ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাতকড়া পরা আ.লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল নেতা কর্মীরা, পুলিশের ওপর হামলায় আহত অন্তত ৫ ফরিদপুরের সালথায় বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লা। এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা, কেন্দ্র পরিদর্শনে পুলিশ কর্মকর্তারা ১৫৭ বছরের ঐতিহ্যের শহর ফরিদপুর: সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার জোর দাবি —সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল সদরপুরে ২০০ বছরের ঐতিহ্য: জরিপের ডাঙ্গীতে উৎসবমুখর ‘মুসলমানদের মেলা’ সদরপুরে হাম-রুবেলা প্রতিরোধ টিকাদান কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারনে এস এস সি পরীক্ষার্থী চরম ভোগান্তি এগুলো দেখার কেউ নেই কালিয়াকৈরেএস এস সি পরীক্ষার্থীদের পাশে এমপি মজিবুর রহমান, শুভেচ্ছা ব্যানারে দলীয় বার্তা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জনের মনোনয়ন চূড়ান্ত ফরিদপুরে আবাসিক হোটেলে হামলা, মালিককে কুপিয়ে জখম; চাঁদাবাজির অভিযোগ।

খালিশপুরে ওএমএসর মালামাল বিক্রিতে বাধা, খাদ্য বিভাগের তদাকরি কর্মকর্তা লাঞ্চিত। মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো : ওএমএসর চাল ও আটা বিক্রিকালে এক ডিলারের লোক আরেক ডিলার কতৃক হামলার শিকার হয়েছে। রবিবার বেলা ১১ টার দিকে খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেট সংলগ্ন ছাত্র নেতা শিমুলের বাসার নিচে একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে। সুত্র মতে ফুড কর্মকর্তা আ: হালিমের ডিও তে ওএমএসর মাল উত্তোলন করেন আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহিদুল। তিনি রবিবার সকাল থেকে ছাত্রদল নেতা শিমুলের বাড়ির নিচ তলায় একটি দোকান ভাড়া নিয়ে ওএমএসের মালামাল বিক্রি করা শুরু করেন। কিন্তু অপর ডিলার আওয়ামীলীগ নেতা মিরাজ তার দোকানের সামনে এসে মালামাল বিক্রি বন্ধ করতে বলেন। এসময় তিনি দোকানের কয়েকটি ছবি তোলেন। উপস্থিত খাদ্য বিভাগের তদারকি কর্মকর্তা কারন জিজ্ঞাসা করতে তাকে দোকান থেকে বের করে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করেন মিরাজ। তিনি খাদ্য কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে বলেন, ১০ নং ওয়ার্ডে তিনি ছাড়া আর কেউ ওএমএসের মালামাল বিক্রি করতে পারবে না। এ খবর শুনে খাদ্য অফিসের ইন্সপেক্টর রাসেদ আল রিপন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তিনি বলেন মিরাজ একেবারে সেধে সেধে গোলমাল করে। তিনি ফুড কর্মকর্তা আঃ হালিম ও ডিলার ওয়াহেদুলকে লাঞ্চিত করেছে। বিষয়টি পরে বিএনপি নেতারা এসে মিমাংসা করে বলে তিনি জানান।মিরাজ বলেন ঔই স্পটে হালিম এবং ওয়াহেদুল ওএমএসর মালামাল বিক্রি করছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্পটে এসে দেখা যায় ১০ বস্তা চাউলের জায়গায় আছে ৪ বস্তা আর ১০ বস্তা আটার জায়গায় আছে ২ বস্তা। আর বাকি মালামাল কোথায় গেল এ কথা নিয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। স্পটে থাকা ডিলাররা ও খাদ্য কর্মকর্তারা পরস্পরের জোগসাজসে ওএমএস র মালামাল বাহিরে বিক্রি করে দেয়। এর প্রতিবাদ করা হয় মাত্র। তিনি আরো বলেন, ১০ নং ওয়ার্ডে ২৮ জন ডিলার লটারিতে অংশ নেয়। নিয়ম অনুযায়ী লটারিতে শাহারিয়া এন্টারপ্রাইজ প্রথম হলেও তার মাধ্যমে ওএমএস র মালামাল না দিয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও আওয়ামীলীগ নেতাদের পরস্পরের যোগসাজশে মালামাল দেওয়া হয়। এবং বাহিরে বিক্রি করা হয়। তিনি বলেন, আমি কেউর সাথে গালমন্দ ও খারাপ আচরন করিনি। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনগন তার সাথে ছিল বলে তিনি জানান।ছাত্রদল নেতা আবু সাকেহ শিমুল জানান, সকাল ১১ টার দিকে বাড়ির নিচে চেঁচামেচি শুনে বারান্দায় এসে দেখি অনেক লোকের ভিড়। আওয়ামী লীগ নেতা মিরাজ ওএমএসের চাল বিক্রেতাদের মধ্যে গালাগাল করছে। দোকানের ভিডিও করতে থাকে। ফুডের কর্মকর্তাদের দালাল, কত টাকা ঘুষ খেয়ছিস এসব কথা বলে চিৎকার করতে থাকে। এসময় ফুডের কর্মকর্তা কথা বলতে গেলে তাকে শারিরীক ভাবে মিরাজ লাঞ্চিত করে। এসময় এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫ ১০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

ওএমএসর চাল ও আটা বিক্রিকালে এক ডিলারের লোক আরেক ডিলার কতৃক হামলার শিকার হয়েছে। রবিবার বেলা ১১ টার দিকে খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেট সংলগ্ন ছাত্র নেতা শিমুলের বাসার নিচে একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে। সুত্র মতে ফুড কর্মকর্তা আ: হালিমের ডিও তে ওএমএসর মাল উত্তোলন করেন আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহিদুল। তিনি রবিবার সকাল থেকে ছাত্রদল নেতা শিমুলের বাড়ির নিচ তলায় একটি দোকান ভাড়া নিয়ে ওএমএসের মালামাল বিক্রি করা শুরু করেন। কিন্তু অপর ডিলার আওয়ামীলীগ নেতা মিরাজ তার দোকানের সামনে এসে মালামাল বিক্রি বন্ধ করতে বলেন। এসময় তিনি দোকানের কয়েকটি ছবি তোলেন। উপস্থিত খাদ্য বিভাগের তদারকি কর্মকর্তা কারন জিজ্ঞাসা করতে তাকে দোকান থেকে বের করে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করেন মিরাজ। তিনি খাদ্য কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে বলেন, ১০ নং ওয়ার্ডে তিনি ছাড়া আর কেউ ওএমএসের মালামাল বিক্রি করতে পারবে না। এ খবর শুনে খাদ্য অফিসের ইন্সপেক্টর রাসেদ আল রিপন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তিনি বলেন মিরাজ একেবারে সেধে সেধে গোলমাল করে। তিনি ফুড কর্মকর্তা আঃ হালিম ও ডিলার ওয়াহেদুলকে লাঞ্চিত করেছে। বিষয়টি পরে বিএনপি নেতারা এসে মিমাংসা করে বলে তিনি জানান।মিরাজ বলেন ঔই স্পটে হালিম এবং ওয়াহেদুল ওএমএসর মালামাল বিক্রি করছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্পটে এসে দেখা যায় ১০ বস্তা চাউলের জায়গায় আছে ৪ বস্তা আর ১০ বস্তা আটার জায়গায় আছে ২ বস্তা। আর বাকি মালামাল কোথায় গেল এ কথা নিয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। স্পটে থাকা ডিলাররা ও খাদ্য কর্মকর্তারা পরস্পরের জোগসাজসে ওএমএস র মালামাল বাহিরে বিক্রি করে দেয়। এর প্রতিবাদ করা হয় মাত্র। তিনি আরো বলেন, ১০ নং ওয়ার্ডে ২৮ জন ডিলার লটারিতে অংশ নেয়। নিয়ম অনুযায়ী লটারিতে শাহারিয়া এন্টারপ্রাইজ প্রথম হলেও তার মাধ্যমে ওএমএস র মালামাল না দিয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও আওয়ামীলীগ নেতাদের পরস্পরের যোগসাজশে মালামাল দেওয়া হয়। এবং বাহিরে বিক্রি করা হয়। তিনি বলেন, আমি কেউর সাথে গালমন্দ ও খারাপ আচরন করিনি। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনগন তার সাথে ছিল বলে তিনি জানান।ছাত্রদল নেতা আবু সাকেহ শিমুল জানান, সকাল ১১ টার দিকে বাড়ির নিচে চেঁচামেচি শুনে বারান্দায় এসে দেখি অনেক লোকের ভিড়। আওয়ামী লীগ নেতা মিরাজ ওএমএসের চাল বিক্রেতাদের মধ্যে গালাগাল করছে। দোকানের ভিডিও করতে থাকে। ফুডের কর্মকর্তাদের দালাল, কত টাকা ঘুষ খেয়ছিস এসব কথা বলে চিৎকার করতে থাকে। এসময় ফুডের কর্মকর্তা কথা বলতে গেলে তাকে শারিরীক ভাবে মিরাজ লাঞ্চিত করে। এসময় এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খালিশপুরে ওএমএসর মালামাল বিক্রিতে বাধা, খাদ্য বিভাগের তদাকরি কর্মকর্তা লাঞ্চিত। মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো : ওএমএসর চাল ও আটা বিক্রিকালে এক ডিলারের লোক আরেক ডিলার কতৃক হামলার শিকার হয়েছে। রবিবার বেলা ১১ টার দিকে খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেট সংলগ্ন ছাত্র নেতা শিমুলের বাসার নিচে একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে। সুত্র মতে ফুড কর্মকর্তা আ: হালিমের ডিও তে ওএমএসর মাল উত্তোলন করেন আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহিদুল। তিনি রবিবার সকাল থেকে ছাত্রদল নেতা শিমুলের বাড়ির নিচ তলায় একটি দোকান ভাড়া নিয়ে ওএমএসের মালামাল বিক্রি করা শুরু করেন। কিন্তু অপর ডিলার আওয়ামীলীগ নেতা মিরাজ তার দোকানের সামনে এসে মালামাল বিক্রি বন্ধ করতে বলেন। এসময় তিনি দোকানের কয়েকটি ছবি তোলেন। উপস্থিত খাদ্য বিভাগের তদারকি কর্মকর্তা কারন জিজ্ঞাসা করতে তাকে দোকান থেকে বের করে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করেন মিরাজ। তিনি খাদ্য কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে বলেন, ১০ নং ওয়ার্ডে তিনি ছাড়া আর কেউ ওএমএসের মালামাল বিক্রি করতে পারবে না। এ খবর শুনে খাদ্য অফিসের ইন্সপেক্টর রাসেদ আল রিপন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তিনি বলেন মিরাজ একেবারে সেধে সেধে গোলমাল করে। তিনি ফুড কর্মকর্তা আঃ হালিম ও ডিলার ওয়াহেদুলকে লাঞ্চিত করেছে। বিষয়টি পরে বিএনপি নেতারা এসে মিমাংসা করে বলে তিনি জানান।মিরাজ বলেন ঔই স্পটে হালিম এবং ওয়াহেদুল ওএমএসর মালামাল বিক্রি করছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্পটে এসে দেখা যায় ১০ বস্তা চাউলের জায়গায় আছে ৪ বস্তা আর ১০ বস্তা আটার জায়গায় আছে ২ বস্তা। আর বাকি মালামাল কোথায় গেল এ কথা নিয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। স্পটে থাকা ডিলাররা ও খাদ্য কর্মকর্তারা পরস্পরের জোগসাজসে ওএমএস র মালামাল বাহিরে বিক্রি করে দেয়। এর প্রতিবাদ করা হয় মাত্র। তিনি আরো বলেন, ১০ নং ওয়ার্ডে ২৮ জন ডিলার লটারিতে অংশ নেয়। নিয়ম অনুযায়ী লটারিতে শাহারিয়া এন্টারপ্রাইজ প্রথম হলেও তার মাধ্যমে ওএমএস র মালামাল না দিয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও আওয়ামীলীগ নেতাদের পরস্পরের যোগসাজশে মালামাল দেওয়া হয়। এবং বাহিরে বিক্রি করা হয়। তিনি বলেন, আমি কেউর সাথে গালমন্দ ও খারাপ আচরন করিনি। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনগন তার সাথে ছিল বলে তিনি জানান।ছাত্রদল নেতা আবু সাকেহ শিমুল জানান, সকাল ১১ টার দিকে বাড়ির নিচে চেঁচামেচি শুনে বারান্দায় এসে দেখি অনেক লোকের ভিড়। আওয়ামী লীগ নেতা মিরাজ ওএমএসের চাল বিক্রেতাদের মধ্যে গালাগাল করছে। দোকানের ভিডিও করতে থাকে। ফুডের কর্মকর্তাদের দালাল, কত টাকা ঘুষ খেয়ছিস এসব কথা বলে চিৎকার করতে থাকে। এসময় ফুডের কর্মকর্তা কথা বলতে গেলে তাকে শারিরীক ভাবে মিরাজ লাঞ্চিত করে। এসময় এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

ওএমএসর চাল ও আটা বিক্রিকালে এক ডিলারের লোক আরেক ডিলার কতৃক হামলার শিকার হয়েছে। রবিবার বেলা ১১ টার দিকে খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেট সংলগ্ন ছাত্র নেতা শিমুলের বাসার নিচে একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে। সুত্র মতে ফুড কর্মকর্তা আ: হালিমের ডিও তে ওএমএসর মাল উত্তোলন করেন আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহিদুল। তিনি রবিবার সকাল থেকে ছাত্রদল নেতা শিমুলের বাড়ির নিচ তলায় একটি দোকান ভাড়া নিয়ে ওএমএসের মালামাল বিক্রি করা শুরু করেন। কিন্তু অপর ডিলার আওয়ামীলীগ নেতা মিরাজ তার দোকানের সামনে এসে মালামাল বিক্রি বন্ধ করতে বলেন। এসময় তিনি দোকানের কয়েকটি ছবি তোলেন। উপস্থিত খাদ্য বিভাগের তদারকি কর্মকর্তা কারন জিজ্ঞাসা করতে তাকে দোকান থেকে বের করে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করেন মিরাজ। তিনি খাদ্য কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে বলেন, ১০ নং ওয়ার্ডে তিনি ছাড়া আর কেউ ওএমএসের মালামাল বিক্রি করতে পারবে না। এ খবর শুনে খাদ্য অফিসের ইন্সপেক্টর রাসেদ আল রিপন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তিনি বলেন মিরাজ একেবারে সেধে সেধে গোলমাল করে। তিনি ফুড কর্মকর্তা আঃ হালিম ও ডিলার ওয়াহেদুলকে লাঞ্চিত করেছে। বিষয়টি পরে বিএনপি নেতারা এসে মিমাংসা করে বলে তিনি জানান।মিরাজ বলেন ঔই স্পটে হালিম এবং ওয়াহেদুল ওএমএসর মালামাল বিক্রি করছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্পটে এসে দেখা যায় ১০ বস্তা চাউলের জায়গায় আছে ৪ বস্তা আর ১০ বস্তা আটার জায়গায় আছে ২ বস্তা। আর বাকি মালামাল কোথায় গেল এ কথা নিয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। স্পটে থাকা ডিলাররা ও খাদ্য কর্মকর্তারা পরস্পরের জোগসাজসে ওএমএস র মালামাল বাহিরে বিক্রি করে দেয়। এর প্রতিবাদ করা হয় মাত্র। তিনি আরো বলেন, ১০ নং ওয়ার্ডে ২৮ জন ডিলার লটারিতে অংশ নেয়। নিয়ম অনুযায়ী লটারিতে শাহারিয়া এন্টারপ্রাইজ প্রথম হলেও তার মাধ্যমে ওএমএস র মালামাল না দিয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও আওয়ামীলীগ নেতাদের পরস্পরের যোগসাজশে মালামাল দেওয়া হয়। এবং বাহিরে বিক্রি করা হয়। তিনি বলেন, আমি কেউর সাথে গালমন্দ ও খারাপ আচরন করিনি। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনগন তার সাথে ছিল বলে তিনি জানান।ছাত্রদল নেতা আবু সাকেহ শিমুল জানান, সকাল ১১ টার দিকে বাড়ির নিচে চেঁচামেচি শুনে বারান্দায় এসে দেখি অনেক লোকের ভিড়। আওয়ামী লীগ নেতা মিরাজ ওএমএসের চাল বিক্রেতাদের মধ্যে গালাগাল করছে। দোকানের ভিডিও করতে থাকে। ফুডের কর্মকর্তাদের দালাল, কত টাকা ঘুষ খেয়ছিস এসব কথা বলে চিৎকার করতে থাকে। এসময় ফুডের কর্মকর্তা কথা বলতে গেলে তাকে শারিরীক ভাবে মিরাজ লাঞ্চিত করে। এসময় এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।