ফরিদপুরে এখন লোডশেডিং অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, বিদ্যুতে ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার : ওজোপাডিকো
- আপডেট সময় : ০২:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর :
ফরিদপুরে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে এবং ওজোপাডিকোর আওতাধীন এলাকায় লোডশেডিং প্রায় নেই বললেই চলে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের বিপুল ভর্তুকির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে এক মতবিনিময় সভায়।
শনিবার দুপুর ১টায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় অবস্থিত ওজোপাডিকোর পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেলের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ আমজাদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ওজোপাডিকো-২, গোয়ালচামটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ওজোপাডিকো-১, ঝিলটুলির নির্বাহী প্রকৌশলী প্রণব চন্দ্র দেবনাথ, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিমাদ্রি কুমার পোদ্দার, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফুয়াদ হাসান, সহকারী প্রকৌশলী শাস্বত দত্ত, সহকারী প্রকৌশলী শামীম রেজা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী গালিব আহমেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সভায় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে কিছু সময় আগে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি অনেক উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে ফরিদপুর সদর এলাকায় বিদ্যুতের সরবরাহ এখন স্থিতিশীল রয়েছে এবং গ্রাহকরা আগের তুলনায় অনেক কম লোডশেডিংয়ের সম্মুখীন হচ্ছেন।
আলোচনায় আরও জানানো হয়, প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১১ টাকা ৯০ পয়সা। অথচ গ্রাহকদের কাছে তা বিক্রি করা হচ্ছে ৮ টাকা ৯৫ পয়সা দরে। ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পেছনে সরকারকে প্রায় ২ টাকা ৯৮ পয়সা ভর্তুকি বহন করতে হচ্ছে।
ওজোপাডিকো সূত্রে জানানো হয়, বর্তমানে ফরিদপুর সদরে তাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার। প্রতিদিন এ অঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫ মেগাওয়াটে।
সভায় বক্তারা বিদ্যুতের অপচয় রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা গেলে জাতীয় পর্যায়ে সরকারের ওপর চাপ অনেকটাই কমে আসবে। এজন্য সাধারণ জনগণকে দায়িত্বশীলভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরামর্শ দেন তারা।


















