ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে হাসেম জুট ইন্ডাস্ট্রিজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: কোটি টাকার ক্ষতি জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত, সমতাভিত্তিক উন্নয়নে জোর। ত্যাগ-সংগ্রামের স্বীকৃতি চান সাহিদা বেগম মধুখালীতে অবৈধ মাটি উত্তোলন: জনদুর্ভোগ চরমে, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা। সালথায় গভীর রাতে খড়ের ঘরে অগ্নিসংযোগ, ক্ষয়ক্ষতি রামুতে গরু চুরির অভিযোগ, শালিসে স্বীকার করেও গা-ঢাকা অভিযুক্তরা। ফরিদপুর সদর থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী সাহিদা বেগম দুঃসময়ের ত্যাগী নেত্রী সাহিদা বেগম: সংগ্রাম ও সাহসিকতার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি ফরিদপুরে রেললাইনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু ফরিদপুরে অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের অভিযোগ, জনদুর্ভোগ চরমে।

খুলনায় অসহায় মানুষের মুখে স্বস্তির হাসি, কিন্তু এর মধ্যেও কিছু ওয়ার্ডে কার্ড প্রাপ্তিতে নানা অনিয়ম।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পন্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা, যাতে করে সাধারণ মানুষ ন্যা্য্য মুল্য এই পন্য কিনতে পারে। বিশেষ করে সংকটকালে খোলা বাজারে যখন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়, ঠিক সেই মুহুর্তে  বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন (টিসিবি) গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আসছে। টিসিবি প্রদত্ত এই ন্যা্য্য মুল্যে পন্যে কিনতে পেয়ে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষ গুলো উপকৃত হলেও টিসিবির উপকারভোগীদের ম্যানুয়ালী সিস্টেম থেকে ডিজিটাল সিস্টেমে ( অনলাইন)  ভিত্তিক কার্যক্রমে আওতায় অন্তভুক্তি প্রকৃত অসহায়দের ছাড়াও বিগত সময়ে কার্ড বিতরনে বিভিন্ন অনিয়ম ( এক পরিবারে একাধিক কার্ড সহ বিবিধ)  দুরিকরনে সংশ্লিষ্টরা সারা বাংলাদেশে ৪৩ লক্ষ কার্ড বাতিল করেন। বাতিল কার্ডের বিপরীতে নতুন করে উপকারভোগীদের নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু করেন, যার প্রক্রিয়া চলমান। তা ছাড়া যাচাই বাছাই  শেষে ডিজিটাল (অনলাইন) সিস্টেমের মাধ্যমে অর্থ্যাৎ, একজন স্মার্ট কার্ডধারীর বার কোর্ডের মাধ্যমে তার মোবাইল নম্বর সহ যাবতীয় তথ্য যাচাই  বাছাই পুর্বক পন্যে হস্তান্তর করা প্রক্রিয়া চলমান থাকার দরুন ফ্যামিলি স্মার্ট কার্ড প্রদানে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় খুলনার সাধারণ,নিন্ম আয়ের খেটে মানুষের মাঝে হাহাকার আরো বেড়ে যায়। অবশেষে বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন ( টিসিবি) কতৃক খুলনার ৩১ টি ওয়ার্ডে প্রথম ধাপে ২১৩৮৪ টি স্মার্ট কার্ড প্রদানের দরুন স্বস্তির হাসি ফুটেছে হাহাকার করা অসহায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে। দীর্ঘ দিন পরে স্মার্ট কার্ড হাতে পেয়ে এসব মানুষ গুলো বেজায় খুশি। আবার অনেক অসহায় গরীব পরিবার হতাশ। তাদের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগ।  