হাটে কোরবানীর ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতা বিক্রেতার সংখ্যা ততই বাড়ছে৷ হাটে গরুর পাশাপাশি ছাগলের বেচা বিক্রিও বেশ। সব ধরনের গরু হাটে পাওয়া গেলেও সাইজে ছোট ও মাঝারী গরুর চাহিদা বেশী। দূর দুরান্ত থেকে বিভিন্ন পাইকাররা এসে গরু ছাগল ক্রয় করে বেশী লাভের আশায় রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার উপজেলার বড় গরুরহাট সাড়ে সাতরশি বাজারে গিয়ে সরজমিনে দেখা যায়, ছোট সাইজের গরু ৭৫/৮৫ হাজার টাকায় বেচা বিক্রি হচ্ছে,মাঝারী সাইজের গরু ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ২০/৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় সাইজের গরুর চাহিদা কম।

গরু বিক্রেতা সাঈদ জানান, তিনি ২ টি গরু এনেছিলেন একটি ছোট সাইজের গরু ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন,আরেকটির দাম হাকছেন দেড় লক্ষ টাকা। বেচা বিক্রিতে খুশী তিনি।

অপর গরু বিক্রেতা আইয়ুব হাওলাদার জানান, আমি ৪ টা গরু পালন করে হাটে এনেছি বিক্রি করতে। এবছর গো-খাদ্যের দাম বেশী হওয়ায় গরু পালনে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়েছে। ভাল দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে।

সদরপুর উপজেলার পশ্চিম শ্যামপুর গ্রামের ক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও দেশি জাতের একটি ষাঁড় কিনেছি। আগামী বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে।

সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশি গ্রামের বিক্রেতা আবু সালেহ মুসা জানান, ‘গত বছর কোরবানির ঈদের পর ছয়টি গরু কিনেছিলাম সাড়ে ৪ লাখ টাকায়। প্রতিটা গরুর জন্য দিনে খাওয়া খরচ হয় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। বছরে একটা গরু বড় করতেই খরচ হয়ে যায় ৮০-৯০ হাজার টাকা। সমিতির ঋণের টাকা সুদসহ দিতে হবে। বাজারে যে গরুটি এনেছি এখন গরু বিক্রি করে সব টাকা শোধ করা লাগবে।’

সাড়ে সাতরশি গরু হাটের ইজারাদার বাহালুল মাতুব্বর বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর গরুর সংখ্যা বেশী৷ বিক্রিও হচ্ছে অনেক৷ প্রতি হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা আসছেন গরু ছাগল কিনতে। হাটে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি হাট কমিটির পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারীর ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

ফরিদপুর জেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলার নয়টি উপজেলায় ১ লাখ ১০ হাজার গরু, ছাগল ও মহিষ আসন্ন কোরবানির জন্য মোটাতাজা করা হয়েছে। যা জেলার চাহিদার চেয়েও বেশি। আশা করছি খামারিরা তাদের পালনকৃত পশুর ন্যায্যমূল্য পাবেন।

শিমুল তালুকদার
সদরপুর, ফরিদপুর
০১৭১৯১০৩৬১৫
১/৬/২০২৫ ইং