ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুর-রাজবাড়ী সীমান্তে মাটিচাপা অবস্থায় নারী ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার কালিয়াকৈরে নবজাতকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ সদরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধার আত্বহত্যা ব্র্যাক সিডের উদ্যোগে ফরিদপুরে উত্তম কৃষি চর্চা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ব্র্যাক সিডের উদ্যোগে ফরিদপুরে উত্তম কৃষি চর্চা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মধুখালীতে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণ,অভিযুক্ত রিপন মল্লিক কে আটক করেছে পুলিশ  করবো কাজ, গড়বো দেশ — সবার আগে বাংলাদেশ নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ফরিদপুরে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ জন আটক -দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ফরিদপুরের সালথায় হামলার জেরে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ, আহত ২

উখিয়ার পালংখালীতে প্রবাসী’র স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫ ৩৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

আমিন উথিয়া প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজারের ইউনিয়ন হসপিটালে এক সঙ্গে চার নবজাতকের জন্ম দিয়েছেন ইয়াছমিন আক্তার নামের এক সৌভাগ্যবান মা। এর মধ্যে তিনটি ছেলে ও একটি মেয়ে। এই গৌরবময় জন্মের ঘটনায় পরিবার, চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে।মঙ্গলবার (১৭ জুন) ১টা ১৫ মিনিটে ইউনিয়ন হসপিটালের সমৃদ্ধ ও বিশেষজ্ঞ গাইনী বিভাগের চিকিৎসকেরা সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার নবজাতক পৃথিবীর আলো দেখেন।প্রসূতি ও গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. আরিফা মেহের রুমী ও ডা. মোসাম্মৎ রোকসানা আক্তারের নেতৃত্বে অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয়। তাঁদের সাথে ছিলেন ডা. নুর মোহাম্দ ও ডা. কৌশিক দত্ত।

এর আগে সকালে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় ওই প্রসূতিকে।ইয়াছমিন আক্তার উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মুছারহলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী রবিউল আলমের স্ত্রী। রবিউল আট বছর ধরে সৌদিতে রয়েছেন। তিনি তাঁর সন্তানদের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।দাদা নুর আহমদ বলেন, “মাশাআল্লাহ-আমি এক সঙ্গে চারটা নাতি পেয়েছি, তিন ছেলে ও এক মেয়ে। আমার অনেক খুশি লাগছে, আমার সৌদি প্রবাসী ছেলেও অনেক খুশি। সকলের কাছে নাতিদের জন্য দোয়া চাই।”অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক ডা. মোসাম্মৎ রোকসানা আক্তার বলেন, “গর্ভাবস্থাটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে আমরা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম। সফল অস্ত্রোপচারে মা ও চার নবজাতক সুস্থ অবস্থায় আছে-এটি আমাদের জন্যও অত্যন্ত আনন্দের।”

তিনি বলেন, “তাদেরকে বর্তমানে হাসপাতালের নবজাতক পরিচর্যা ইউনিটে (NICU) নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত চার সন্তানের গর্ভধারণ এবং জন্ম—প্রায় ৭ লাখে একটি ঘটার সম্ভাবনা থাকে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মা ও শিশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা, পুষ্টি সহায়তা এবং উপহার সামগ্রী প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন হসপিটাল কক্সবাজার পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল মুকিত চৌধুরী বলেন, “কক্সবাজারে চিকিৎসা ইতিহাসে সম্ভবত প্রথমবারের মতো একসঙ্গে চার সন্তানের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। ইউনিয়ন হসপিটাল কক্সবাজার পিএলসি’র গাইনী বিভাগ দক্ষতার সঙ্গে গৌরবময় কাজটি সম্পন্ন করেছে। এই সাফল্যে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছে, যা উন্নত ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবায় হসপিটাল কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

উখিয়ার পালংখালীতে প্রবাসী’র স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন।

আপডেট সময় : ০৭:০১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

 

আমিন উথিয়া প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজারের ইউনিয়ন হসপিটালে এক সঙ্গে চার নবজাতকের জন্ম দিয়েছেন ইয়াছমিন আক্তার নামের এক সৌভাগ্যবান মা। এর মধ্যে তিনটি ছেলে ও একটি মেয়ে। এই গৌরবময় জন্মের ঘটনায় পরিবার, চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে।মঙ্গলবার (১৭ জুন) ১টা ১৫ মিনিটে ইউনিয়ন হসপিটালের সমৃদ্ধ ও বিশেষজ্ঞ গাইনী বিভাগের চিকিৎসকেরা সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার নবজাতক পৃথিবীর আলো দেখেন।প্রসূতি ও গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. আরিফা মেহের রুমী ও ডা. মোসাম্মৎ রোকসানা আক্তারের নেতৃত্বে অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয়। তাঁদের সাথে ছিলেন ডা. নুর মোহাম্দ ও ডা. কৌশিক দত্ত।

এর আগে সকালে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় ওই প্রসূতিকে।ইয়াছমিন আক্তার উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মুছারহলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী রবিউল আলমের স্ত্রী। রবিউল আট বছর ধরে সৌদিতে রয়েছেন। তিনি তাঁর সন্তানদের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।দাদা নুর আহমদ বলেন, “মাশাআল্লাহ-আমি এক সঙ্গে চারটা নাতি পেয়েছি, তিন ছেলে ও এক মেয়ে। আমার অনেক খুশি লাগছে, আমার সৌদি প্রবাসী ছেলেও অনেক খুশি। সকলের কাছে নাতিদের জন্য দোয়া চাই।”অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক ডা. মোসাম্মৎ রোকসানা আক্তার বলেন, “গর্ভাবস্থাটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে আমরা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম। সফল অস্ত্রোপচারে মা ও চার নবজাতক সুস্থ অবস্থায় আছে-এটি আমাদের জন্যও অত্যন্ত আনন্দের।”

তিনি বলেন, “তাদেরকে বর্তমানে হাসপাতালের নবজাতক পরিচর্যা ইউনিটে (NICU) নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত চার সন্তানের গর্ভধারণ এবং জন্ম—প্রায় ৭ লাখে একটি ঘটার সম্ভাবনা থাকে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মা ও শিশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা, পুষ্টি সহায়তা এবং উপহার সামগ্রী প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন হসপিটাল কক্সবাজার পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল মুকিত চৌধুরী বলেন, “কক্সবাজারে চিকিৎসা ইতিহাসে সম্ভবত প্রথমবারের মতো একসঙ্গে চার সন্তানের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। ইউনিয়ন হসপিটাল কক্সবাজার পিএলসি’র গাইনী বিভাগ দক্ষতার সঙ্গে গৌরবময় কাজটি সম্পন্ন করেছে। এই সাফল্যে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছে, যা উন্নত ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবায় হসপিটাল কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।”