ঢাকা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
 নগরকান্দায় মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে ​শিমুল তালুকদার, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ​স্বল্প সময়ে কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় কালোজিরা আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। বহু ঔষধি গুণসম্পন্ন ও মসলা হিসেবে পরিচিত কালোজিরা একটু আঠালো ও পলিযুক্ত মাটিতে ভালো উৎপাদন হয়। এই কারণে উপজেলার চরাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি আবাদ করা হচ্ছে। ​কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Nigella sativa। মাত্র ৪ মাস সময়ে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি বছর রোপা আমন ধান কাটার পর নভেম্বর মাসে জমিতে চাষ দিয়ে কালোজিরার আবাদ করা হয় এবং মার্চের শেষের দিকে ফসল তোলা শুরু হয়। ​উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা (৪২ শতক) জমিতে কালোজিরা আবাদে চাষ, বীজ বপন, কীটনাশক ও শ্রমিক দিয়ে মোট খরচ হয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় ৭ থেকে ৮ মণ। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি মণ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য রবি ফসল উৎপাদনের চেয়ে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ার কারণে প্রতি মৌসুমেই বাড়ছে কালোজিরার আবাদ। ​উপজেলার চরমানাইর ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মোল্যা বলেন, “কালোজিরা চাষের জন্য আমাদের এই অঞ্চলের মাটি খুবই উপযোগী। তবে দাম এ বছর একটু কম। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।” ​চরবিষ্ণুপুরের কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন, “পচা-দোআঁশ মাটিতে কালোজিরার উৎপাদন একটু বেশি হয়। বর্ষা শেষে নতুন পলিযুক্ত মাটিতে চাষ দিয়ে আবাদ করা হয়। এতে সার ও কীটনাশক খুবই কম লাগে। প্রতি বিঘা থেকে আয় হয় প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা।” ​আটরশি গ্রামের কৃষক সায়াদ সর্দার বলেন, “কালোজিরায় ফল আসার সময় যদি বৃষ্টি হয় অথবা প্রচুর কুয়াশা পড়ে তবে ফলন ভালো হয় না। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত কৃষকদের সাহায্য সহযোগিতা করা।” ​সাড়েসাতরশি বাজারের ব্যবসায়ী সাহেদ আলী বলেন, “কালোজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা জাতীয় ফসল। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলের মাটির উর্বরতার কারণে কম খরচে ভালো ফলন হয়। কৃষি বিভাগের উচিত কৃষকদের আরও উৎসাহিত করা।” ​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় বলেন, “এ বছর সদরপুর উপজেলায় ৪৯৫ হেক্টর জমিতে কালোজিরার আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি।” বীজের ব্যাপারে তিনি জানান, সাধারণত ‘বারি-১’ জাতের কালোজিরার বীজ বিএডিসি থেকে সরবরাহ করা হয়, পাশাপাশি কৃষকরা স্থানীয়ভাবেও বীজ সংরক্ষণ করেন। ছবি সংযুক্তঃ শিমুল তালুকদার সদরপুর উপজেলা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ০১৭১৯১০৩৬১৫ তাং ৭/৫/২০২৬ ইং সালথায় ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে লেবাননে ইসরাইলি বোমা হামলায় নিহত প্রবাসী দিপালীর মরদেহ ফরিদপুরে, এলাকায় শোকের ছায়া। ফরিদপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি- প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের ধৈর্যশীল অবস্থান প্রশংসিত ফরিদপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্রের যাত্রা শুরু শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের হুঁশিয়ারি 

 নগরকান্দায় মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

সেক মোহাম্মদ আফজাল 

বিশেষ প্রতিনিধি 

ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের নাড়ুয়াহাটি (শংকরপাশা) প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৮ মে শুক্রবার বিকেলে মাদক বিক্রি, সেবন,মাদকদ্রব্য পরিবহন এবং বিভিন্ন রকমের জুয়া বন্ধের লক্ষ্যে সচেতনতা মুলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাদক বিরোধী আলোচনা সভা মোঃ সেলিম শেখের সভাপতিত্বে ও মোঃ রাকিব আল হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা থানার এস আই মুজাহিদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির তারেক জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও জাসাস এর নগরকান্দা উপজেলা আহবায়ক মোঃ জহিরউদ্দিন চোকদার লুলু, মোঃ খায়রুজ্জামান মোল্লা টিটু, দিশান আহমেদ ফয়সাল।

মাদক বিরোধী সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন মাদকের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে দমনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে যারা মাদক কারবারি ও মাদক সেবন করে এবং যারা সরবরাহ করে তাঁদের কেউ রেহাই পাবেনা সরকার মাদক, জুয়া, বাল্যবিবাহ ইভটিজিং সহ যে কোন ধরনের সামাজিক, রাষ্ট্রীয় অসৎ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকবে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে।

তিনি উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্য বলেন, আপনার গ্রামে এবং এলাকায় কারা মাদক বিক্রি, সেবন করে আপনারা আমাদের তালিকা দিবেন আমরা তাদেরকে শক্ত হাতে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্হা করবো।

