ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে এখন লোডশেডিং অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, বিদ্যুতে ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার : ওজোপাডিকো ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে মা-মেয়ে নিখোঁজ, সন্ধানদাতাকে পুরস্কারের ঘোষণা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজে সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ বোয়ালমারীতে ভাতিজার বিরুদ্ধে জমি ও পুকুর দখলের অভিযোগ, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ টাকা টেকনাফের হ্নীলায় নৌবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, সীমান্ত এলাকায় নতুন আস্তানা গড়ার অভিযোগে আতঙ্ক সালথায় অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটায় মোবাইল কোর্ট অভিযান, ড্রেজার ভাঙচুর  নগরকান্দায় মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে ​শিমুল তালুকদার, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ​স্বল্প সময়ে কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় কালোজিরা আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। বহু ঔষধি গুণসম্পন্ন ও মসলা হিসেবে পরিচিত কালোজিরা একটু আঠালো ও পলিযুক্ত মাটিতে ভালো উৎপাদন হয়। এই কারণে উপজেলার চরাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি আবাদ করা হচ্ছে। ​কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Nigella sativa। মাত্র ৪ মাস সময়ে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি বছর রোপা আমন ধান কাটার পর নভেম্বর মাসে জমিতে চাষ দিয়ে কালোজিরার আবাদ করা হয় এবং মার্চের শেষের দিকে ফসল তোলা শুরু হয়। ​উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা (৪২ শতক) জমিতে কালোজিরা আবাদে চাষ, বীজ বপন, কীটনাশক ও শ্রমিক দিয়ে মোট খরচ হয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় ৭ থেকে ৮ মণ। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি মণ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য রবি ফসল উৎপাদনের চেয়ে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ার কারণে প্রতি মৌসুমেই বাড়ছে কালোজিরার আবাদ। ​উপজেলার চরমানাইর ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মোল্যা বলেন, “কালোজিরা চাষের জন্য আমাদের এই অঞ্চলের মাটি খুবই উপযোগী। তবে দাম এ বছর একটু কম। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।” ​চরবিষ্ণুপুরের কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন, “পচা-দোআঁশ মাটিতে কালোজিরার উৎপাদন একটু বেশি হয়। বর্ষা শেষে নতুন পলিযুক্ত মাটিতে চাষ দিয়ে আবাদ করা হয়। এতে সার ও কীটনাশক খুবই কম লাগে। প্রতি বিঘা থেকে আয় হয় প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা।” ​আটরশি গ্রামের কৃষক সায়াদ সর্দার বলেন, “কালোজিরায় ফল আসার সময় যদি বৃষ্টি হয় অথবা প্রচুর কুয়াশা পড়ে তবে ফলন ভালো হয় না। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত কৃষকদের সাহায্য সহযোগিতা করা।” ​সাড়েসাতরশি বাজারের ব্যবসায়ী সাহেদ আলী বলেন, “কালোজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা জাতীয় ফসল। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলের মাটির উর্বরতার কারণে কম খরচে ভালো ফলন হয়। কৃষি বিভাগের উচিত কৃষকদের আরও উৎসাহিত করা।” ​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় বলেন, “এ বছর সদরপুর উপজেলায় ৪৯৫ হেক্টর জমিতে কালোজিরার আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি।” বীজের ব্যাপারে তিনি জানান, সাধারণত ‘বারি-১’ জাতের কালোজিরার বীজ বিএডিসি থেকে সরবরাহ করা হয়, পাশাপাশি কৃষকরা স্থানীয়ভাবেও বীজ সংরক্ষণ করেন। ছবি সংযুক্তঃ শিমুল তালুকদার সদরপুর উপজেলা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ০১৭১৯১০৩৬১৫ তাং ৭/৫/২০২৬ ইং

টেকনাফের হ্নীলায় নৌবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, সীমান্ত এলাকায় নতুন আস্তানা গড়ার অভিযোগে আতঙ্ক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গ্রেনেড ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনার পর এবার সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন করে আস্তানা গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে কথিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। এতে স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমুরাপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীর সীমান্ত এলাকায় সম্প্রতি মোটা অংকের টাকায় জমি ক্রয় করে বাউন্ডারি নির্মাণের মাধ্যমে নতুন আস্তানা তৈরির কাজ চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এসব স্থানে মাদক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে হ্নীলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড কোনাপাড়া এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি দেশি পিস্তল, ১টি একনলা বন্দুক, ১০টি গ্রেনেড, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ওই অভিযানের মূল টার্গেট কথিত সন্ত্রাসী “লম্বা মিজান” এখনো গ্রেপ্তার হয়নি বলে জানা গেছে।