তালিকায় নাম আসলেও কার্ড বিতরনে ওয়ার্ড অফিসের কতিপয় নামধারী কর্মকর্তাদের নিয়মের ব্যাড়াজালে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেক অসহায় গরীব, প্রতিবন্ধী, বিধবা পরিবার গুলো। তাদের অভিযোগ  বিগত আমলের ন্যায় মুখ চিনে ভোটের আশায় এক পরিবারকে একাধিক কার্ড প্রদান,একারনে অনেকে বঞ্চিত হয়েছেন। নগরীর ১২ নং ওয়ার্ডে  মনিরুল ইসলাম বাদল নামে এক অসহায় অচল প্রতিবন্ধী তিনি জানান, আমি একজন অচল মানুষ।আমাকে দেখে আগের কাউন্সিলর একটি কার্ড দিয়েছিল কিন্তু এবার আমার কাগজপত্র জমা নিলেও আমি কার্ড পায়নি, একই ওয়ার্ডে  আরেক প্রতিবন্ধী এতিম অবিবাহিত মিতা আক্তারের তালিকায় নাম আসলেও তাকেও বলা হয়েছে তার স্বামীর ভোটার আইডি কার্ড লাগবে। তার দাবি আমি অবিবাহিত এতিম প্রতিবন্ধী তাহলে আমি স্বামী কোথায় পাবো । এধরনের নানাবিধ  অভিযোগ দেখিয়ে  নগরীর ১২ নং ওয়ার্ড অফিসে চলছে টিসিবির স্মার্ট কার্ড বিতরন । এদিকে  ১২ নং ওয়ার্ড অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের  সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যাতে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষ গুলো এই  সুবিধা পায় । কিছু অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, দেখবেন ও পাশাপাশি টিসিবির কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে বলেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, বিগত সময়ে খুলনা মহানগরীর ৩১ টি ওয়ার্ডে মোট টিসিবির কার্ডের সংখ্যা ছিল ৮৫ হাজার ৩ শত ৬১ টি। উপকারভোগীদের ম্যানুয়াল সিস্টেম থেকে ডিজিটাল সিস্টেমে আনার প্রক্রিয়া। এছাড়া একই পরিবারে একাধিক কার্ড সহ বিভিন্ন বিষয়ে যাচাই বাছাই শেষে ৪১ হাজার ৫০ টি কার্ড বাতিল করেন সংশ্লিষ্টরা। ঔই বাতিল কার্ডের বিপরীতে মহানগরীর ৩১ টি ওয়ার্ডে প্রথম ধাপে নতুন করে উপকারভেগীদের মাঝে ২১৩৮৪ টি ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। বাকি কার্ডও প্রাপ্তি ভিত্তিতে দ্রুততম সময়ে প্রদান করা হবে বলে জানাগেছে। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন ( টিসিবি) কতৃক খুলনা মহানগরীর ৩১ টি ওয়ার্ডে প্রথম ধাপে নতুন প্রদানকৃত কার্ড যথাক্রমে – ১ নং ওয়ার্ডে ৭৩৭ টি, ২ নং ওয়ার্ডে ৫২৩ টি, ৩ নং ওয়ার্ডে ১৭৪০ টি, ৪ নং ওয়ার্ডে ৫১৭ টি, ৫ নং ওয়ার্ডে ৮৪৪ টি, ৬ নং ওয়ার্ডে ৪২৯ টি, ৭ নং ওয়ার্ডে ২৯০ টি, ৮ নং ওয়ার্ডে ১৩২৪ টি, ৯ নং ওয়ার্ড ৬৪৮ টি, ১০ নং ওয়ার্ডে ৮৩৫ টি, ১১ নং ওয়ার্ডে ৪৮৬ টি, ১২ নং ওয়ার্ডে ৯৭৭ টি, ১৩ নং ওয়ার্ডে ১০১৫ টি, ১৪ নং ওয়ার্ডে ৫৬৫ টি, ১৫ নং ওয়ার্ডে ২৭৭ টি, ১৭ নং ওয়ার্ডে ৯১০ টি, ১৮ নং ওয়ার্ডে ৭১১ টি, ১৯ নং ওয়ার্ডে ৪৭৯ টি, ২০ নং ওয়ার্ডে ৫৩৬ টি, ২১ নং ওয়ার্ডে ৩৮২ টি, ২২ নং ওয়ার্ডে ১১১০ টি, ২৩ নং ওয়ার্ডে ৮৩৬ টি,  ২৪ নং ওয়ার্ডে ৪৮১ টি, ২৫ নং ওয়ার্ডে ৪৬৬ টি, ২৬ নং ওয়ার্ডে ১৩৭৭ টি, ২৭ নং ওয়ার্ডে ৩৯৯ টি, ২৮ নং ওয়ার্ডে ৩৪৩ টি, ২৯ নং ওয়ার্ডে ৬০৬ টি, ৩০ নং ওয়ার্ডে ৮৯৯ টি ও ৩১ নং ওয়ার্ডে ৬৯২ টি। আজ ৩১ জুলাই স্মার্ট ফ্যামিলি বিতরনকালে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে তাদের মনের প্রতিক্রিয়া জানা্যায়, এ ব্যাপারে শাহাজাহান জানান,প্রতি সপ্তাহে ওয়ার্ড অফিসে গিয়ে খোজ নেই, আমার কার্ড এসেছে কিনা। অবশেষে আমার কার্ড পেয়েছি। এতে আমি খুশি। এদিকে বিভিন্ন ওয়ার্ড অফিস  ঘুরে জানাগেছে, তাদের অভিযোগ  সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে অনেক ওয়ার্ড অফিস থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে সঠিক তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খুলনায় অসহায় মানুষের মুখে স্বস্তির হাসি, কিন্তু এর মধ্যেও কিছু ওয়ার্ডে কার্ড প্রাপ্তিতে নানা অনিয়ম।

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পন্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা, যাতে করে সাধারণ মানুষ ন্যা্য্য মুল্য এই পন্য কিনতে পারে। বিশেষ করে সংকটকালে খোলা বাজারে যখন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়, ঠিক সেই মুহুর্তে  বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন (টিসিবি) গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আসছে। টিসিবি প্রদত্ত এই ন্যা্য্য মুল্যে পন্যে কিনতে পেয়ে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষ গুলো উপকৃত হলেও টিসিবির উপকারভোগীদের ম্যানুয়ালী সিস্টেম থেকে ডিজিটাল সিস্টেমে ( অনলাইন)  ভিত্তিক কার্যক্রমে আওতায় অন্তভুক্তি প্রকৃত অসহায়দের ছাড়াও বিগত সময়ে কার্ড বিতরনে বিভিন্ন অনিয়ম ( এক পরিবারে একাধিক কার্ড সহ বিবিধ)  দুরিকরনে সংশ্লিষ্টরা সারা বাংলাদেশে ৪৩ লক্ষ কার্ড বাতিল করেন। বাতিল কার্ডের বিপরীতে নতুন করে উপকারভোগীদের নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু করেন, যার প্রক্রিয়া চলমান। তা ছাড়া যাচাই বাছাই  শেষে ডিজিটাল (অনলাইন) সিস্টেমের মাধ্যমে অর্থ্যাৎ, একজন স্মার্ট কার্ডধারীর বার কোর্ডের মাধ্যমে তার মোবাইল নম্বর সহ যাবতীয় তথ্য যাচাই  বাছাই পুর্বক পন্যে হস্তান্তর করা প্রক্রিয়া চলমান থাকার দরুন ফ্যামিলি স্মার্ট কার্ড প্রদানে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় খুলনার সাধারণ,নিন্ম আয়ের খেটে মানুষের মাঝে হাহাকার আরো বেড়ে যায়। অবশেষে বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন ( টিসিবি) কতৃক খুলনার ৩১ টি ওয়ার্ডে প্রথম ধাপে ২১৩৮৪ টি স্মার্ট কার্ড প্রদানের দরুন স্বস্তির হাসি ফুটেছে হাহাকার করা অসহায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে। দীর্ঘ দিন পরে স্মার্ট কার্ড হাতে পেয়ে এসব মানুষ গুলো বেজায় খুশি। আবার অনেক অসহায় গরীব পরিবার হতাশ। তাদের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগ।  তালিকায় নাম আসলেও কার্ড বিতরনে ওয়ার্ড অফিসের কতিপয় নামধারী কর্মকর্তাদের নিয়মের ব্যাড়াজালে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেক অসহায় গরীব, প্রতিবন্ধী, বিধবা পরিবার গুলো। তাদের অভিযোগ  বিগত আমলের ন্যায় মুখ চিনে ভোটের আশায় এক পরিবারকে একাধিক কার্ড প্রদান,একারনে অনেকে বঞ্চিত হয়েছেন। নগরীর ১২ নং ওয়ার্ডে  মনিরুল ইসলাম বাদল নামে এক অসহায় অচল প্রতিবন্ধী তিনি জানান, আমি একজন অচল মানুষ।