ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রমিকের প্রতি ভালোবাসা, প্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং একজন সংগ্রামী মায়ের গল্প ফরিদপুরে নিখোঁজ যুবকের লাশ পাটখেত থেকে উদ্ধার  অতিরিক্ত তীব্র তাপমাত্রা বৃদ্ধি হওয়ায় সাধারণ জনজীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ সদরপুরে ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা ফরিদপুরে অতিরিক্ত তাপদাহে জনজীবন দুর্বিষহ, বিপাকে শ্রমজীবী মানুষ ও কৃষক নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, বড় হামলার পরিকল্পনা স্থগিত ফরিদপুরে বিএসটিআই ও জেলা প্রশাসনের যৌথ মোবাইল কোর্ট: ৫ মামলায় ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা সদরপুরে হত্যা মামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মিরপুরে বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার: বয়স্কদের নিরাপত্তা ও পারিবারিক দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন গজারিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন ফরিদপুর প্রতিনিধি: মো:নজরুল ইসলাম হিরু গাজারিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের ২০২৬ সালের নতুন কমিটি গঠন

সবার আগে আমার “মা” তাহলে জাতি গড়ার কারিগরদের এ কেমন বিচার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫ ২৮৫ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

রেজাউল করিম বিশেষ প্রতিনিধিঃ ফরিদপুর 

 

এইচ এসসি ২০২৫  পরীক্ষা দেওয়া কেন্দ্র করে ছবিতে যে মেয়েটির কান্নার আহাজারিতে পুরো আকাশ  বাতাসে ভারী হয়ে গেলেও তার আর্তনাদে পাষণ্ড জাতী গড়ার কারিগরদের একটুও দয়া হয়নি।জানা গেছে তার বাবা নেই তার” মা’ই বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। ভাগ্যর নির্মম পরিহাস তার মা  সকালে মা স্ট্রোক করেছে। এমন অবস্থায় মেয়েটি তার মাকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে রেখে পরীক্ষার হলে যেতে একটি দেরি যায় আর এ কারনেই তার শিক্ষা জিবনের কালীমাখা।  কিন্তু দেরি হওয়ায় মেয়েটিকে পরীক্ষা দিতে দেয়নি কর্তৃপক্ষ একবার ও চিন্তা করেনি পছন্দ কর্তৃপক্ষরা আজ যদি কোন কর্তৃপক্ষের মায়ের এমন অবস্থা হতো তাহলে তারা কি করতেন এটা জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল। আর এই পরীক্ষার কেন্দ্রটি ছিল মিরপুর  বাংলা কলেজ। এই মেয়েটি কাঁদছিলো ছবি এবং ভিডিও দেখে মনে হলো কিছু লেখা দরকার তাই দায়িত্ববোধ থেকে থেকে লিখলাম।

আচ্ছা জীবনের এমন একটি পর্যায়ে যদি আপনি পড়তেন তাহলে কি করতেন। বোর্ড পরীক্ষায় কেউ ইচ্ছে করে সময় নষ্ট করে না এটা সবারই জানা আছে। মেয়েটার বাবা নেই,মা ও না ফেরার মত অবস্থা,

একটা বার কি মেয়েটির অবস্থা কেউ বুঝতে চেষ্টা করেছেন? কিন্তু না কেউ করেন নি।মেয়েটিকে পরীক্ষা দিতে দিলে কি এমন ক্ষতি হতো এটা আমার জানা নেই। মানবিকতা আগে নাকি নিয়ম আগে? দেশ যখন রসাতলে যাচ্ছে,দেশের টাকা লুটপাট হচ্ছে ,সবকিছু যখন যাচ্ছে তাই অবস্থা তখন এই মেয়েটিকে পরীক্ষা দিতে দিলে সে কি পুরো দেশে ফার্স্ট হতো? আসলে আমরা মানুষ থেকে আরও ভয়ংকর কোনো পশুতে রূপান্তর হচ্ছি। আমাদের মধ্যে কোন মানবিকতা কিংবা মহানুভবতা নেই। আপনার মা অসুস্থ থাকলে,হাসপাতালের বেডে ছটফট করলে আপনি কি পারতেন পরীক্ষা দিতে?

