ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‎মাদারীপুরে একটি পিস্তল ও ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার নওগাঁর পত্নীতলায় দাখিল পরীক্ষায় শূন্য পাস, ১৯ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য ফরিদপুর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন উপদেষ্টা এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল ও নায়াব ইউসুফ, সভাপতি হানিফ মন্ডল, সম্পাদক রেজওয়ান বিশ্বাস তরুন ফরিদপুরের কানাইপুর বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল দুই দোকান ফমেক অধ্যক্ষ পদে যোগ দিলেন ডা. সৈয়দ আসিফ ছাত্রদলের শুভেচ্ছা, বহিরাগতদের মব সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ ২০ বছরের সরকারি চাকরি, যেনো আলাদিনের চাকরি ৪ কোটি টাকার বাড়ি: গণপূর্তের ক্যাশিয়ার জাহাঙ্গীরের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন  কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সকল শিক্ষার্থী  নোটিশের পর আজ বিকেল ৩টায় ফরিদপুরে উচ্ছেদ অভিযান। কিছু মানুষ হারিয়ে যাওয়ার পরই তাদের মূল্য বোঝা যায়

কালিয়াকৈর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীরা কাজে যোগ না দেওয়ায় গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

শাকিল হোসেন গাজীপুর কালিয়াকৈর প্রতিনিধিঃ

 

 

কালিয়াকৈর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীরা কাজে যোগ না দেয়ায় বিভিন্ন ভোগান্তিতে পড়ছে গ্রাহকরা দীর্ঘদিন ধরে

কর্মচারীরা বিভিন্ন দাবি আদায়ের গণছুটির নামে কাজে অনুপস্থিত

পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীরা যে দাবিগুলো তুলেছেন সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের গঠিত দুটি কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ, চুক্তিভিত্তিক মিটার রিডার, লাইন শ্রমিক ও বিলিং সহকারীদের নিয়মিতকরণ, অন্যায়ভাবে বরখাস্ত কর্মকর্তাদের পুনর্বহাল,জরুরি সেবায় নিয়োজিত লাইন-ক্রুদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ,দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

কালিয়াকৈর জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪টি জোনাল অফিসে মোট ২৬৪ কর্মচারীর মধ্যে ২০৬ জনই অনুপস্থিত। এর ফলে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কোনো কাজই ঠিকমতো হচ্ছে না।

 

ফুলবাড়িয়া অফিসের ডিজিএম আব্দুল খালেক জানান, তার অফিসে ৩১ জন কর্মচারী ছুটির আবেদন করেছেন, এখন শুধু একজন ক্যাশিয়ার দায়িত্ব পালন করছেন।

 

মৌচাক অফিসের ডিজিএম রফিকুল আজাদ বলেন, এখন আমার অফিসে মাত্র একজন লাইনম্যান কাজ করছেন। ভাড়া করে লোক এনে জরুরি কাজ চালাতে হচ্ছে।

 

চন্দ্রা অফিসের ডিজিএম জসিম উদ্দিন জানান, কর্মচারীদের কাজে ফেরাতে চেষ্টা চলছে, কিন্তু তারা দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

 

কালিয়াকৈর অফিসের ডিজিএম সাহারুল ইসলাম বলেন, অনুরোধ ও নির্দেশনা দিয়েও কর্মচারীদের কাজে ফেরানো যাচ্ছে না।

 

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর প্রধান কার্যালয় ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে বারবার কাজে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হলেও কর্মচারীরা তা মানছেন না।

 

কালিয়াকৈর থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে কর্মচারীদের ছুটির তালিকা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। তারা এখনও কাজে যোগ দেননি।

অফিসগুলো প্রায় ফাঁকা থাকায় গ্রাহকরা জরুরি সেবা পাচ্ছেন না। কেউ কেউ বাইরে থেকে শ্রমিক এনে সাময়িকভাবে সমস্যার সমাধান করছেন। বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কালিয়াকৈর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীরা কাজে যোগ না দেওয়ায় গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

 

শাকিল হোসেন গাজীপুর কালিয়াকৈর প্রতিনিধিঃ

 

 

কালিয়াকৈর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীরা কাজে যোগ না দেয়ায় বিভিন্ন ভোগান্তিতে পড়ছে গ্রাহকরা দীর্ঘদিন ধরে

কর্মচারীরা বিভিন্ন দাবি আদায়ের গণছুটির নামে কাজে অনুপস্থিত

পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীরা যে দাবিগুলো তুলেছেন সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের গঠিত দুটি কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ, চুক্তিভিত্তিক মিটার রিডার, লাইন শ্রমিক ও বিলিং সহকারীদের নিয়মিতকরণ, অন্যায়ভাবে বরখাস্ত কর্মকর্তাদের পুনর্বহাল,জরুরি সেবায় নিয়োজিত লাইন-ক্রুদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ,দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

কালিয়াকৈর জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪টি জোনাল অফিসে মোট ২৬৪ কর্মচারীর মধ্যে ২০৬ জনই অনুপস্থিত। এর ফলে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কোনো কাজই ঠিকমতো হচ্ছে না।

 

ফুলবাড়িয়া অফিসের ডিজিএম আব্দুল খালেক জানান, তার অফিসে ৩১ জন কর্মচারী ছুটির আবেদন করেছেন, এখন শুধু একজন ক্যাশিয়ার দায়িত্ব পালন করছেন।

 

মৌচাক অফিসের ডিজিএম রফিকুল আজাদ বলেন, এখন আমার অফিসে মাত্র একজন লাইনম্যান কাজ করছেন। ভাড়া করে লোক এনে জরুরি কাজ চালাতে হচ্ছে।

 

চন্দ্রা অফিসের ডিজিএম জসিম উদ্দিন জানান, কর্মচারীদের কাজে ফেরাতে চেষ্টা চলছে, কিন্তু তারা দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

 

কালিয়াকৈর অফিসের ডিজিএম সাহারুল ইসলাম বলেন, অনুরোধ ও নির্দেশনা দিয়েও কর্মচারীদের কাজে ফেরানো যাচ্ছে না।

 

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর প্রধান কার্যালয় ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে বারবার কাজে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হলেও কর্মচারীরা তা মানছেন না।

 

কালিয়াকৈর থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে কর্মচারীদের ছুটির তালিকা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। তারা এখনও কাজে যোগ দেননি।

অফিসগুলো প্রায় ফাঁকা থাকায় গ্রাহকরা জরুরি সেবা পাচ্ছেন না। কেউ কেউ বাইরে থেকে শ্রমিক এনে সাময়িকভাবে সমস্যার সমাধান করছেন। বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।