ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী-শ্বশুর পরিবার ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ফরিদপুরে অসহায়দের মাঝে ঈদ বস্ত্র ও ভিজিএফ চাল বিতরণ করেন- চৌধুরী নায়াব ইউসুফ প্রতিহিংসা নয়, নতুনত্বের রাজনীতি দেখতে চাই: মাদারীপুরে এমপি হানজালা নগরকান্দায় নববধুর গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান, ২০ জনকে কারাদণ্ড ফরিদপুরে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, সমাধিতে শ্রদ্ধা ও দোয়া ধামইরহাট সীমান্তে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও মোটরসাইকেল আটক শিবচরে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রাণী সম্পদ বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে স্বল্প আয়ের মানুষের মাঝে ৬৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রি ধামইরহাট সীমান্তে ১৭৮ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট আটক বোয়ালমারীতে সড়কে মসুরি ও ধনে মাড়াই, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি—প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান, ২০ জনকে কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ৭৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রেজাউল করিম, ফরিদপুরঃ

ফরিদপুর শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যৌথ বাহিনীর পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
শনিবার (ভোর) সকাল ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার আওতাধীন ২ নম্বর কুঠিবাড়ি রেলওয়ে বস্তি এলাকা এবং শহরের কয়েকটি আবাসিক হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। পুরো অভিযানের নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর মেজর রোকনুজ্জামান।
অভিযান চলাকালে শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে তল্লাশি চালিয়ে শিমু, অঞ্জনা, তামান্না, মথুরা রানী মন্ডল, রুনা বেগম, শারমিন আক্তার, খাদিজা আক্তার, জেসমিন আক্তার ও রত্না বেগমসহ বেশ কয়েকজন নারীকে আটক করা হয়। পরে তাদের ফরিদপুর সার্কিট হাউসে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল সুলতানা প্রত্যেককে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং তাদের ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে অভিযানের সময় লিটন হোসেন, শাকিল আলম ও শরিফ আবিদ হোসেন দিনারসহ আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং তাদেরকেও ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শহরে অবৈধ ও অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান, ২০ জনকে কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

 

রেজাউল করিম, ফরিদপুরঃ

ফরিদপুর শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যৌথ বাহিনীর পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
শনিবার (ভোর) সকাল ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার আওতাধীন ২ নম্বর কুঠিবাড়ি রেলওয়ে বস্তি এলাকা এবং শহরের কয়েকটি আবাসিক হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। পুরো অভিযানের নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর মেজর রোকনুজ্জামান।
অভিযান চলাকালে শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে তল্লাশি চালিয়ে শিমু, অঞ্জনা, তামান্না, মথুরা রানী মন্ডল, রুনা বেগম, শারমিন আক্তার, খাদিজা আক্তার, জেসমিন আক্তার ও রত্না বেগমসহ বেশ কয়েকজন নারীকে আটক করা হয়। পরে তাদের ফরিদপুর সার্কিট হাউসে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল সুলতানা প্রত্যেককে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং তাদের ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে অভিযানের সময় লিটন হোসেন, শাকিল আলম ও শরিফ আবিদ হোসেন দিনারসহ আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং তাদেরকেও ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শহরে অবৈধ ও অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।