মেয়েটির একটি বছর নষ্ট হলো? পরিবারে কোন অভিভাবক নেই। কে দেবে তার প্রশ্নের উত্তর? আমরা আসলে কবে মানুষ হবো? আমরা কেন বিপদে কারও পাশে দাঁড়াতে পারি না? আমাদের ভেতরের মানুষটা কেন পঁচে যাচ্ছে? আমি অনুরোধ করবো শিক্ষা উপদেষ্টার কাছে, বিশেষ নিয়ম করে মেয়েটাকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হোক। মানবিকতা মারা যায়নি সেটা প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি মনে করি এই মেয়েটির পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করে দিলে বরং দৃষ্টান্ত হবে। প্লিজ মেয়েটির ভবিষ্যৎ এভাবে নষ্ট করবেন না। মেয়েটির মানসিক অবস্থাতো কোথায় যেয়ে দাঁড়িয়েছে আপনারা সকলেই বুঝতে পারছেন, সুতরাং মেয়েটির ব্যাপারে একটু মানবিক হওয়ার জন্য সকলের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি,, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড সেই মেরুদন্ডের প্রতি একটু সহায়ক হয়ে আওয়াজ তুলুন সবার উপরে “মা”।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সবার আগে আমার “মা” তাহলে জাতি গড়ার কারিগরদের এ কেমন বিচার

আপডেট সময় : ০১:০২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

 

 

রেজাউল করিম বিশেষ প্রতিনিধিঃ ফরিদপুর 

 

এইচ এসসি ২০২৫  পরীক্ষা দেওয়া কেন্দ্র করে ছবিতে যে মেয়েটির কান্নার আহাজারিতে পুরো আকাশ  বাতাসে ভারী হয়ে গেলেও তার আর্তনাদে পাষণ্ড জাতী গড়ার কারিগরদের একটুও দয়া হয়নি।জানা গেছে তার বাবা নেই তার” মা’ই বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। ভাগ্যর নির্মম পরিহাস তার মা  সকালে মা স্ট্রোক করেছে। এমন অবস্থায় মেয়েটি তার মাকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে রেখে পরীক্ষার হলে যেতে একটি দেরি যায় আর এ কারনেই তার শিক্ষা জিবনের কালীমাখা।  কিন্তু দেরি হওয়ায় মেয়েটিকে পরীক্ষা দিতে দেয়নি কর্তৃপক্ষ একবার ও চিন্তা করেনি পছন্দ কর্তৃপক্ষরা আজ যদি কোন কর্তৃপক্ষের মায়ের এমন অবস্থা হতো তাহলে তারা কি করতেন এটা জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল। আর এই পরীক্ষার কেন্দ্রটি ছিল মিরপুর  বাংলা কলেজ। এই মেয়েটি কাঁদছিলো ছবি এবং ভিডিও দেখে মনে হলো কিছু লেখা দরকার তাই দায়িত্ববোধ থেকে থেকে লিখলাম।

আচ্ছা জীবনের এমন একটি পর্যায়ে যদি আপনি পড়তেন তাহলে কি করতেন। বোর্ড পরীক্ষায় কেউ ইচ্ছে করে সময় নষ্ট করে না এটা সবারই জানা আছে। মেয়েটার বাবা নেই,মা ও না ফেরার মত অবস্থা,

একটা বার কি মেয়েটির অবস্থা কেউ বুঝতে চেষ্টা করেছেন? কিন্তু না কেউ করেন নি।মেয়েটিকে পরীক্ষা দিতে দিলে কি এমন ক্ষতি হতো এটা আমার জানা নেই। মানবিকতা আগে নাকি নিয়ম আগে? দেশ যখন রসাতলে যাচ্ছে,দেশের টাকা লুটপাট হচ্ছে ,সবকিছু যখন যাচ্ছে তাই অবস্থা তখন এই মেয়েটিকে পরীক্ষা দিতে দিলে সে কি পুরো দেশে ফার্স্ট হতো? আসলে আমরা মানুষ থেকে আরও ভয়ংকর কোনো পশুতে রূপান্তর হচ্ছি। আমাদের মধ্যে কোন মানবিকতা কিংবা মহানুভবতা নেই। আপনার মা অসুস্থ থাকলে,হাসপাতালের বেডে ছটফট করলে আপনি কি পারতেন পরীক্ষা দিতে?

মেয়েটির একটি বছর নষ্ট হলো? পরিবারে কোন অভিভাবক নেই। কে দেবে তার প্রশ্নের উত্তর? আমরা আসলে কবে মানুষ হবো? আমরা কেন বিপদে কারও পাশে দাঁড়াতে পারি না? আমাদের ভেতরের মানুষটা কেন পঁচে যাচ্ছে? আমি অনুরোধ করবো শিক্ষা উপদেষ্টার কাছে, বিশেষ নিয়ম করে মেয়েটাকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হোক। মানবিকতা মারা যায়নি সেটা প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি মনে করি এই মেয়েটির পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করে দিলে বরং দৃষ্টান্ত হবে। প্লিজ মেয়েটির ভবিষ্যৎ এভাবে নষ্ট করবেন না। মেয়েটির মানসিক অবস্থাতো কোথায় যেয়ে দাঁড়িয়েছে আপনারা সকলেই বুঝতে পারছেন, সুতরাং মেয়েটির ব্যাপারে একটু মানবিক হওয়ার জন্য সকলের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি,, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড সেই মেরুদন্ডের প্রতি একটু সহায়ক হয়ে আওয়াজ তুলুন সবার উপরে “মা”।