বিশেষ অতিথি জহিরউদ্দিন চোকদার লুলু বলেন, মাদক বিক্রি বন্ধ করতে হলে এলাকার সকলকে উদ্যোগী হতে হবে আপনারা যদি মাদক কারবারিকে ধরতে সাহস না পান আমাকে এবং থানা পুলিশের সহযোগিতা নিবেন, আপনাদের সহযোগিতা পেলে পুরো ডাঙ্গী ইউনিয়ন কে মাদক মুক্ত করতে পারবো।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, খায়রুজ্জামান মোল্লা টিটু, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ইয়াকুব আলী, ডাঙ্গী ইউনিয়ন তরুণ প্রজন্ম সংগঠনের সভাপতি রাইসুল ইসলাম, ইউপি সদস্য কিচলু আহমেদ, শাজাহান মাতুব্বর, ওয়াদুদ সরদার, আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে ​শিমুল তালুকদার, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ​স্বল্প সময়ে কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় কালোজিরা আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। বহু ঔষধি গুণসম্পন্ন ও মসলা হিসেবে পরিচিত কালোজিরা একটু আঠালো ও পলিযুক্ত মাটিতে ভালো উৎপাদন হয়। এই কারণে উপজেলার চরাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি আবাদ করা হচ্ছে। ​কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Nigella sativa। মাত্র ৪ মাস সময়ে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি বছর রোপা আমন ধান কাটার পর নভেম্বর মাসে জমিতে চাষ দিয়ে কালোজিরার আবাদ করা হয় এবং মার্চের শেষের দিকে ফসল তোলা শুরু হয়। ​উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা (৪২ শতক) জমিতে কালোজিরা আবাদে চাষ, বীজ বপন, কীটনাশক ও শ্রমিক দিয়ে মোট খরচ হয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় ৭ থেকে ৮ মণ। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি মণ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য রবি ফসল উৎপাদনের চেয়ে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ার কারণে প্রতি মৌসুমেই বাড়ছে কালোজিরার আবাদ। ​উপজেলার চরমানাইর ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মোল্যা বলেন, “কালোজিরা চাষের জন্য আমাদের এই অঞ্চলের মাটি খুবই উপযোগী। তবে দাম এ বছর একটু কম। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।” ​চরবিষ্ণুপুরের কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন, “পচা-দোআঁশ মাটিতে কালোজিরার উৎপাদন একটু বেশি হয়। বর্ষা শেষে নতুন পলিযুক্ত মাটিতে চাষ দিয়ে আবাদ করা হয়। এতে সার ও কীটনাশক খুবই কম লাগে। প্রতি বিঘা থেকে আয় হয় প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা।” ​আটরশি গ্রামের কৃষক সায়াদ সর্দার বলেন, “কালোজিরায় ফল আসার সময় যদি বৃষ্টি হয় অথবা প্রচুর কুয়াশা পড়ে তবে ফলন ভালো হয় না। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত কৃষকদের সাহায্য সহযোগিতা করা।” ​সাড়েসাতরশি বাজারের ব্যবসায়ী সাহেদ আলী বলেন, “কালোজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা জাতীয় ফসল। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলের মাটির উর্বরতার কারণে কম খরচে ভালো ফলন হয়। কৃষি বিভাগের উচিত কৃষকদের আরও উৎসাহিত করা।” ​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় বলেন, “এ বছর সদরপুর উপজেলায় ৪৯৫ হেক্টর জমিতে কালোজিরার আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি।” বীজের ব্যাপারে তিনি জানান, সাধারণত ‘বারি-১’ জাতের কালোজিরার বীজ বিএডিসি থেকে সরবরাহ করা হয়, পাশাপাশি কৃষকরা স্থানীয়ভাবেও বীজ সংরক্ষণ করেন। ছবি সংযুক্তঃ শিমুল তালুকদার সদরপুর উপজেলা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ০১৭১৯১০৩৬১৫ তাং ৭/৫/২০২৬ ইং

 নগরকান্দায় মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

আপডেট সময় : ০৬:১৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

 

সেক মোহাম্মদ আফজাল 

বিশেষ প্রতিনিধি 

ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের নাড়ুয়াহাটি (শংকরপাশা) প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৮ মে শুক্রবার বিকেলে মাদক বিক্রি, সেবন,মাদকদ্রব্য পরিবহন এবং বিভিন্ন রকমের জুয়া বন্ধের লক্ষ্যে সচেতনতা মুলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাদক বিরোধী আলোচনা সভা মোঃ সেলিম শেখের সভাপতিত্বে ও মোঃ রাকিব আল হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা থানার এস আই মুজাহিদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির তারেক জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও জাসাস এর নগরকান্দা উপজেলা আহবায়ক মোঃ জহিরউদ্দিন চোকদার লুলু, মোঃ খায়রুজ্জামান মোল্লা টিটু, দিশান আহমেদ ফয়সাল।

মাদক বিরোধী সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন মাদকের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে দমনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে যারা মাদক কারবারি ও মাদক সেবন করে এবং যারা সরবরাহ করে তাঁদের কেউ রেহাই পাবেনা সরকার মাদক, জুয়া, বাল্যবিবাহ ইভটিজিং সহ যে কোন ধরনের সামাজিক, রাষ্ট্রীয় অসৎ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকবে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে।

তিনি উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্য বলেন, আপনার গ্রামে এবং এলাকায় কারা মাদক বিক্রি, সেবন করে আপনারা আমাদের তালিকা দিবেন আমরা তাদেরকে শক্ত হাতে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্হা করবো।

বিশেষ অতিথি জহিরউদ্দিন চোকদার লুলু বলেন, মাদক বিক্রি বন্ধ করতে হলে এলাকার সকলকে উদ্যোগী হতে হবে আপনারা যদি মাদক কারবারিকে ধরতে সাহস না পান আমাকে এবং থানা পুলিশের সহযোগিতা নিবেন, আপনাদের সহযোগিতা পেলে পুরো ডাঙ্গী ইউনিয়ন কে মাদক মুক্ত করতে পারবো।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, খায়রুজ্জামান মোল্লা টিটু, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ইয়াকুব আলী, ডাঙ্গী ইউনিয়ন তরুণ প্রজন্ম সংগঠনের সভাপতি রাইসুল ইসলাম, ইউপি সদস্য কিচলু আহমেদ, শাজাহান মাতুব্বর, ওয়াদুদ সরদার, আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।