ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভুতুড়ে বিলের প্রতিবাদে ফরিদপুরে মিছিল, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি অসুবিধা ও অব্যবস্থাপনায় জরাজীর্ণ ফরিদপুরের আড়াইরশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার বদলে ‘প্রাইভেট বাণিজ্য’, অবহেলায় বঞ্চিত কোমলমতি শিশুরা ইলিয়াস আলীকে ‘দ্বিতীয় চেষ্টায়’ জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অপহরণ: চিফ প্রসিকিউটর ফরিদপুর জেলা পরিষদ ও বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ৩০ বছরের ভোগান্তি, বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান দিনমজুর নুরুল ইসলাম ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষের সরেজমিন পরিদর্শনের আহ্বান কালিয়াকৈরে জাল রাজস্ব স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ২৫ লক্ষ টাকার নকল সিগারেট জব্দ আটক ২ জন মোট চার দিনের ছুটিতে প্রিয়জনের সঙ্গে ছুটি উপভোগ করার জন্য উত্তরবঙ্গের পথে ছুটছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মান্দায় অভিযান: ২২০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণসহ একজন গ্রেফতার সীমান্ত থেকে ৯৪.৭৫০ কেজি ওজনের দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

আদালতের রায় পক্ষে গেলেও জমি বুঝে পাচ্ছেন না মস্তফা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

​ফরিদপুর প্রতিনিধি:

দীর্ঘদিন যাবৎ আইনি লড়াই চালিয়ে আদালতের ডিক্রি বা রায় পাওয়ার পরেও নিজের পৈতৃক জমির দখল বুঝে পাচ্ছেন না ফরিদপুরের মস্তফা মল্লিক। নানীর ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমি উদ্ধার করতে প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবার।
​আমাদের সিনিয়র রিপোর্টার শিমুল তালুকদার-এর পাঠানো তথ্য ও ভিডিও চিত্রের ভিত্তিতে ডেস্ক রিপোর্ট:
​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদর উপজেলার হাবেলি দয়ারামপুর গ্রামের মৃত আব্দুস ছালামের পুত্র মো. মস্তফা মল্লিক নানীর ওয়ারিশ সূত্রে নগরকান্দা উপজেলার কুঞ্জনগর মৌজার আর এস ২৩৬ নং খতিয়ানের ২৪৫ এবং ২৪৬ নং দাগের ২৩ শতাংশ জমির মালিক হন। তবে ওই জমিটি বেআইনিভাবে কুঞ্জনগর গ্রামের আনোয়ার মুন্সী নিজের নামে বি এস রেকর্ড করিয়ে নেন। শুধু তাই নয়, আনোয়ার মুন্সী সেখান থেকে ১১ শতাংশ জমি একই গ্রামের ইছাহাক মুন্সীর ছেলে রিপন মুন্সীর কাছে বিক্রিও করে দেন। বর্তমানে রিপন মুন্সী জোরপূর্বক ওই জমিতে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
​পরবর্তীতে নিজের বৈধ জমি ও দখল ফিরে পেতে মস্তফা মল্লিক (মুন্সী) ভাঙ্গা মুন্সেফ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত দীর্ঘ শুনানী ও প্রমাণাদি যাচাই-বাছাই শেষে মস্তফা মুন্সীর পক্ষে রায় প্রদান করেন।
​”আদালতের সুস্পষ্ট রায় আমার পক্ষে থাকার পরেও আমি আজ নিজের জমিতে যেতে পারছি না। প্রতিপক্ষরা আদালতের আদেশ তোয়াক্কা না করে উল্টো সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ করছে।”
— মো. মস্তফা মল্লিক
​আদালতের রায় পাওয়ার পরও দখল বুঝে না পাওয়ায় চরম ক্ষোভ ও হতাশায় ভুগছেন মস্তফা ও তার পরিবার। আইনি রায় বাস্তবায়নে এবং নিজের জমি ফিরে পেতে বর্তমানে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আদালতের রায় পক্ষে গেলেও জমি বুঝে পাচ্ছেন না মস্তফা

আপডেট সময় : ০১:৩৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

 

​ফরিদপুর প্রতিনিধি:

দীর্ঘদিন যাবৎ আইনি লড়াই চালিয়ে আদালতের ডিক্রি বা রায় পাওয়ার পরেও নিজের পৈতৃক জমির দখল বুঝে পাচ্ছেন না ফরিদপুরের মস্তফা মল্লিক। নানীর ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমি উদ্ধার করতে প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবার।
​আমাদের সিনিয়র রিপোর্টার শিমুল তালুকদার-এর পাঠানো তথ্য ও ভিডিও চিত্রের ভিত্তিতে ডেস্ক রিপোর্ট:
​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদর উপজেলার হাবেলি দয়ারামপুর গ্রামের মৃত আব্দুস ছালামের পুত্র মো. মস্তফা মল্লিক নানীর ওয়ারিশ সূত্রে নগরকান্দা উপজেলার কুঞ্জনগর মৌজার আর এস ২৩৬ নং খতিয়ানের ২৪৫ এবং ২৪৬ নং দাগের ২৩ শতাংশ জমির মালিক হন। তবে ওই জমিটি বেআইনিভাবে কুঞ্জনগর গ্রামের আনোয়ার মুন্সী নিজের নামে বি এস রেকর্ড করিয়ে নেন। শুধু তাই নয়, আনোয়ার মুন্সী সেখান থেকে ১১ শতাংশ জমি একই গ্রামের ইছাহাক মুন্সীর ছেলে রিপন মুন্সীর কাছে বিক্রিও করে দেন। বর্তমানে রিপন মুন্সী জোরপূর্বক ওই জমিতে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
​পরবর্তীতে নিজের বৈধ জমি ও দখল ফিরে পেতে মস্তফা মল্লিক (মুন্সী) ভাঙ্গা মুন্সেফ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত দীর্ঘ শুনানী ও প্রমাণাদি যাচাই-বাছাই শেষে মস্তফা মুন্সীর পক্ষে রায় প্রদান করেন।
​”আদালতের সুস্পষ্ট রায় আমার পক্ষে থাকার পরেও আমি আজ নিজের জমিতে যেতে পারছি না। প্রতিপক্ষরা আদালতের আদেশ তোয়াক্কা না করে উল্টো সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ করছে।”
— মো. মস্তফা মল্লিক
​আদালতের রায় পাওয়ার পরও দখল বুঝে না পাওয়ায় চরম ক্ষোভ ও হতাশায় ভুগছেন মস্তফা ও তার পরিবার। আইনি রায় বাস্তবায়নে এবং নিজের জমি ফিরে পেতে বর্তমানে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তিনি।