ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যে দরজা বন্ধ হয়, তার ওপারেই হয়তো রহমতের জানালা ফরিদপুরে এখন লোডশেডিং অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, বিদ্যুতে ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার : ওজোপাডিকো ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে মা-মেয়ে নিখোঁজ, সন্ধানদাতাকে পুরস্কারের ঘোষণা সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজে সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ বোয়ালমারীতে ভাতিজার বিরুদ্ধে জমি ও পুকুর দখলের অভিযোগ, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ টাকা টেকনাফের হ্নীলায় নৌবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, সীমান্ত এলাকায় নতুন আস্তানা গড়ার অভিযোগে আতঙ্ক সালথায় অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটায় মোবাইল কোর্ট অভিযান, ড্রেজার ভাঙচুর  নগরকান্দায় মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে ​শিমুল তালুকদার, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ​স্বল্প সময়ে কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় কালোজিরা আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। বহু ঔষধি গুণসম্পন্ন ও মসলা হিসেবে পরিচিত কালোজিরা একটু আঠালো ও পলিযুক্ত মাটিতে ভালো উৎপাদন হয়। এই কারণে উপজেলার চরাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি আবাদ করা হচ্ছে। ​কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Nigella sativa। মাত্র ৪ মাস সময়ে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি বছর রোপা আমন ধান কাটার পর নভেম্বর মাসে জমিতে চাষ দিয়ে কালোজিরার আবাদ করা হয় এবং মার্চের শেষের দিকে ফসল তোলা শুরু হয়। ​উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা (৪২ শতক) জমিতে কালোজিরা আবাদে চাষ, বীজ বপন, কীটনাশক ও শ্রমিক দিয়ে মোট খরচ হয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় ৭ থেকে ৮ মণ। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি মণ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য রবি ফসল উৎপাদনের চেয়ে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ার কারণে প্রতি মৌসুমেই বাড়ছে কালোজিরার আবাদ। ​উপজেলার চরমানাইর ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মোল্যা বলেন, “কালোজিরা চাষের জন্য আমাদের এই অঞ্চলের মাটি খুবই উপযোগী। তবে দাম এ বছর একটু কম। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।” ​চরবিষ্ণুপুরের কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন, “পচা-দোআঁশ মাটিতে কালোজিরার উৎপাদন একটু বেশি হয়। বর্ষা শেষে নতুন পলিযুক্ত মাটিতে চাষ দিয়ে আবাদ করা হয়। এতে সার ও কীটনাশক খুবই কম লাগে। প্রতি বিঘা থেকে আয় হয় প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা।” ​আটরশি গ্রামের কৃষক সায়াদ সর্দার বলেন, “কালোজিরায় ফল আসার সময় যদি বৃষ্টি হয় অথবা প্রচুর কুয়াশা পড়ে তবে ফলন ভালো হয় না। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত কৃষকদের সাহায্য সহযোগিতা করা।” ​সাড়েসাতরশি বাজারের ব্যবসায়ী সাহেদ আলী বলেন, “কালোজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা জাতীয় ফসল। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলের মাটির উর্বরতার কারণে কম খরচে ভালো ফলন হয়। কৃষি বিভাগের উচিত কৃষকদের আরও উৎসাহিত করা।” ​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় বলেন, “এ বছর সদরপুর উপজেলায় ৪৯৫ হেক্টর জমিতে কালোজিরার আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি।” বীজের ব্যাপারে তিনি জানান, সাধারণত ‘বারি-১’ জাতের কালোজিরার বীজ বিএডিসি থেকে সরবরাহ করা হয়, পাশাপাশি কৃষকরা স্থানীয়ভাবেও বীজ সংরক্ষণ করেন। ছবি সংযুক্তঃ শিমুল তালুকদার সদরপুর উপজেলা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ০১৭১৯১০৩৬১৫ তাং ৭/৫/২০২৬ ইং

ফরিদপুরে এখন লোডশেডিং অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, বিদ্যুতে ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার : ওজোপাডিকো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর :

ফরিদপুরে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে এবং ওজোপাডিকোর আওতাধীন এলাকায় লোডশেডিং প্রায় নেই বললেই চলে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের বিপুল ভর্তুকির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে এক মতবিনিময় সভায়।

শনিবার দুপুর ১টায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় অবস্থিত ওজোপাডিকোর পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেলের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ আমজাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ওজোপাডিকো-২, গোয়ালচামটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ওজোপাডিকো-১, ঝিলটুলির নির্বাহী প্রকৌশলী প্রণব চন্দ্র দেবনাথ, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিমাদ্রি কুমার পোদ্দার, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফুয়াদ হাসান, সহকারী প্রকৌশলী শাস্বত দত্ত, সহকারী প্রকৌশলী শামীম রেজা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী গালিব আহমেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সভায় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে কিছু সময় আগে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি অনেক উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে ফরিদপুর সদর এলাকায় বিদ্যুতের সরবরাহ এখন স্থিতিশীল রয়েছে এবং গ্রাহকরা আগের তুলনায় অনেক কম লোডশেডিংয়ের সম্মুখীন হচ্ছেন।

আলোচনায় আরও জানানো হয়, প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১১ টাকা ৯০ পয়সা। অথচ গ্রাহকদের কাছে তা বিক্রি করা হচ্ছে ৮ টাকা ৯৫ পয়সা দরে। ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পেছনে সরকারকে প্রায় ২ টাকা ৯৮ পয়সা ভর্তুকি বহন করতে হচ্ছে।

ওজোপাডিকো সূত্রে জানানো হয়, বর্তমানে ফরিদপুর সদরে তাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার। প্রতিদিন এ অঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫ মেগাওয়াটে।

