ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে ‘সোহানা আন্তর্জাতিক ব্যবসা পুরস্কার-২০২৬’ অর্জন করলেন- ফরিদপুররের লতা জেলা পরিষদ প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশকে ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের জন্মদিনের শুভেচ্ছা পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের শুভেচ্ছা বার্তা পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন ফরিদপুর মটর ওয়ার্কার্স (১০৫৫) শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ফরিদপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন নায়াব ইউসুফ ফরিদপুরবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন জসিম হাওলাদার কৈজুরীবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা সুমন শেখ নজরুল সংগীতে মুগ্ধতা ছড়ালেন ফরিদপুরের ‘লাইলি খালা’ বটিয়াঘাটায় প্রতারক নারী জৌলুস ইসহাক নাজমা দম্পতি গ্রেফতার ৮ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন শ্রমিক নেতা মারুফ মোল্লা

ত্যাগ-সংগ্রামের স্বীকৃতি চান সাহিদা বেগম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ৩২৩ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রেজাউল করিম-ফরিদপূর

রাজনীতির কঠিন বাস্তবতা, দুঃসময়, নির্যাতন আর অগণিত বাধা পেরিয়ে যিনি আজও অবিচল দাঁড়িয়ে আছেন আদর্শের জায়গায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর মহানগর বার্তা:
১৭ এপ্রিল বিকাল তিনটা থেকে বিরতিহীনভাবে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেন তারেক রহমান, সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রুহুল কবির রিজভী, সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান সহ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাৎকারের পূর্বে রুহুল কবির রিজভী জানান, দেশের পাঁচটি বিভাগ থেকে প্রায় ৪০০ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন দেওয়া হবে। মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই শত শত প্রত্যাশীর ভিড়ে আলাদা হয়ে ওঠে ফরিদপুর সদর থেকে আগত সাহিদা বেগমের বক্তব্য। তার কণ্ঠে ফুটে ওঠে দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নির্যাতন ও সংগ্রামের বেদনাময় ইতিহাস।
সাক্ষাৎকার শেষে তিনি বলেন, “আমি তিনবার নির্বাচন করেছি। আমার বসতবাড়িতে হামলা হয়েছে, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার স্বামীকে ভয়ভীতি দেখানো হয়, যার ফলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। তবুও আমি থামিনি।”
জানা যায়, ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দলীয় কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সাহিদা বেগমের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ত্যাগ ও দলের প্রতি অবিচল আনুগত্য তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত করার দাবিদার করে তোলে।
এ বিষয়ে সাহিদা বেগম বলেন, “দল আমার ত্যাগ ও সংগ্রামের মূল্যায়ন করবে—এই বিশ্বাস নিয়েই আমি এগিয়ে যাচ্ছি।”
দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি, আর সেই সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ত্যাগ-সংগ্রামের স্বীকৃতি চান সাহিদা বেগম

আপডেট সময় : ০৫:৩২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

 

রেজাউল করিম-ফরিদপূর

রাজনীতির কঠিন বাস্তবতা, দুঃসময়, নির্যাতন আর অগণিত বাধা পেরিয়ে যিনি আজও অবিচল দাঁড়িয়ে আছেন আদর্শের জায়গায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর মহানগর বার্তা:
১৭ এপ্রিল বিকাল তিনটা থেকে বিরতিহীনভাবে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেন তারেক রহমান, সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রুহুল কবির রিজভী, সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান সহ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাৎকারের পূর্বে রুহুল কবির রিজভী জানান, দেশের পাঁচটি বিভাগ থেকে প্রায় ৪০০ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন দেওয়া হবে। মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই শত শত প্রত্যাশীর ভিড়ে আলাদা হয়ে ওঠে ফরিদপুর সদর থেকে আগত সাহিদা বেগমের বক্তব্য। তার কণ্ঠে ফুটে ওঠে দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নির্যাতন ও সংগ্রামের বেদনাময় ইতিহাস।
সাক্ষাৎকার শেষে তিনি বলেন, “আমি তিনবার নির্বাচন করেছি। আমার বসতবাড়িতে হামলা হয়েছে, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার স্বামীকে ভয়ভীতি দেখানো হয়, যার ফলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। তবুও আমি থামিনি।”
জানা যায়, ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দলীয় কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সাহিদা বেগমের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ত্যাগ ও দলের প্রতি অবিচল আনুগত্য তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত করার দাবিদার করে তোলে।
এ বিষয়ে সাহিদা বেগম বলেন, “দল আমার ত্যাগ ও সংগ্রামের মূল্যায়ন করবে—এই বিশ্বাস নিয়েই আমি এগিয়ে যাচ্ছি।”
দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি, আর সেই সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।