নাটমুরাপাড়ার বাসিন্দারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারগুলো আতঙ্কে রয়েছে। অনেকে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল, অভিযান এবং সন্দেহভাজন আস্তানাগুলোতে তদন্ত চালানোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে ​শিমুল তালুকদার, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ​স্বল্প সময়ে কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় কালোজিরা আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। বহু ঔষধি গুণসম্পন্ন ও মসলা হিসেবে পরিচিত কালোজিরা একটু আঠালো ও পলিযুক্ত মাটিতে ভালো উৎপাদন হয়। এই কারণে উপজেলার চরাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি আবাদ করা হচ্ছে। ​কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Nigella sativa। মাত্র ৪ মাস সময়ে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি বছর রোপা আমন ধান কাটার পর নভেম্বর মাসে জমিতে চাষ দিয়ে কালোজিরার আবাদ করা হয় এবং মার্চের শেষের দিকে ফসল তোলা শুরু হয়। ​উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা (৪২ শতক) জমিতে কালোজিরা আবাদে চাষ, বীজ বপন, কীটনাশক ও শ্রমিক দিয়ে মোট খরচ হয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় ৭ থেকে ৮ মণ। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি মণ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য রবি ফসল উৎপাদনের চেয়ে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ার কারণে প্রতি মৌসুমেই বাড়ছে কালোজিরার আবাদ। ​উপজেলার চরমানাইর ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মোল্যা বলেন, “কালোজিরা চাষের জন্য আমাদের এই অঞ্চলের মাটি খুবই উপযোগী। তবে দাম এ বছর একটু কম। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।” ​চরবিষ্ণুপুরের কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন, “পচা-দোআঁশ মাটিতে কালোজিরার উৎপাদন একটু বেশি হয়। বর্ষা শেষে নতুন পলিযুক্ত মাটিতে চাষ দিয়ে আবাদ করা হয়। এতে সার ও কীটনাশক খুবই কম লাগে। প্রতি বিঘা থেকে আয় হয় প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা।” ​আটরশি গ্রামের কৃষক সায়াদ সর্দার বলেন, “কালোজিরায় ফল আসার সময় যদি বৃষ্টি হয় অথবা প্রচুর কুয়াশা পড়ে তবে ফলন ভালো হয় না। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত কৃষকদের সাহায্য সহযোগিতা করা।” ​সাড়েসাতরশি বাজারের ব্যবসায়ী সাহেদ আলী বলেন, “কালোজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা জাতীয় ফসল। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলের মাটির উর্বরতার কারণে কম খরচে ভালো ফলন হয়। কৃষি বিভাগের উচিত কৃষকদের আরও উৎসাহিত করা।” ​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় বলেন, “এ বছর সদরপুর উপজেলায় ৪৯৫ হেক্টর জমিতে কালোজিরার আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি।” বীজের ব্যাপারে তিনি জানান, সাধারণত ‘বারি-১’ জাতের কালোজিরার বীজ বিএডিসি থেকে সরবরাহ করা হয়, পাশাপাশি কৃষকরা স্থানীয়ভাবেও বীজ সংরক্ষণ করেন। ছবি সংযুক্তঃ শিমুল তালুকদার সদরপুর উপজেলা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ০১৭১৯১০৩৬১৫ তাং ৭/৫/২০২৬ ইং

টেকনাফের হ্নীলায় নৌবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, সীমান্ত এলাকায় নতুন আস্তানা গড়ার অভিযোগে আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গ্রেনেড ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনার পর এবার সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন করে আস্তানা গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে কথিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। এতে স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমুরাপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীর সীমান্ত এলাকায় সম্প্রতি মোটা অংকের টাকায় জমি ক্রয় করে বাউন্ডারি নির্মাণের মাধ্যমে নতুন আস্তানা তৈরির কাজ চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এসব স্থানে মাদক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে হ্নীলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড কোনাপাড়া এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি দেশি পিস্তল, ১টি একনলা বন্দুক, ১০টি গ্রেনেড, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ওই অভিযানের মূল টার্গেট কথিত সন্ত্রাসী “লম্বা মিজান” এখনো গ্রেপ্তার হয়নি বলে জানা গেছে।

নাটমুরাপাড়ার বাসিন্দারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারগুলো আতঙ্কে রয়েছে। অনেকে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল, অভিযান এবং সন্দেহভাজন আস্তানাগুলোতে তদন্ত চালানোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।