আমাকে দেখে আগের কাউন্সিলর একটি কার্ড দিয়েছিল কিন্তু এবার আমার কাগজপত্র জমা নিলেও আমি কার্ড পায়নি, একই ওয়ার্ডে  আরেক প্রতিবন্ধী এতিম অবিবাহিত মিতা আক্তারের তালিকায় নাম আসলেও তাকেও বলা হয়েছে তার স্বামীর ভোটার আইডি কার্ড লাগবে। তার দাবি আমি অবিবাহিত এতিম প্রতিবন্ধী তাহলে আমি স্বামী কোথায় পাবো । এধরনের নানাবিধ  অভিযোগ দেখিয়ে  নগরীর ১২ নং ওয়ার্ড অফিসে চলছে টিসিবির স্মার্ট কার্ড বিতরন । এদিকে  ১২ নং ওয়ার্ড অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের  সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যাতে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষ গুলো এই  সুবিধা পায় । কিছু অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, দেখবেন ও পাশাপাশি টিসিবির কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে বলেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, বিগত সময়ে খুলনা মহানগরীর ৩১ টি ওয়ার্ডে মোট টিসিবির কার্ডের সংখ্যা ছিল ৮৫ হাজার ৩ শত ৬১ টি। উপকারভোগীদের ম্যানুয়াল সিস্টেম থেকে ডিজিটাল সিস্টেমে আনার প্রক্রিয়া। এছাড়া একই পরিবারে একাধিক কার্ড সহ বিভিন্ন বিষয়ে যাচাই বাছাই শেষে ৪১ হাজার ৫০ টি কার্ড বাতিল করেন সংশ্লিষ্টরা। ঔই বাতিল কার্ডের বিপরীতে মহানগরীর ৩১ টি ওয়ার্ডে প্রথম ধাপে নতুন করে উপকারভেগীদের মাঝে ২১৩৮৪ টি ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। বাকি কার্ডও প্রাপ্তি ভিত্তিতে দ্রুততম সময়ে প্রদান করা হবে বলে জানাগেছে। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন ( টিসিবি) কতৃক খুলনা মহানগরীর ৩১ টি ওয়ার্ডে প্রথম ধাপে নতুন প্রদানকৃত কার্ড যথাক্রমে – ১ নং ওয়ার্ডে ৭৩৭ টি, ২ নং ওয়ার্ডে ৫২৩ টি, ৩ নং ওয়ার্ডে ১৭৪০ টি, ৪ নং ওয়ার্ডে ৫১৭ টি, ৫ নং ওয়ার্ডে ৮৪৪ টি, ৬ নং ওয়ার্ডে ৪২৯ টি, ৭ নং ওয়ার্ডে ২৯০ টি, ৮ নং ওয়ার্ডে ১৩২৪ টি, ৯ নং ওয়ার্ড ৬৪৮ টি, ১০ নং ওয়ার্ডে ৮৩৫ টি, ১১ নং ওয়ার্ডে ৪৮৬ টি, ১২ নং ওয়ার্ডে ৯৭৭ টি, ১৩ নং ওয়ার্ডে ১০১৫ টি, ১৪ নং ওয়ার্ডে ৫৬৫ টি, ১৫ নং ওয়ার্ডে ২৭৭ টি, ১৭ নং ওয়ার্ডে ৯১০ টি, ১৮ নং ওয়ার্ডে ৭১১ টি, ১৯ নং ওয়ার্ডে ৪৭৯ টি, ২০ নং ওয়ার্ডে ৫৩৬ টি, ২১ নং ওয়ার্ডে ৩৮২ টি, ২২ নং ওয়ার্ডে ১১১০ টি, ২৩ নং ওয়ার্ডে ৮৩৬ টি,  ২৪ নং ওয়ার্ডে ৪৮১ টি, ২৫ নং ওয়ার্ডে ৪৬৬ টি, ২৬ নং ওয়ার্ডে ১৩৭৭ টি, ২৭ নং ওয়ার্ডে ৩৯৯ টি, ২৮ নং ওয়ার্ডে ৩৪৩ টি, ২৯ নং ওয়ার্ডে ৬০৬ টি, ৩০ নং ওয়ার্ডে ৮৯৯ টি ও ৩১ নং ওয়ার্ডে ৬৯২ টি। আজ ৩১ জুলাই স্মার্ট ফ্যামিলি বিতরনকালে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে তাদের মনের প্রতিক্রিয়া জানা্যায়, এ ব্যাপারে শাহাজাহান জানান,প্রতি সপ্তাহে ওয়ার্ড অফিসে গিয়ে খোজ নেই, আমার কার্ড এসেছে কিনা। অবশেষে আমার কার্ড পেয়েছি। এতে আমি খুশি। এদিকে বিভিন্ন ওয়ার্ড অফিস  ঘুরে জানাগেছে, তাদের অভিযোগ  সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে অনেক ওয়ার্ড অফিস থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে সঠিক তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।