ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কানাইপুরে জমি বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ, আহত ৩ হাতবদল হয়েই দাম দ্বিগুণ, বিলুপ্তপ্রায় তাল ফলের বাজার চড়া মাদক ও আধিপত্য নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, পুলিশের পিকআপ ভাঙচুর গোয়ালন্দঘাটে ৮.৫৮ লাখ টাকার মাদকসহ চারজন গ্রেপ্তার ফরিদপুরে ভেজালবিরোধী অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা উচ্ছেদের পরও ফুটপাত দখলে, প্রশ্ন উঠছে পৌর অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে শিবচরে রেলভূমিতে ‘দখল-বাণিজ্য ধামইরহাটে নারী হত্যা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী ও চালক নিহত কণিকার বাড়িতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস

রামুতে গরু চুরির অভিযোগ, শালিসে স্বীকার করেও গা-ঢাকা অভিযুক্তরা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

স্টাফ রিপোর্টার আমিন কক্সবাজার

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ হানিফ (৪৫) স্থানীয় ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন—কচ্ছপিয়া এলাকার মৃত ফররুখ আহাম্মদের ছেলে বক্তার আহমদ (৪৮), তার ছেলে দেলোয়ার হোসাইন (২২), মৃত নজির আহাম্মদের ছেলে হাবিব উল্লাহ ওরফে কালু (৩২), মৃত সুলতান আহাম্মদের ছেলে ছৈয়দ নূর ওরফে গুরা ধন্যা (২৮) এবং আব্দুর রহমানের ছেলে ফকির উদ্দিন (২০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের টেকপাড়া এলাকায় হানিফের বসতবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। সে সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে থাকলে অভিযুক্তরা বাড়ির উঠানে প্রবেশ করে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে যায়।

পরদিন সকালে গরু দুটি খুঁজে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে জানা যায়, গরুগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজিরপাড়া এলাকায় স্থানীয় লোকজন সন্দেহভাজনদের আটক করে।
পরে ১২ এপ্রিল স্থানীয়ভাবে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিযুক্তরা গরু চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। তবে পরবর্তী নির্ধারিত শালিসে তারা আর উপস্থিত হয়নি।

বর্তমানে উদ্ধার হওয়া দুটি গরু স্থানীয় শালিস বিচারকদের হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী হানিফ জানান, তিনি অভিযুক্তদের বিচারে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করলে তারা উল্টো তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি বাধ্য হয়ে ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন।রামুতে গরু চুরির অভিযোগ, শালিসে স্বীকার করেও গা-ঢাকা অভিযুক্তরা

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ হানিফ (৪৫) স্থানীয় ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন—কচ্ছপিয়া এলাকার মৃত ফররুখ আহাম্মদের ছেলে বক্তার আহমদ (৪৮), তার ছেলে দেলোয়ার হোসাইন (২২), মৃত নজির আহাম্মদের ছেলে হাবিব উল্লাহ ওরফে কালু (৩২), মৃত সুলতান আহাম্মদের ছেলে ছৈয়দ নূর ওরফে গুরা ধন্যা (২৮) এবং আব্দুর রহমানের ছেলে ফকির উদ্দিন (২০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের টেকপাড়া এলাকায় হানিফের বসতবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। সে সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে থাকলে অভিযুক্তরা বাড়ির উঠানে প্রবেশ করে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে যায়।

পরদিন সকালে গরু দুটি খুঁজে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে জানা যায়, গরুগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজিরপাড়া এলাকায় স্থানীয় লোকজন সন্দেহভাজনদের আটক করে।
পরে ১২ এপ্রিল স্থানীয়ভাবে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিযুক্তরা গরু চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। তবে পরবর্তী নির্ধারিত শালিসে তারা আর উপস্থিত হয়নি।

বর্তমানে উদ্ধার হওয়া দুটি গরু স্থানীয় শালিস বিচারকদের হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী হানিফ জানান, তিনি অভিযুক্তদের বিচারে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করলে তারা উল্টো তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি বাধ্য হয়ে ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন।সালিশে স্বীকার করেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

সালিশে স্বীকার করেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীতে অভিযোগ করে সত্য হলেও এখনো পর্যন্ত তারা কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রামুতে গরু চুরির অভিযোগ, শালিসে স্বীকার করেও গা-ঢাকা অভিযুক্তরা।

আপডেট সময় : ০৬:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার আমিন কক্সবাজার

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ হানিফ (৪৫) স্থানীয় ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন—কচ্ছপিয়া এলাকার মৃত ফররুখ আহাম্মদের ছেলে বক্তার আহমদ (৪৮), তার ছেলে দেলোয়ার হোসাইন (২২), মৃত নজির আহাম্মদের ছেলে হাবিব উল্লাহ ওরফে কালু (৩২), মৃত সুলতান আহাম্মদের ছেলে ছৈয়দ নূর ওরফে গুরা ধন্যা (২৮) এবং আব্দুর রহমানের ছেলে ফকির উদ্দিন (২০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের টেকপাড়া এলাকায় হানিফের বসতবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। সে সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে থাকলে অভিযুক্তরা বাড়ির উঠানে প্রবেশ করে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে যায়।

পরদিন সকালে গরু দুটি খুঁজে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে জানা যায়, গরুগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজিরপাড়া এলাকায় স্থানীয় লোকজন সন্দেহভাজনদের আটক করে।
পরে ১২ এপ্রিল স্থানীয়ভাবে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিযুক্তরা গরু চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। তবে পরবর্তী নির্ধারিত শালিসে তারা আর উপস্থিত হয়নি।

বর্তমানে উদ্ধার হওয়া দুটি গরু স্থানীয় শালিস বিচারকদের হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী হানিফ জানান, তিনি অভিযুক্তদের বিচারে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করলে তারা উল্টো তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি বাধ্য হয়ে ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন।রামুতে গরু চুরির অভিযোগ, শালিসে স্বীকার করেও গা-ঢাকা অভিযুক্তরা

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ হানিফ (৪৫) স্থানীয় ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন—কচ্ছপিয়া এলাকার মৃত ফররুখ আহাম্মদের ছেলে বক্তার আহমদ (৪৮), তার ছেলে দেলোয়ার হোসাইন (২২), মৃত নজির আহাম্মদের ছেলে হাবিব উল্লাহ ওরফে কালু (৩২), মৃত সুলতান আহাম্মদের ছেলে ছৈয়দ নূর ওরফে গুরা ধন্যা (২৮) এবং আব্দুর রহমানের ছেলে ফকির উদ্দিন (২০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের টেকপাড়া এলাকায় হানিফের বসতবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। সে সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে থাকলে অভিযুক্তরা বাড়ির উঠানে প্রবেশ করে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে যায়।

পরদিন সকালে গরু দুটি খুঁজে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে জানা যায়, গরুগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজিরপাড়া এলাকায় স্থানীয় লোকজন সন্দেহভাজনদের আটক করে।
পরে ১২ এপ্রিল স্থানীয়ভাবে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিযুক্তরা গরু চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। তবে পরবর্তী নির্ধারিত শালিসে তারা আর উপস্থিত হয়নি।

বর্তমানে উদ্ধার হওয়া দুটি গরু স্থানীয় শালিস বিচারকদের হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী হানিফ জানান, তিনি অভিযুক্তদের বিচারে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করলে তারা উল্টো তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি বাধ্য হয়ে ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন।সালিশে স্বীকার করেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

সালিশে স্বীকার করেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীতে অভিযোগ করে সত্য হলেও এখনো পর্যন্ত তারা কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।