ফরিদপুর সদরে কারসাজি করে বয়স বাড়িয়ে কনের বাল্যবিয়ে- কাজীকে জরিমানা
- আপডেট সময় : ০৯:৫১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫ ৬৮ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল করিম – ফরিদপুর
ফরিদপুর সদর উপজেলাধীন এলাকায় কারসাজি করে কনের বয়স বাড়িয়ে বাল্যবিয়ে। এসময় কনের মা ও কাজীকে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। জানা যায়
এক কিশোরীকে বয়স বাড়িয়ে বাল্যবিয়ে দেওয়ার অভিযোগে কনের মা ও নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) কে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার ২০ জুন- ২৫ তারিখ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ফরিদপুর জেলা শহরের চকবাজার জামে মসজিদ সংলগ্ন মার্কেটের দোতলায় অবস্থিত কাজী অফিসে কারসাজির মাধ্যমে বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটে।
উক্ত বাল্যবিবাহে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান। এ সময় নিকাহ রেজিস্ট্রার মো. কামরুল হাসানকে (৪৮) বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে ৫০ হাজার টাকা নগদ জরিমানা করা হয়। এছাড়াও একই অপরাধে বায়তুল আমান এলাকায় অবস্থিত কনের মাকে বাল্যবিবাহে সহযোগিতা করার অপরাধে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এব্যাপারে
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুন শহরের বায়তুল আমান এলাকায় ১৬ বছরের এক কিশোরীকে জাল জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে বয়স বাড়িয়ে বাল্যবিবাহ দেওয়া হয়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বিকাল বেলা কনের বাড়িতে গিয়ে বাল্যবিবাহের সম্পর্ক বিষয় তথ্য যাচাই বাছাই করে এর সত্যতা মিলে। এরই ধারাবাহিকতায় কনের মায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে একটি অভিযান পরিচালনা করে কাজী কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ইসরাত জাহান বলেন, জাল নিবন্ধনের মাধ্যমে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে বয়স বেশি দেখিয়ে বাল্য বিয়ে দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে কনের মা ও নিকাহ রেজিস্ট্রারকে জরিমানা করা হয়েছে। কারসাজির মাধ্যমে বাল্যবিবাহ
রেজিস্ট্রার করার অপরাধে ইউওনো ইসরাত জাহান বলেন, এব্যাপারে জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর আমরা একটি চিঠি পাঠাবো ওনার (নিকাহ রেজিস্ট্রার) নিবন্ধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। এছাড়াও সদর ইউওনো ইসরাত জাহান বলেন, যেখানেই বাল্যবিবাহ সেখানেই আমাদের অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন।






