সভায় বক্তারা বিদ্যুতের অপচয় রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা গেলে জাতীয় পর্যায়ে সরকারের ওপর চাপ অনেকটাই কমে আসবে। এজন্য সাধারণ জনগণকে দায়িত্বশীলভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরামর্শ দেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সদরপুরে কালোজিরা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে প্রান্তিক চাষীদের মাঝে ​শিমুল তালুকদার, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ​স্বল্প সময়ে কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় কালোজিরা আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। বহু ঔষধি গুণসম্পন্ন ও মসলা হিসেবে পরিচিত কালোজিরা একটু আঠালো ও পলিযুক্ত মাটিতে ভালো উৎপাদন হয়। এই কারণে উপজেলার চরাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি আবাদ করা হচ্ছে। ​কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Nigella sativa। মাত্র ৪ মাস সময়ে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি বছর রোপা আমন ধান কাটার পর নভেম্বর মাসে জমিতে চাষ দিয়ে কালোজিরার আবাদ করা হয় এবং মার্চের শেষের দিকে ফসল তোলা শুরু হয়। ​উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা (৪২ শতক) জমিতে কালোজিরা আবাদে চাষ, বীজ বপন, কীটনাশক ও শ্রমিক দিয়ে মোট খরচ হয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় ৭ থেকে ৮ মণ। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি মণ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য রবি ফসল উৎপাদনের চেয়ে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ার কারণে প্রতি মৌসুমেই বাড়ছে কালোজিরার আবাদ। ​উপজেলার চরমানাইর ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মোল্যা বলেন, “কালোজিরা চাষের জন্য আমাদের এই অঞ্চলের মাটি খুবই উপযোগী। তবে দাম এ বছর একটু কম। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।” ​চরবিষ্ণুপুরের কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন, “পচা-দোআঁশ মাটিতে কালোজিরার উৎপাদন একটু বেশি হয়। বর্ষা শেষে নতুন পলিযুক্ত মাটিতে চাষ দিয়ে আবাদ করা হয়। এতে সার ও কীটনাশক খুবই কম লাগে। প্রতি বিঘা থেকে আয় হয় প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা।” ​আটরশি গ্রামের কৃষক সায়াদ সর্দার বলেন, “কালোজিরায় ফল আসার সময় যদি বৃষ্টি হয় অথবা প্রচুর কুয়াশা পড়ে তবে ফলন ভালো হয় না। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত কৃষকদের সাহায্য সহযোগিতা করা।” ​সাড়েসাতরশি বাজারের ব্যবসায়ী সাহেদ আলী বলেন, “কালোজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা জাতীয় ফসল। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলের মাটির উর্বরতার কারণে কম খরচে ভালো ফলন হয়। কৃষি বিভাগের উচিত কৃষকদের আরও উৎসাহিত করা।” ​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় বলেন, “এ বছর সদরপুর উপজেলায় ৪৯৫ হেক্টর জমিতে কালোজিরার আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি।” বীজের ব্যাপারে তিনি জানান, সাধারণত ‘বারি-১’ জাতের কালোজিরার বীজ বিএডিসি থেকে সরবরাহ করা হয়, পাশাপাশি কৃষকরা স্থানীয়ভাবেও বীজ সংরক্ষণ করেন। ছবি সংযুক্তঃ শিমুল তালুকদার সদরপুর উপজেলা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ০১৭১৯১০৩৬১৫ তাং ৭/৫/২০২৬ ইং

ফরিদপুরে এখন লোডশেডিং অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, বিদ্যুতে ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার : ওজোপাডিকো

আপডেট সময় : ০২:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর :

ফরিদপুরে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে এবং ওজোপাডিকোর আওতাধীন এলাকায় লোডশেডিং প্রায় নেই বললেই চলে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের বিপুল ভর্তুকির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে এক মতবিনিময় সভায়।

শনিবার দুপুর ১টায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় অবস্থিত ওজোপাডিকোর পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেলের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ আমজাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ওজোপাডিকো-২, গোয়ালচামটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ওজোপাডিকো-১, ঝিলটুলির নির্বাহী প্রকৌশলী প্রণব চন্দ্র দেবনাথ, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিমাদ্রি কুমার পোদ্দার, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফুয়াদ হাসান, সহকারী প্রকৌশলী শাস্বত দত্ত, সহকারী প্রকৌশলী শামীম রেজা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী গালিব আহমেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সভায় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে কিছু সময় আগে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি অনেক উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে ফরিদপুর সদর এলাকায় বিদ্যুতের সরবরাহ এখন স্থিতিশীল রয়েছে এবং গ্রাহকরা আগের তুলনায় অনেক কম লোডশেডিংয়ের সম্মুখীন হচ্ছেন।

আলোচনায় আরও জানানো হয়, প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১১ টাকা ৯০ পয়সা। অথচ গ্রাহকদের কাছে তা বিক্রি করা হচ্ছে ৮ টাকা ৯৫ পয়সা দরে। ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পেছনে সরকারকে প্রায় ২ টাকা ৯৮ পয়সা ভর্তুকি বহন করতে হচ্ছে।

ওজোপাডিকো সূত্রে জানানো হয়, বর্তমানে ফরিদপুর সদরে তাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার। প্রতিদিন এ অঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫ মেগাওয়াটে।

সভায় বক্তারা বিদ্যুতের অপচয় রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা গেলে জাতীয় পর্যায়ে সরকারের ওপর চাপ অনেকটাই কমে আসবে। এজন্য সাধারণ জনগণকে দায়িত্বশীলভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরামর্শ দেন তারা।