ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শোক সংবাদ ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ২৫০ শয্যার, নির্মাণের উদ্যোগ ১৫ তলা আধুনিক ভবনের পত্নীতলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিবচরে যুবলীগ নেতার দাপট, ভয়-ভীতি ও মারধর করে জমি দখলের অভিযোগ সদরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অভিযুক্তের বাড়ির সামনেই ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নেওয়া ও বাড়ি বিক্রির কথা বলে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বালিয়াকান্দিতে দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ফিলিং স্টেশনের ৫ ডিসপেন্সিং ইউনিট সিলগালা ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলর তিন বন্ধু নিহত অনিয়ম ও অবহেলা সহ্য করা হবে না: সদরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৩ সেবিকা বদলি

ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ৩ জন রোহিঙ্গা সহ ২ জন দালাল চক্র আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫ ১২৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

নিউজ ডেস্কঃ ফরিদপুর মহানগর বার্তা 

 

ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে এসে তিন রোহিঙ্গা  নাগরিকসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। রবিবার ১৩ জুলাই-২৫ তারিখ বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত রোহিঙ্গারা হলেন কক্সবাজার সদর উপজেলার মারিগোলা এলাকার আব্দুস সোবাহান (৭৫), তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪৫) ও জামাতা মোঃ তৈয়ব (৩০)। আটক দালালরা হলেন ফরিদপুর শহরের চাঁনমারি এলাকার সিয়াম আহমেদ (২৭) এবং কমলাপুর বটতলা এলাকার রাশেদ খান (৩০)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুস সোবাহান ও তাঁর   দালালদের সঙ্গে ৩০ হাজার টাকায় চুক্তি হন তিন রোহিঙ্গা তারা দালালদেরকে ১৫ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়ার পর রবিবার ফরিদপুরে এসে বাকি অর্থ পরিশোধ করবে বলে সম্মতি হন। কিন্তু দালালরা কোনো প্রক্রিয়া শুরু না করে বরং ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করে। একপর্যায়ে তৈয়বকে মারধর করা হয় তখন তিনি দৌড়ে নিজের জীবন রক্ষাতে পাসপোর্ট অফিসে ঢুকে আনসার সদস্যদের সহায়তা চান। পরে অফিস কর্তৃপক্ষ পাঁচজনকেই আটকে রেখে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে খবর দেয়।

কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আহাদুজ্জামান জানান, আটককৃত তিনজন রোহিঙ্গা বহু আগে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন এবং বর্তমানে কক্সবাজারে বসবাস করছেন। তারা প্রতারণার শিকার হয়ে পাসপোর্ট করতে এসেছিলেন ফরিদপুরে। এব্যাপারে ফরিদপুর কোতয়ালী

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান দৈনিক ফরিদপুর মহানগর বার্তা’র সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। তারা যদি কক্সবাজারের কোনো ক্যাম্পের তালিকাভুক্ত হন, তাহলে তাঁদের সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। আর স্থানীয় দুই দালালের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ৩ জন রোহিঙ্গা সহ ২ জন দালাল চক্র আটক

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

 

 

নিউজ ডেস্কঃ ফরিদপুর মহানগর বার্তা 

 

ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে এসে তিন রোহিঙ্গা  নাগরিকসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। রবিবার ১৩ জুলাই-২৫ তারিখ বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত রোহিঙ্গারা হলেন কক্সবাজার সদর উপজেলার মারিগোলা এলাকার আব্দুস সোবাহান (৭৫), তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪৫) ও জামাতা মোঃ তৈয়ব (৩০)। আটক দালালরা হলেন ফরিদপুর শহরের চাঁনমারি এলাকার সিয়াম আহমেদ (২৭) এবং কমলাপুর বটতলা এলাকার রাশেদ খান (৩০)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুস সোবাহান ও তাঁর   দালালদের সঙ্গে ৩০ হাজার টাকায় চুক্তি হন তিন রোহিঙ্গা তারা দালালদেরকে ১৫ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়ার পর রবিবার ফরিদপুরে এসে বাকি অর্থ পরিশোধ করবে বলে সম্মতি হন। কিন্তু দালালরা কোনো প্রক্রিয়া শুরু না করে বরং ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করে। একপর্যায়ে তৈয়বকে মারধর করা হয় তখন তিনি দৌড়ে নিজের জীবন রক্ষাতে পাসপোর্ট অফিসে ঢুকে আনসার সদস্যদের সহায়তা চান। পরে অফিস কর্তৃপক্ষ পাঁচজনকেই আটকে রেখে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে খবর দেয়।

কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আহাদুজ্জামান জানান, আটককৃত তিনজন রোহিঙ্গা বহু আগে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন এবং বর্তমানে কক্সবাজারে বসবাস করছেন। তারা প্রতারণার শিকার হয়ে পাসপোর্ট করতে এসেছিলেন ফরিদপুরে। এব্যাপারে ফরিদপুর কোতয়ালী

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান দৈনিক ফরিদপুর মহানগর বার্তা’র সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। তারা যদি কক্সবাজারের কোনো ক্যাম্পের তালিকাভুক্ত হন, তাহলে তাঁদের সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। আর স্থানীয় দুই দালালের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।