ফরিদপুরে জমি বিক্রির নামে ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ০৪:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মাহাবুব মিয়া, ক্রাইম রিপোর্টার ফরিদপুর
ফরিদপুর জেলার কৈজুরী ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামে জমি বিক্রির কথা বলে কৌশলে ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়, পরে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্ত মো. সিদ্দিক মোল্লা ও তার স্ত্রী কাকলী বেগম জমি বিক্রির আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগী মো. আবু সেখের কাছ থেকে ধাপে ধাপে মোট ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা নেন। নির্ধারিত ১৩ শতাংশ জমির মূল্য পরিশোধের পর বাকি ছিল মাত্র ১৫ হাজার টাকা। কিন্তু অধিকাংশ টাকা নেওয়ার পর অভিযুক্তরা জমি লিখে দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং টাকা গ্রহণের বিষয়টিও অস্বীকার করেন।
ভুক্তভোগী মো. আবু সেখ, পিতা মৃত রশিদ শেখ, জানান, জমি কেনাবেচার সময় গ্রামের মাতুব্বরদের উপস্থিতিতেই টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল। সে সময় অভিযুক্তরা চেকবইয়ের পাতাও দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তারা চেক হারিয়ে যাওয়ার দাবি করে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং উল্টো বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।
তিনি আরও বলেন, বসতভিটার পাশের জমি হওয়ায় আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার করে টাকা জোগাড় করে জমিটি কিনতে চেয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ হলেও অভিযুক্তরা কোনো সমাধানে রাজি হননি। তাই প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও কেনা জমি বুঝিয়ে দেওয়া এবং হয়রানিমূলক মামলা থেকে মুক্তির দাবি জানান তিনি।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মলি বেগম, রেবেকা বেগম, মো. সাবু শেখ, মোহাম্মদ আবু সেখ, মো. আলামিন শেখ, মো. সিরাজ খলিফা, মো. কুদ্দুস শেখ, মো. শাহিন শেখসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
স্থানীয়রা দাবি করেন, তাদের উপস্থিতিতেই জমি বিক্রির চুক্তি ও টাকা লেনদেন হয়েছিল। তাদের ভাষ্য, বর্তমানে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করা হচ্ছে। তারা ভুক্তভোগী পরিবারের সুষ্ঠু বিচার, জমি বুঝিয়ে দেওয়া এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. সিদ্দিক মোল্লা ও কাকলী বেগমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে যুক্ত করা হবে।











