ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে এখন লোডশেডিং অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, বিদ্যুতে ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার : ওজোপাডিকো ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে মা-মেয়ে নিখোঁজ, সন্ধানদাতাকে পুরস্কারের ঘোষণা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজে সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ বোয়ালমারীতে ভাতিজার বিরুদ্ধে জমি ও পুকুর দখলের অভিযোগ, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ টাকা টেকনাফের হ্নীলায় নৌবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, সীমান্ত এলাকায় নতুন আস্তানা গড়ার অভিযোগে আতঙ্ক সালথায় অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটায় মোবাইল কোর্ট অভিযান, ড্রেজার ভাঙচুর  নগরকান্দায় মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে ​শিমুল তালুকদার, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ​স্বল্প সময়ে কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় কালোজিরা আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। বহু ঔষধি গুণসম্পন্ন ও মসলা হিসেবে পরিচিত কালোজিরা একটু আঠালো ও পলিযুক্ত মাটিতে ভালো উৎপাদন হয়। এই কারণে উপজেলার চরাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি আবাদ করা হচ্ছে। ​কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Nigella sativa। মাত্র ৪ মাস সময়ে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি বছর রোপা আমন ধান কাটার পর নভেম্বর মাসে জমিতে চাষ দিয়ে কালোজিরার আবাদ করা হয় এবং মার্চের শেষের দিকে ফসল তোলা শুরু হয়। ​উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা (৪২ শতক) জমিতে কালোজিরা আবাদে চাষ, বীজ বপন, কীটনাশক ও শ্রমিক দিয়ে মোট খরচ হয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় ৭ থেকে ৮ মণ। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি মণ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য রবি ফসল উৎপাদনের চেয়ে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ার কারণে প্রতি মৌসুমেই বাড়ছে কালোজিরার আবাদ। ​উপজেলার চরমানাইর ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মোল্যা বলেন, “কালোজিরা চাষের জন্য আমাদের এই অঞ্চলের মাটি খুবই উপযোগী। তবে দাম এ বছর একটু কম। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।” ​চরবিষ্ণুপুরের কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন, “পচা-দোআঁশ মাটিতে কালোজিরার উৎপাদন একটু বেশি হয়। বর্ষা শেষে নতুন পলিযুক্ত মাটিতে চাষ দিয়ে আবাদ করা হয়। এতে সার ও কীটনাশক খুবই কম লাগে। প্রতি বিঘা থেকে আয় হয় প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা।” ​আটরশি গ্রামের কৃষক সায়াদ সর্দার বলেন, “কালোজিরায় ফল আসার সময় যদি বৃষ্টি হয় অথবা প্রচুর কুয়াশা পড়ে তবে ফলন ভালো হয় না। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত কৃষকদের সাহায্য সহযোগিতা করা।” ​সাড়েসাতরশি বাজারের ব্যবসায়ী সাহেদ আলী বলেন, “কালোজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা জাতীয় ফসল। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলের মাটির উর্বরতার কারণে কম খরচে ভালো ফলন হয়। কৃষি বিভাগের উচিত কৃষকদের আরও উৎসাহিত করা।” ​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় বলেন, “এ বছর সদরপুর উপজেলায় ৪৯৫ হেক্টর জমিতে কালোজিরার আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি।” বীজের ব্যাপারে তিনি জানান, সাধারণত ‘বারি-১’ জাতের কালোজিরার বীজ বিএডিসি থেকে সরবরাহ করা হয়, পাশাপাশি কৃষকরা স্থানীয়ভাবেও বীজ সংরক্ষণ করেন। ছবি সংযুক্তঃ শিমুল তালুকদার সদরপুর উপজেলা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ০১৭১৯১০৩৬১৫ তাং ৭/৫/২০২৬ ইং

ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে মা-মেয়ে নিখোঁজ, সন্ধানদাতাকে পুরস্কারের ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ডেস্ক রিপোর্ট :

ফরিদপুর শহরে মা ও মেয়ের রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। গত ১০ দিন ধরে ফাতেমাতুজ জহুরা ওরফে জুহি নামে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী এবং তার মা এলিজা শারমিনের কোনো খোঁজ মিলছে না। পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের সন্ধান চেয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

নিখোঁজ জুহি ফরিদপুর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা জামাল উদ্দিন ওরফে কানু জানান, গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে মা-মেয়ে একসঙ্গে বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরিবারটি ফরিদপুর শহরের লাক্সারি হাসান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় বসবাস করে।

শনিবার দুপুরে কানু বলেন, সম্ভাব্য আত্মীয়স্বজন ও পরিচিত বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, জুহির মা এলিজা শারমিন মানসিকভাবে অসুস্থ। এর আগেও তিনি একাধিকবার বাসা থেকে চলে গিয়ে পরে ফিরে এসেছিলেন। সে কারণেই প্রথমদিকে থানায় অভিযোগ না করে নিজেদের উদ্যোগে খোঁজাখুঁজি চালানো হয়। তবে দীর্ঘ ১০ দিন অতিবাহিত হলেও কোনো তথ্য না পাওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কেউ মা-মেয়ের সন্ধান পেলে ০১৬১১-৮৩০১৪৩ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সন্ধানদাতাকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন নিখোঁজ শিশুর বাবা।

