ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ জন আটক -দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ফরিদপুরের সালথায় হামলার জেরে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ, আহত ২ জাতীয় পরিচয়পত্রে বাধ্যতামূলক মোবাইল নম্বর সংযুক্তির ব্যাপারে আমার কিছু কথা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্তে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আমার আহ্বান নগরকান্দায় বড় ভাইয়ের হাতের কব্জি কাটলেন ছোট ভাই ফরিদপুরে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত ফরিদপুরে বিএসটিআই’র সমন্বিত মোবাইল কোর্টে ৮ মামলায় জরিমানা ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা নগরকান্দায় অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও জনদুর্ভোগ চরমে Youth commits suicide over family feud in Sadarpur ফরিদপুরে মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে কানাইপুর ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা কালিয়াকৈরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যু

ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ৩ জন রোহিঙ্গা সহ ২ জন দালাল চক্র আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

নিউজ ডেস্কঃ ফরিদপুর মহানগর বার্তা 

 

ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে এসে তিন রোহিঙ্গা  নাগরিকসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। রবিবার ১৩ জুলাই-২৫ তারিখ বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত রোহিঙ্গারা হলেন কক্সবাজার সদর উপজেলার মারিগোলা এলাকার আব্দুস সোবাহান (৭৫), তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪৫) ও জামাতা মোঃ তৈয়ব (৩০)। আটক দালালরা হলেন ফরিদপুর শহরের চাঁনমারি এলাকার সিয়াম আহমেদ (২৭) এবং কমলাপুর বটতলা এলাকার রাশেদ খান (৩০)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুস সোবাহান ও তাঁর   দালালদের সঙ্গে ৩০ হাজার টাকায় চুক্তি হন তিন রোহিঙ্গা তারা দালালদেরকে ১৫ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়ার পর রবিবার ফরিদপুরে এসে বাকি অর্থ পরিশোধ করবে বলে সম্মতি হন। কিন্তু দালালরা কোনো প্রক্রিয়া শুরু না করে বরং ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করে। একপর্যায়ে তৈয়বকে মারধর করা হয় তখন তিনি দৌড়ে নিজের জীবন রক্ষাতে পাসপোর্ট অফিসে ঢুকে আনসার সদস্যদের সহায়তা চান। পরে অফিস কর্তৃপক্ষ পাঁচজনকেই আটকে রেখে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে খবর দেয়।

কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আহাদুজ্জামান জানান, আটককৃত তিনজন রোহিঙ্গা বহু আগে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন এবং বর্তমানে কক্সবাজারে বসবাস করছেন। তারা প্রতারণার শিকার হয়ে পাসপোর্ট করতে এসেছিলেন ফরিদপুরে। এব্যাপারে ফরিদপুর কোতয়ালী

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান দৈনিক ফরিদপুর মহানগর বার্তা’র সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। তারা যদি কক্সবাজারের কোনো ক্যাম্পের তালিকাভুক্ত হন, তাহলে তাঁদের সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। আর স্থানীয় দুই দালালের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ৩ জন রোহিঙ্গা সহ ২ জন দালাল চক্র আটক

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

 

 

নিউজ ডেস্কঃ ফরিদপুর মহানগর বার্তা 

 

ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে এসে তিন রোহিঙ্গা  নাগরিকসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। রবিবার ১৩ জুলাই-২৫ তারিখ বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত রোহিঙ্গারা হলেন কক্সবাজার সদর উপজেলার মারিগোলা এলাকার আব্দুস সোবাহান (৭৫), তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪৫) ও জামাতা মোঃ তৈয়ব (৩০)। আটক দালালরা হলেন ফরিদপুর শহরের চাঁনমারি এলাকার সিয়াম আহমেদ (২৭) এবং কমলাপুর বটতলা এলাকার রাশেদ খান (৩০)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুস সোবাহান ও তাঁর   দালালদের সঙ্গে ৩০ হাজার টাকায় চুক্তি হন তিন রোহিঙ্গা তারা দালালদেরকে ১৫ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়ার পর রবিবার ফরিদপুরে এসে বাকি অর্থ পরিশোধ করবে বলে সম্মতি হন। কিন্তু দালালরা কোনো প্রক্রিয়া শুরু না করে বরং ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করে। একপর্যায়ে তৈয়বকে মারধর করা হয় তখন তিনি দৌড়ে নিজের জীবন রক্ষাতে পাসপোর্ট অফিসে ঢুকে আনসার সদস্যদের সহায়তা চান। পরে অফিস কর্তৃপক্ষ পাঁচজনকেই আটকে রেখে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে খবর দেয়।

কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আহাদুজ্জামান জানান, আটককৃত তিনজন রোহিঙ্গা বহু আগে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন এবং বর্তমানে কক্সবাজারে বসবাস করছেন। তারা প্রতারণার শিকার হয়ে পাসপোর্ট করতে এসেছিলেন ফরিদপুরে। এব্যাপারে ফরিদপুর কোতয়ালী

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান দৈনিক ফরিদপুর মহানগর বার্তা’র সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। তারা যদি কক্সবাজারের কোনো ক্যাম্পের তালিকাভুক্ত হন, তাহলে তাঁদের সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। আর স্থানীয় দুই দালালের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।