ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মিরাজ শেখের ১০ বছরের কারাদণ্ড ১৭ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের কল্যাণ, ঐক্য ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ শোক সংবাদ ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ২৫০ শয্যার, নির্মাণের উদ্যোগ ১৫ তলা আধুনিক ভবনের পত্নীতলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিবচরে যুবলীগ নেতার দাপট, ভয়-ভীতি ও মারধর করে জমি দখলের অভিযোগ সদরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অভিযুক্তের বাড়ির সামনেই ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নেওয়া ও বাড়ি বিক্রির কথা বলে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বালিয়াকান্দিতে দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ফিলিং স্টেশনের ৫ ডিসপেন্সিং ইউনিট সিলগালা

বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মো লুৎফুর রহমান রাকিব স্টাফ রিপোর্টার

 

পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে চৌদ্দগ্রামে অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক সৌজন্য অনুষ্ঠানে দেখা গেছে এক বিস্ময়কর দৃশ্য। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদার নিজ বাড়িতে আয়োজিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় ১০ নং বাতিসা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন মিলনকে।

 

একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতার ব্যক্তিগত আয়োজনে উপস্থিত দেখা যাওয়ায়, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক অ’স’ন্তোষ ও বি’রুপ  প্রতি’ক্রি’য়ার দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষো’ভ প্রকাশ করে বলেন, নিজাম উদ্দিন মিলন দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে বিএনপি ও বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দ’ম’ন-পী’ড়’ন চালিয়েছেন। তিনি সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

 

তারা আরও দাবি করেন, ২০১৫ সালে চৌদ্দগ্রামে সংঘটিত একটি নৃ’শং’স ঘটনায়, যেখানে একটি বাসে আ’গু’ন দিয়ে ৮ জনকে পু’ড়ি’য়ে মা’রা হয়—সে ঘটনায়ও মিলনের সম্পৃক্ততা রয়েছে ।

 

তাদের ভাষ্য, ঈদের শুভেচ্ছা হোক বা সামাজিক সৌজন্য—যে ব্যক্তি গত ১৬ বছর ধরে বিরোধীদের নি’পী’ড়’নে অগ্রভূমিকা পালন করেছে, তাকে এভাবে স্বাগত জানানো রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো নয়ই, বরং এটি মাঠের কর্মীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল।

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন একটি ঘটনায় শুধু বিএনপির অভ্যন্তরেই নয়, বরং গোটা চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক ময়দানে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এটি কৌশলগত অবস্থান বদলের ইঙ্গিত, নাকি নিছক সৌজন্যবোধ—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতা।

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫

 

 

মো লুৎফুর রহমান রাকিব স্টাফ রিপোর্টার

 

পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে চৌদ্দগ্রামে অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক সৌজন্য অনুষ্ঠানে দেখা গেছে এক বিস্ময়কর দৃশ্য। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদার নিজ বাড়িতে আয়োজিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় ১০ নং বাতিসা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন মিলনকে।

 

একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতার ব্যক্তিগত আয়োজনে উপস্থিত দেখা যাওয়ায়, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক অ’স’ন্তোষ ও বি’রুপ  প্রতি’ক্রি’য়ার দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষো’ভ প্রকাশ করে বলেন, নিজাম উদ্দিন মিলন দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে বিএনপি ও বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দ’ম’ন-পী’ড়’ন চালিয়েছেন। তিনি সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

 

তারা আরও দাবি করেন, ২০১৫ সালে চৌদ্দগ্রামে সংঘটিত একটি নৃ’শং’স ঘটনায়, যেখানে একটি বাসে আ’গু’ন দিয়ে ৮ জনকে পু’ড়ি’য়ে মা’রা হয়—সে ঘটনায়ও মিলনের সম্পৃক্ততা রয়েছে ।

 

তাদের ভাষ্য, ঈদের শুভেচ্ছা হোক বা সামাজিক সৌজন্য—যে ব্যক্তি গত ১৬ বছর ধরে বিরোধীদের নি’পী’ড়’নে অগ্রভূমিকা পালন করেছে, তাকে এভাবে স্বাগত জানানো রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো নয়ই, বরং এটি মাঠের কর্মীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল।

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন একটি ঘটনায় শুধু বিএনপির অভ্যন্তরেই নয়, বরং গোটা চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক ময়দানে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এটি কৌশলগত অবস্থান বদলের ইঙ্গিত, নাকি নিছক সৌজন্যবোধ—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে স্থানীয়রা।