ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শোক সংবাদ ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ২৫০ শয্যার, নির্মাণের উদ্যোগ ১৫ তলা আধুনিক ভবনের পত্নীতলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিবচরে যুবলীগ নেতার দাপট, ভয়-ভীতি ও মারধর করে জমি দখলের অভিযোগ সদরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অভিযুক্তের বাড়ির সামনেই ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নেওয়া ও বাড়ি বিক্রির কথা বলে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বালিয়াকান্দিতে দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ফিলিং স্টেশনের ৫ ডিসপেন্সিং ইউনিট সিলগালা ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলর তিন বন্ধু নিহত অনিয়ম ও অবহেলা সহ্য করা হবে না: সদরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৩ সেবিকা বদলি

কেডিএর স্থাপনা নিলামে কোটি টাকার দরপত্র ভাগবাটোয়ারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫ ২২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

খুলনা উন্নয়ন কতৃপক্ষ ( কেডিএ) স্থাপনা নিলামে কোটি টাকার দরপত্র বিএনপি ও সাবেক যুবদল নেতারা ভাগবাটোয়ারা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ ৩ আগষ্ট সিডিউল জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। শনিবার রাতেই অনেক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সিডিউল নিয়ে নেওয়া হয়। যারা সিডিউল জমা দেননি তাদের জন্য কেডিএ ভবনের চারপাশ ছিল পাহারা। দরপত্রের ৪ টি অংশের জন্য ৮৭ টি সিডিউল বিক্রি হয়। নির্ধারিত সময়ে প্রতিটি গ্রুপে ৪ টি থেকে ৭ টি সিডিউল জমা পড়েছে। কেডিএ থেকে জানাগেছে, গত ৭ জুলাই কেডিএর তিনটি সংযোগ সড়ক প্রকল্পের দ্ধিতীয়টি অথ্যাৎ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রোড থেকে রায়ের মহল পর্যন্ত দুপাশের কাঁচা, পাকা স্থাপনা, গাছপালা ও ভবন নির্মানের দরপত্র প্রকাশ করা হয়। ৩১ জুলাই ছিল দরপত্র বিক্রির শেষ তারিখ। ঔইদিন পর্যন্ত ৪ টি অংশের জন্য ৮৭ জন সিডিউল কেনেন। আজ  ৩ আগষ্ট বেলা ১২ টায় দরপত্র জমা নেওয়া হয়। বিকাল ৩ টায় দরপত্র বাক্স খোলা হলে দেখা যায়, ক- অংশে ৪ টি, খ- অংশে – ৪ টি, গ অংশে – ৬ টি এবং ঘ অংশে ৭ টি সিডিউল জমা পড়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, শনিবার রাতে তাদের কয়েকজনকে ডেকে সিডিউল জমা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। কাজ পাওয়া  ব্যক্তি লাভের একটি অংশ শেয়ার করবেন, এমন প্রলোভন ও দেওয়া হয়। রাত ১০ টা পর্যন্ত কেডিএ কাযালয়ের ভেতরে এসব দেন দরবার চলে। অনেকে সিডিউল জমা দেন, অনেকে জমা দেননি। বেলা ১২ পর্যন্ত কেডিএ ভবনে সতর্ক প্রহরা ছিল। দরপত্র প্রক্রিয়ার সাথে সোনাডাঙ্গা থানা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক ইকবাল হোসেন, যুবদলের সাবেক নেতা সুলতান মাহমুদ সুমন ও আবদুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা মিনহাজ্জামান তাজ, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি বর্তমান সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ভুট্রো, জেলা বিএনপি নেতা শেখ আবদুর রশিদ এবং নগরীর শেখপাড়া এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী জড়িত ছিলেন। কেডিএর কর্মচারীদের একটি অংশ তাদের সহযোগীতা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে কেডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ( প্রকল্প) মোর্তজা আল মামুন বলেন, সিডিউল জমা দিতে  বাঁধা বা কেড়ে নেওয়ার বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অফিসের ভেতরে এনিয়ে কোনো ঝামেলাও হয়নি। দরপত্র বাক্স খোলার সময় অনেক ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন। যাচাই – বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কেডিএর স্থাপনা নিলামে কোটি টাকার দরপত্র ভাগবাটোয়ারা

আপডেট সময় : ০২:১৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

খুলনা উন্নয়ন কতৃপক্ষ ( কেডিএ) স্থাপনা নিলামে কোটি টাকার দরপত্র বিএনপি ও সাবেক যুবদল নেতারা ভাগবাটোয়ারা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ ৩ আগষ্ট সিডিউল জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। শনিবার রাতেই অনেক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সিডিউল নিয়ে নেওয়া হয়। যারা সিডিউল জমা দেননি তাদের জন্য কেডিএ ভবনের চারপাশ ছিল পাহারা। দরপত্রের ৪ টি অংশের জন্য ৮৭ টি সিডিউল বিক্রি হয়। নির্ধারিত সময়ে প্রতিটি গ্রুপে ৪ টি থেকে ৭ টি সিডিউল জমা পড়েছে। কেডিএ থেকে জানাগেছে, গত ৭ জুলাই কেডিএর তিনটি সংযোগ সড়ক প্রকল্পের দ্ধিতীয়টি অথ্যাৎ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রোড থেকে রায়ের মহল পর্যন্ত দুপাশের কাঁচা, পাকা স্থাপনা, গাছপালা ও ভবন নির্মানের দরপত্র প্রকাশ করা হয়। ৩১ জুলাই ছিল দরপত্র বিক্রির শেষ তারিখ। ঔইদিন পর্যন্ত ৪ টি অংশের জন্য ৮৭ জন সিডিউল কেনেন। আজ  ৩ আগষ্ট বেলা ১২ টায় দরপত্র জমা নেওয়া হয়। বিকাল ৩ টায় দরপত্র বাক্স খোলা হলে দেখা যায়, ক- অংশে ৪ টি, খ- অংশে – ৪ টি, গ অংশে – ৬ টি এবং ঘ অংশে ৭ টি সিডিউল জমা পড়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, শনিবার রাতে তাদের কয়েকজনকে ডেকে সিডিউল জমা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। কাজ পাওয়া  ব্যক্তি লাভের একটি অংশ শেয়ার করবেন, এমন প্রলোভন ও দেওয়া হয়। রাত ১০ টা পর্যন্ত কেডিএ কাযালয়ের ভেতরে এসব দেন দরবার চলে। অনেকে সিডিউল জমা দেন, অনেকে জমা দেননি। বেলা ১২ পর্যন্ত কেডিএ ভবনে সতর্ক প্রহরা ছিল। দরপত্র প্রক্রিয়ার সাথে সোনাডাঙ্গা থানা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক ইকবাল হোসেন, যুবদলের সাবেক নেতা সুলতান মাহমুদ সুমন ও আবদুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা মিনহাজ্জামান তাজ, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি বর্তমান সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ভুট্রো, জেলা বিএনপি নেতা শেখ আবদুর রশিদ এবং নগরীর শেখপাড়া এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী জড়িত ছিলেন। কেডিএর কর্মচারীদের একটি অংশ তাদের সহযোগীতা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে কেডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ( প্রকল্প) মোর্তজা আল মামুন বলেন, সিডিউল জমা দিতে  বাঁধা বা কেড়ে নেওয়ার বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অফিসের ভেতরে এনিয়ে কোনো ঝামেলাও হয়নি। দরপত্র বাক্স খোলার সময় অনেক ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন। যাচাই – বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।