ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে হাসেম জুট ইন্ডাস্ট্রিজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: কোটি টাকার ক্ষতি জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত, সমতাভিত্তিক উন্নয়নে জোর। ত্যাগ-সংগ্রামের স্বীকৃতি চান সাহিদা বেগম মধুখালীতে অবৈধ মাটি উত্তোলন: জনদুর্ভোগ চরমে, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা। সালথায় গভীর রাতে খড়ের ঘরে অগ্নিসংযোগ, ক্ষয়ক্ষতি রামুতে গরু চুরির অভিযোগ, শালিসে স্বীকার করেও গা-ঢাকা অভিযুক্তরা। ফরিদপুর সদর থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী সাহিদা বেগম দুঃসময়ের ত্যাগী নেত্রী সাহিদা বেগম: সংগ্রাম ও সাহসিকতার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি ফরিদপুরে রেললাইনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু ফরিদপুরে অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের অভিযোগ, জনদুর্ভোগ চরমে।

উলিপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 

 

কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভার রামদাস ধনিরাম খেওয়ারপাড় এলাকায় পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, মারধর এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোছাঃ তাছিনা বেগম (৪২) উলিপুর থানায় এবং সেনা ক্যাম্পে পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ জুলাই সকাল ৮টার দিকে অভিযুক্ত মোঃ সোলায়মান আলী সরকার (৬০), তাঁর ছেলে মোঃ ওবায়দুল্লাহ সরকার রিপন (৩০), মোঃ আব্দুল্লাহ সরকার লিটন (৩৫), মোঃ আলম মিয়া (৪৫) এবং মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২২) দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনীভাবে দলবদ্ধ হয়ে বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় সুপারি গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা কেটে ও উপড়ে ফেলে প্রায় ২৫,৫০০ টাকার ক্ষতি সাধন করে।

 

ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, হামলার সময় তাঁর ছেলে বাড়িতে না থাকায় তিনি, তাঁর স্বামী মোঃ আঃ হাকিম এবং মেয়ে মোছাঃ হাবিবা বেগম বাধা দিলে অভিযুক্তরা লাঠি ও রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে পরিবারের তিন সদস্য আহত হন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ২ নম্বর আসামী রিপন তাঁর স্বামীর গলা চেপে ধরেন এবং ৩ নম্বর আসামী লিটন তাছিনা বেগমের চুল ধরে টানা-হ্যাঁচড়া ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। একইভাবে মেয়েকেও হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।

 

পরবর্তীতে চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করেন। আহতরা উলিপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। অভিযোগে চিকিৎসার রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ঘটনার ভিডিও ফুটেজ থাকার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মমিনুল ইসলাম, মোছাঃ মমতাজ বেগম ও মোছাঃ ফুলমতি বেগম অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জিল্লুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

উলিপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

 

 

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 

 

কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভার রামদাস ধনিরাম খেওয়ারপাড় এলাকায় পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, মারধর এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোছাঃ তাছিনা বেগম (৪২) উলিপুর থানায় এবং সেনা ক্যাম্পে পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ জুলাই সকাল ৮টার দিকে অভিযুক্ত মোঃ সোলায়মান আলী সরকার (৬০), তাঁর ছেলে মোঃ ওবায়দুল্লাহ সরকার রিপন (৩০), মোঃ আব্দুল্লাহ সরকার লিটন (৩৫), মোঃ আলম মিয়া (৪৫) এবং মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২২) দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনীভাবে দলবদ্ধ হয়ে বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় সুপারি গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা কেটে ও উপড়ে ফেলে প্রায় ২৫,৫০০ টাকার ক্ষতি সাধন করে।

 

ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, হামলার সময় তাঁর ছেলে বাড়িতে না থাকায় তিনি, তাঁর স্বামী মোঃ আঃ হাকিম এবং মেয়ে মোছাঃ হাবিবা বেগম বাধা দিলে অভিযুক্তরা লাঠি ও রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে পরিবারের তিন সদস্য আহত হন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ২ নম্বর আসামী রিপন তাঁর স্বামীর গলা চেপে ধরেন এবং ৩ নম্বর আসামী লিটন তাছিনা বেগমের চুল ধরে টানা-হ্যাঁচড়া ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। একইভাবে মেয়েকেও হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।

 

পরবর্তীতে চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করেন। আহতরা উলিপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। অভিযোগে চিকিৎসার রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ঘটনার ভিডিও ফুটেজ থাকার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মমিনুল ইসলাম, মোছাঃ মমতাজ বেগম ও মোছাঃ ফুলমতি বেগম অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জিল্লুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।