ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রক্তদান কর্মসূচি বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে ‘সোহানা আন্তর্জাতিক ব্যবসা পুরস্কার-২০২৬’ অর্জন করলেন- ফরিদপুররের লতা জেলা পরিষদ প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশকে ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের জন্মদিনের শুভেচ্ছা পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের শুভেচ্ছা বার্তা পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন ফরিদপুর মটর ওয়ার্কার্স (১০৫৫) শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ফরিদপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন নায়াব ইউসুফ ফরিদপুরবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন জসিম হাওলাদার কৈজুরীবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা সুমন শেখ নজরুল সংগীতে মুগ্ধতা ছড়ালেন ফরিদপুরের ‘লাইলি খালা’ বটিয়াঘাটায় প্রতারক নারী জৌলুস ইসহাক নাজমা দম্পতি গ্রেফতার

কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫ ১০৪ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট :

ফরিদপুর সদর উপজেলার পূর্ব গোয়ালচামট খোদা বক্স রোড মসজিদ সংলগ্ন ৮ নং ওয়ার্ডে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উক্ত এলাকার ১০৩ নং মৌজার বিএস খতিয়ান নং ১৭১৩ ও দাগ নং ৪২৯১ নম্বর জমির মোট পরিমাণ ১০ শতাংশ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ জমির মালিক মোঃ মাসুদ মিয়া এবং অপর ৫ শতাংশের মালিক মোঃ রেজওয়ানুল হক গং। দীর্ঘদিন ধরে উক্ত জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সর্বশেষ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি মীমাংসাও হয়।

সালিশি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম পক্ষ মোঃ মাসুদ মিয়াকে তার ঘর সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা না করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। পরে গত ২২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোঃ রেজওয়ানুল হক গং সালিশি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ঘর সরানোর কাজ শুরু করেন।

এ সময় প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন- লুঙ্গি ও গেঞ্জি পরিহিত এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলে এসে ভিডিও করতে শুরু করেন। উপস্থিত লোকজন তাকে নিষেধ করলেও তিনি ভিডিও করা বন্ধ করেননি। পরে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তিনি উপস্থিতদের বলেন, “আমাকে ২ লক্ষ টাকা দিতে হবে, না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল করে নিউজ করে দেব।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উক্ত ব্যক্তি, যিনি কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমান নামে পরিচিত, মোঃ রেজওয়ানুল হককে কিল-ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেন এবং হুমকি দেন— “তোদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেলে পাঠাব।”

ঘটনার পর রেজওয়ানুল হক বলেন, “আমরা আমাদের মামা-ভাগ্নের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে যে বিরোধ ছিল, সেটি নিয়ে আগেও কোতোয়ালি থানায় (তারিখ ২৭-০১-২০২৫) লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এখন এই কথিত সাংবাদিক আমাদের হয়রানি ও চাঁদা দাবি করছে।” এসময় রেজওয়ান হক বলেন এই কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে ২২ অক্টোবর কোতয়ালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি যা বর্তমানে তদন্তধীন রয়েছে।

এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আনিসুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কথিত সাংবাদিকতার আড়ালে চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছেন। তারা বলেন, “তিনি সাংবাদিকতার আড়ালে ব্যাপক সম্পদ গড়ে তুলেছেন, এখন তিনতলা বিশিষ্ট একটি আলিশান ভবন নির্মাণ করে বসবাস করেন, যার চারপাশে উঁচু প্রাচীর ঘেরা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— সাংবাদিকতা করে এত অর্থের উৎস কোথায়?”এছারাও এলাকাবাসীরা বলেন এই কথিত সাংবাদিক এলাকায় মাঝে মাঝে বলে বেড়ান আমি বাংলাদেশের নামিদামি একাধিক পত্রিকায় ও বিভিন্ন সংগঠন কাজ করি।

স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে এই কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট :

ফরিদপুর সদর উপজেলার পূর্ব গোয়ালচামট খোদা বক্স রোড মসজিদ সংলগ্ন ৮ নং ওয়ার্ডে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উক্ত এলাকার ১০৩ নং মৌজার বিএস খতিয়ান নং ১৭১৩ ও দাগ নং ৪২৯১ নম্বর জমির মোট পরিমাণ ১০ শতাংশ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ জমির মালিক মোঃ মাসুদ মিয়া এবং অপর ৫ শতাংশের মালিক মোঃ রেজওয়ানুল হক গং। দীর্ঘদিন ধরে উক্ত জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সর্বশেষ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি মীমাংসাও হয়।

সালিশি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম পক্ষ মোঃ মাসুদ মিয়াকে তার ঘর সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা না করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। পরে গত ২২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোঃ রেজওয়ানুল হক গং সালিশি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ঘর সরানোর কাজ শুরু করেন।

এ সময় প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন- লুঙ্গি ও গেঞ্জি পরিহিত এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলে এসে ভিডিও করতে শুরু করেন। উপস্থিত লোকজন তাকে নিষেধ করলেও তিনি ভিডিও করা বন্ধ করেননি। পরে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তিনি উপস্থিতদের বলেন, “আমাকে ২ লক্ষ টাকা দিতে হবে, না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল করে নিউজ করে দেব।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উক্ত ব্যক্তি, যিনি কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমান নামে পরিচিত, মোঃ রেজওয়ানুল হককে কিল-ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেন এবং হুমকি দেন— “তোদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেলে পাঠাব।”

ঘটনার পর রেজওয়ানুল হক বলেন, “আমরা আমাদের মামা-ভাগ্নের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে যে বিরোধ ছিল, সেটি নিয়ে আগেও কোতোয়ালি থানায় (তারিখ ২৭-০১-২০২৫) লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এখন এই কথিত সাংবাদিক আমাদের হয়রানি ও চাঁদা দাবি করছে।” এসময় রেজওয়ান হক বলেন এই কথিত সাংবাদিক আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে ২২ অক্টোবর কোতয়ালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি যা বর্তমানে তদন্তধীন রয়েছে।

এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আনিসুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কথিত সাংবাদিকতার আড়ালে চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছেন। তারা বলেন, “তিনি সাংবাদিকতার আড়ালে ব্যাপক সম্পদ গড়ে তুলেছেন, এখন তিনতলা বিশিষ্ট একটি আলিশান ভবন নির্মাণ করে বসবাস করেন, যার চারপাশে উঁচু প্রাচীর ঘেরা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— সাংবাদিকতা করে এত অর্থের উৎস কোথায়?”এছারাও এলাকাবাসীরা বলেন এই কথিত সাংবাদিক এলাকায় মাঝে মাঝে বলে বেড়ান আমি বাংলাদেশের নামিদামি একাধিক পত্রিকায় ও বিভিন্ন সংগঠন কাজ করি।

স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে এই কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।