ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুর-রাজবাড়ী সীমান্তে মাটিচাপা অবস্থায় নারী ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার কালিয়াকৈরে নবজাতকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ সদরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধার আত্বহত্যা ব্র্যাক সিডের উদ্যোগে ফরিদপুরে উত্তম কৃষি চর্চা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ব্র্যাক সিডের উদ্যোগে ফরিদপুরে উত্তম কৃষি চর্চা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মধুখালীতে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণ,অভিযুক্ত রিপন মল্লিক কে আটক করেছে পুলিশ  করবো কাজ, গড়বো দেশ — সবার আগে বাংলাদেশ নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ফরিদপুরে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ জন আটক -দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ফরিদপুরের সালথায় হামলার জেরে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ, আহত ২

ফরিদপুর পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের হাড়কান্দি গ্রামের রাস্তার বেহালদশায়— দুর্ভোগে গ্রামবাসী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ২৭৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

রেজাউল করিম- বিশেষ প্রতিনিধি 

 

ফরিদপুর সদর উপজেলার ১৪ নং ওয়ার্ডের হারকান্দি গ্রামের মডেল মসজিদ সংলগ্ন ফারূক শেখের বাড়ীর পাকা রাস্তার মোড় হতে সাংবাদিক রেজাউল করিম এর বাড়ির রাস্তার শেষ মাথা পর্যন্ত ইটের সড়কটি এখন একেবারে বেহাল অবস্থায়। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত খানাখন্দ, সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কাদা-পানি জমে যায়, ফলে গ্রামের মানুষের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, দোকানদারসহ শতাধিক মানুষ দৈনন্দিন প্রয়োজনে যাতায়াত ব্যবস্থা ব্যহত হচ্ছে।এছাড়াও এই রাস্তা দিয়ে কমলমতি স্কুল শিক্ষার্থীরাও যাতায়াত করে মাঝে মাঝেই তারা ঈটের খানাখন্দে পড়ে দূর্ঘটনার শিকার হয়।তবুও পৌরসভার কারও কোন মাথা ব্যাথা নেই।গত সেপ্টেম্বর মাসের ২  তারিখ ফরিদপুর সদর উপজেলার নিবার্হী অফিসার বরাবর গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে একটি দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে কিছুদিন পর খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ১৭ সেপ্টেম্বর২০২৫ তারিখ ৮৯৪ নং স্মারকে দরখাস্ত খানা ফরিদপুর পৌরসভায় পাঠিয়েছে বলে জানা যায়। কিন্তু বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হলেও নেই কোনো সারা। এব্যাপারে এলাকার জনগণেরা বলেন আমরা পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদে ছিলাম, হাল নাগাদ পৌরসভায় পড়ে এখন অনেক দুর্ভোগে আছি আমরা কোন ধরনের নাগরিক সেবা পাইনা বলে দুঃখ প্রকাশ করেন এ সময় এলাকাবাসীরা বলেন কথায় আছে না ঠেলাঠেলির ঘড় খোদায় রক্ষা কর। রাস্তার এমন বেহাল দশার অবস্থা দেখে একটা জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিলে এলাকাবাসীরা একটুখানি উপকৃত হবেন।

ভ্যান, মোটরসাইকেল বা রিকশা পর্যন্ত এই রাস্তায় সহজে চলতে পারছে না।

গ্রামের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, “বৃষ্টি হলে রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। কাদা-পানিতে হাঁটু পর্যন্ত ডুবে যায়। আমরা অনেকবার জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েছি, কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি।

অন্যদিকে এক শিক্ষার্থী জানায়, “স্কুলে যেতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। কাদা আর পানি পার হতে গিয়ে অনেক সময় পড়ে যাই।”

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তারা উপজেলা প্রশাসন ও  ফরিদপুর পৌরসভায় আবেদন করলেও এখনো কোনো সংস্কারকাজ শুরু হয়নি। তাদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আসন্ন শীতকালেও দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে না এই এলাকার জনগণের।

গ্রামবাসীর প্রত্যাশা—সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে, যাতে করে হারুকান্দি গ্রামের সর্বসাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী একটি রাস্তা সংস্কার ও আংশিক পূর্ণনির্মাণ করে জনগনের দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করে তাদেরকে উপকৃত করূন এটাই দাবি জানান এলাকার জনগণেরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুর পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের হাড়কান্দি গ্রামের রাস্তার বেহালদশায়— দুর্ভোগে গ্রামবাসী

আপডেট সময় : ০৭:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

 

 

রেজাউল করিম- বিশেষ প্রতিনিধি 

 

ফরিদপুর সদর উপজেলার ১৪ নং ওয়ার্ডের হারকান্দি গ্রামের মডেল মসজিদ সংলগ্ন ফারূক শেখের বাড়ীর পাকা রাস্তার মোড় হতে সাংবাদিক রেজাউল করিম এর বাড়ির রাস্তার শেষ মাথা পর্যন্ত ইটের সড়কটি এখন একেবারে বেহাল অবস্থায়। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত খানাখন্দ, সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কাদা-পানি জমে যায়, ফলে গ্রামের মানুষের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, দোকানদারসহ শতাধিক মানুষ দৈনন্দিন প্রয়োজনে যাতায়াত ব্যবস্থা ব্যহত হচ্ছে।এছাড়াও এই রাস্তা দিয়ে কমলমতি স্কুল শিক্ষার্থীরাও যাতায়াত করে মাঝে মাঝেই তারা ঈটের খানাখন্দে পড়ে দূর্ঘটনার শিকার হয়।তবুও পৌরসভার কারও কোন মাথা ব্যাথা নেই।গত সেপ্টেম্বর মাসের ২  তারিখ ফরিদপুর সদর উপজেলার নিবার্হী অফিসার বরাবর গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে একটি দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে কিছুদিন পর খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ১৭ সেপ্টেম্বর২০২৫ তারিখ ৮৯৪ নং স্মারকে দরখাস্ত খানা ফরিদপুর পৌরসভায় পাঠিয়েছে বলে জানা যায়। কিন্তু বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হলেও নেই কোনো সারা। এব্যাপারে এলাকার জনগণেরা বলেন আমরা পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদে ছিলাম, হাল নাগাদ পৌরসভায় পড়ে এখন অনেক দুর্ভোগে আছি আমরা কোন ধরনের নাগরিক সেবা পাইনা বলে দুঃখ প্রকাশ করেন এ সময় এলাকাবাসীরা বলেন কথায় আছে না ঠেলাঠেলির ঘড় খোদায় রক্ষা কর। রাস্তার এমন বেহাল দশার অবস্থা দেখে একটা জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিলে এলাকাবাসীরা একটুখানি উপকৃত হবেন।

ভ্যান, মোটরসাইকেল বা রিকশা পর্যন্ত এই রাস্তায় সহজে চলতে পারছে না।

গ্রামের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, “বৃষ্টি হলে রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। কাদা-পানিতে হাঁটু পর্যন্ত ডুবে যায়। আমরা অনেকবার জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েছি, কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি।

অন্যদিকে এক শিক্ষার্থী জানায়, “স্কুলে যেতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। কাদা আর পানি পার হতে গিয়ে অনেক সময় পড়ে যাই।”

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তারা উপজেলা প্রশাসন ও  ফরিদপুর পৌরসভায় আবেদন করলেও এখনো কোনো সংস্কারকাজ শুরু হয়নি। তাদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আসন্ন শীতকালেও দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে না এই এলাকার জনগণের।

গ্রামবাসীর প্রত্যাশা—সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে, যাতে করে হারুকান্দি গ্রামের সর্বসাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী একটি রাস্তা সংস্কার ও আংশিক পূর্ণনির্মাণ করে জনগনের দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করে তাদেরকে উপকৃত করূন এটাই দাবি জানান এলাকার জনগণেরা।