ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভুতুড়ে বিলের প্রতিবাদে ফরিদপুরে মিছিল, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি অসুবিধা ও অব্যবস্থাপনায় জরাজীর্ণ ফরিদপুরের আড়াইরশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার বদলে ‘প্রাইভেট বাণিজ্য’, অবহেলায় বঞ্চিত কোমলমতি শিশুরা ইলিয়াস আলীকে ‘দ্বিতীয় চেষ্টায়’ জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অপহরণ: চিফ প্রসিকিউটর ফরিদপুর জেলা পরিষদ ও বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ৩০ বছরের ভোগান্তি, বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান দিনমজুর নুরুল ইসলাম ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষের সরেজমিন পরিদর্শনের আহ্বান কালিয়াকৈরে জাল রাজস্ব স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ২৫ লক্ষ টাকার নকল সিগারেট জব্দ আটক ২ জন মোট চার দিনের ছুটিতে প্রিয়জনের সঙ্গে ছুটি উপভোগ করার জন্য উত্তরবঙ্গের পথে ছুটছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মান্দায় অভিযান: ২২০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণসহ একজন গ্রেফতার সীমান্ত থেকে ৯৪.৭৫০ কেজি ওজনের দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

ইলিয়াস আলীকে ‘দ্বিতীয় চেষ্টায়’ জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অপহরণ: চিফ প্রসিকিউটর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলীকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয় চেষ্টায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে চলমান মামলার তদন্তে নতুন কিছু তথ্য উঠে এসেছে। মামলায় তার এক সাবেক দেহরক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তদন্তসূত্রে ইলিয়াস আলীর গুমের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “প্রথমবার বনানী এলাকায় ইলিয়াস আলীকে তুলে নেওয়ার একটি চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে দ্বিতীয় অভিযানে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে তাকে অপহরণ করা হয়—এমন তথ্য আমরা প্রাথমিক তদন্তে পেয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, ইলিয়াস আলীর গুমের ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে, তার মধ্যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত বলে অভিযোগ থাকা গুম, অপহরণ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনাগুলোর সামগ্রিক চিত্রও অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে ইলিয়াস আলীর গুম সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও প্রাপ্ত প্রমাণ অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে নিখোঁজ হন বিএনপির তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলী। তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক আনসার আলীকেও তখন থেকে নিখোঁজ হিসেবে ধরা হয়। দীর্ঘ দেড় দশক পরও তাদের সন্ধান মেলেনি। ঘটনাটি বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত গুমের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
তবে চিফ প্রসিকিউটরের সাম্প্রতিক বক্তব্য তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এ ঘটনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইলিয়াস আলীকে ‘দ্বিতীয় চেষ্টায়’ জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অপহরণ: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৫:৩১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলীকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয় চেষ্টায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে চলমান মামলার তদন্তে নতুন কিছু তথ্য উঠে এসেছে। মামলায় তার এক সাবেক দেহরক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তদন্তসূত্রে ইলিয়াস আলীর গুমের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “প্রথমবার বনানী এলাকায় ইলিয়াস আলীকে তুলে নেওয়ার একটি চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে দ্বিতীয় অভিযানে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে তাকে অপহরণ করা হয়—এমন তথ্য আমরা প্রাথমিক তদন্তে পেয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, ইলিয়াস আলীর গুমের ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে, তার মধ্যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত বলে অভিযোগ থাকা গুম, অপহরণ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনাগুলোর সামগ্রিক চিত্রও অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে ইলিয়াস আলীর গুম সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও প্রাপ্ত প্রমাণ অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে নিখোঁজ হন বিএনপির তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলী। তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক আনসার আলীকেও তখন থেকে নিখোঁজ হিসেবে ধরা হয়। দীর্ঘ দেড় দশক পরও তাদের সন্ধান মেলেনি। ঘটনাটি বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত গুমের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
তবে চিফ প্রসিকিউটরের সাম্প্রতিক বক্তব্য তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এ ঘটনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।