এদিকে মাহমুদুল হাসান জানান, মা ও মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তাদের উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে ​শিমুল তালুকদার, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ​স্বল্প সময়ে কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় কালোজিরা আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। বহু ঔষধি গুণসম্পন্ন ও মসলা হিসেবে পরিচিত কালোজিরা একটু আঠালো ও পলিযুক্ত মাটিতে ভালো উৎপাদন হয়। এই কারণে উপজেলার চরাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি আবাদ করা হচ্ছে। ​কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Nigella sativa। মাত্র ৪ মাস সময়ে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি বছর রোপা আমন ধান কাটার পর নভেম্বর মাসে জমিতে চাষ দিয়ে কালোজিরার আবাদ করা হয় এবং মার্চের শেষের দিকে ফসল তোলা শুরু হয়। ​উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা (৪২ শতক) জমিতে কালোজিরা আবাদে চাষ, বীজ বপন, কীটনাশক ও শ্রমিক দিয়ে মোট খরচ হয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় ৭ থেকে ৮ মণ। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি মণ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য রবি ফসল উৎপাদনের চেয়ে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ার কারণে প্রতি মৌসুমেই বাড়ছে কালোজিরার আবাদ। ​উপজেলার চরমানাইর ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মোল্যা বলেন, “কালোজিরা চাষের জন্য আমাদের এই অঞ্চলের মাটি খুবই উপযোগী। তবে দাম এ বছর একটু কম। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।” ​চরবিষ্ণুপুরের কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন, “পচা-দোআঁশ মাটিতে কালোজিরার উৎপাদন একটু বেশি হয়। বর্ষা শেষে নতুন পলিযুক্ত মাটিতে চাষ দিয়ে আবাদ করা হয়। এতে সার ও কীটনাশক খুবই কম লাগে। প্রতি বিঘা থেকে আয় হয় প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা।” ​আটরশি গ্রামের কৃষক সায়াদ সর্দার বলেন, “কালোজিরায় ফল আসার সময় যদি বৃষ্টি হয় অথবা প্রচুর কুয়াশা পড়ে তবে ফলন ভালো হয় না। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত কৃষকদের সাহায্য সহযোগিতা করা।” ​সাড়েসাতরশি বাজারের ব্যবসায়ী সাহেদ আলী বলেন, “কালোজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা জাতীয় ফসল। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলের মাটির উর্বরতার কারণে কম খরচে ভালো ফলন হয়। কৃষি বিভাগের উচিত কৃষকদের আরও উৎসাহিত করা।” ​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় বলেন, “এ বছর সদরপুর উপজেলায় ৪৯৫ হেক্টর জমিতে কালোজিরার আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি।” বীজের ব্যাপারে তিনি জানান, সাধারণত ‘বারি-১’ জাতের কালোজিরার বীজ বিএডিসি থেকে সরবরাহ করা হয়, পাশাপাশি কৃষকরা স্থানীয়ভাবেও বীজ সংরক্ষণ করেন। ছবি সংযুক্তঃ শিমুল তালুকদার সদরপুর উপজেলা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ০১৭১৯১০৩৬১৫ তাং ৭/৫/২০২৬ ইং

ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে মা-মেয়ে নিখোঁজ, সন্ধানদাতাকে পুরস্কারের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০২:২৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

ডেস্ক রিপোর্ট :

ফরিদপুর শহরে মা ও মেয়ের রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। গত ১০ দিন ধরে ফাতেমাতুজ জহুরা ওরফে জুহি নামে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী এবং তার মা এলিজা শারমিনের কোনো খোঁজ মিলছে না। পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের সন্ধান চেয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

নিখোঁজ জুহি ফরিদপুর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা জামাল উদ্দিন ওরফে কানু জানান, গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে মা-মেয়ে একসঙ্গে বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরিবারটি ফরিদপুর শহরের লাক্সারি হাসান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় বসবাস করে।

শনিবার দুপুরে কানু বলেন, সম্ভাব্য আত্মীয়স্বজন ও পরিচিত বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, জুহির মা এলিজা শারমিন মানসিকভাবে অসুস্থ। এর আগেও তিনি একাধিকবার বাসা থেকে চলে গিয়ে পরে ফিরে এসেছিলেন। সে কারণেই প্রথমদিকে থানায় অভিযোগ না করে নিজেদের উদ্যোগে খোঁজাখুঁজি চালানো হয়। তবে দীর্ঘ ১০ দিন অতিবাহিত হলেও কোনো তথ্য না পাওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কেউ মা-মেয়ের সন্ধান পেলে ০১৬১১-৮৩০১৪৩ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সন্ধানদাতাকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন নিখোঁজ শিশুর বাবা।

এদিকে মাহমুদুল হাসান জানান, মা ও মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তাদের উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা