ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে হাসেম জুট ইন্ডাস্ট্রিজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: কোটি টাকার ক্ষতি জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত, সমতাভিত্তিক উন্নয়নে জোর। ত্যাগ-সংগ্রামের স্বীকৃতি চান সাহিদা বেগম মধুখালীতে অবৈধ মাটি উত্তোলন: জনদুর্ভোগ চরমে, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা। সালথায় গভীর রাতে খড়ের ঘরে অগ্নিসংযোগ, ক্ষয়ক্ষতি রামুতে গরু চুরির অভিযোগ, শালিসে স্বীকার করেও গা-ঢাকা অভিযুক্তরা। ফরিদপুর সদর থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী সাহিদা বেগম দুঃসময়ের ত্যাগী নেত্রী সাহিদা বেগম: সংগ্রাম ও সাহসিকতার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি ফরিদপুরে রেললাইনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু ফরিদপুরে অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের অভিযোগ, জনদুর্ভোগ চরমে।

ফরিদপুরে স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত জেনে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় স্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131106

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রেজাউল করিম বিশেষ প্রতিবেদকঃ ফরিদপুর

ফরিদপুর সদর উপজেলার পশ্চিম গঙ্গাবরদী মোঃ কালাচান শেখ নিজ শয়ন কক্ষে ১৪ মে বিকাল আনুমানিক ৪ ঘটিকার সময় ঘরের বাঁশের আরার সাথে ওরনা জাতীয় কাপড় গলায় দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ব্যাপারে নিহত কালা চান এর ভাই শহিদুল বলেন- আমার ভাইয়ের শশুর বাড়ীর লোকজনেরা প্রায় আমার ভাইকে মারধর করত। পারিবারিক ঝামেলার কারনে আমার ভাই বিভিন্ন সময় অপমান অপদস্থ হতো বলে জানান। এবিষয়ে নিহতের বোন বলেন আমার ভাইকে ফুসলিয়ে ফাসলিয়ে সমিতি থেকে দেড় লক্ষ টাকা লোন উঠিয়ে আমার ভাইয়ের শশুরকে দেন। আমার ভাই সমিতির কিস্তির টাকা চাইলে ভাইকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ মারধর করতো বলে জানান। কালাচান আত্মহত্যা করলে বাড়ীর লোকের চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ শুনে স্থানীয়রা দৌড়ে গিয়ে তাকে আরা থেকে ওরনা কেটে নামিয়ে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রথমে হাসপাতালে স্ত্রী হুমাইয়া আক্তার আসলেও ডাক্তাররা যখন কালাচানের মৃত্যু ঘোষণা করেন,এই খবর শুনে হাসপাতাল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায় হুমাইয়া আক্তার। এলাকার অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রায় সময় কালাচাঁন ও তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনেরা তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে ঝগড়াবিবাদে জড়িয়ে পড়তো। কালাচানের শ্বশুরবাড়ি ও তার বাড়ি একই গ্রামে হওয়ায় এই ধরনের ঝগড়াঝাঁটি লেগে থাকতো। কালাচান পেশায় একজন রিক্সা চালক ছিলেন তাদের ঘরে চার বছরের হাবিবা নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নিহত কালাচানের একাধিক আত্মীয়-স্বজনেরা হুমাইয়ার বাবা মোঃ লতিফ ও তার চাচা মানসিক নির্যাতন করতো বলে জানান। কালাচানের শশুর বাড়ীর কাউকে হাসপাতাল দেখা যায়নি। নিহতের মা ও বাবা বলেন আমার ছেলেকে তারা মানষিক ভাবে প্রতিনিয়ত চাপ দেয়ার কারনেই আজ তাকে জীবন দিতে হলো,সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।এব্যাপারে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসাদউজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান আপাততো এ ব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না ময়না তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে এই মৃত্যু সম্পর্কে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফরিদপুরে স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত জেনে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় স্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

রেজাউল করিম বিশেষ প্রতিবেদকঃ ফরিদপুর

ফরিদপুর সদর উপজেলার পশ্চিম গঙ্গাবরদী মোঃ কালাচান শেখ নিজ শয়ন কক্ষে ১৪ মে বিকাল আনুমানিক ৪ ঘটিকার সময় ঘরের বাঁশের আরার সাথে ওরনা জাতীয় কাপড় গলায় দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ব্যাপারে নিহত কালা চান এর ভাই শহিদুল বলেন- আমার ভাইয়ের শশুর বাড়ীর লোকজনেরা প্রায় আমার ভাইকে মারধর করত। পারিবারিক ঝামেলার কারনে আমার ভাই বিভিন্ন সময় অপমান অপদস্থ হতো বলে জানান। এবিষয়ে নিহতের বোন বলেন আমার ভাইকে ফুসলিয়ে ফাসলিয়ে সমিতি থেকে দেড় লক্ষ টাকা লোন উঠিয়ে আমার ভাইয়ের শশুরকে দেন। আমার ভাই সমিতির কিস্তির টাকা চাইলে ভাইকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ মারধর করতো বলে জানান। কালাচান আত্মহত্যা করলে বাড়ীর লোকের চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ শুনে স্থানীয়রা দৌড়ে গিয়ে তাকে আরা থেকে ওরনা কেটে নামিয়ে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রথমে হাসপাতালে স্ত্রী হুমাইয়া আক্তার আসলেও ডাক্তাররা যখন কালাচানের মৃত্যু ঘোষণা করেন,এই খবর শুনে হাসপাতাল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায় হুমাইয়া আক্তার। এলাকার অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রায় সময় কালাচাঁন ও তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনেরা তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে ঝগড়াবিবাদে জড়িয়ে পড়তো। কালাচানের শ্বশুরবাড়ি ও তার বাড়ি একই গ্রামে হওয়ায় এই ধরনের ঝগড়াঝাঁটি লেগে থাকতো। কালাচান পেশায় একজন রিক্সা চালক ছিলেন তাদের ঘরে চার বছরের হাবিবা নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নিহত কালাচানের একাধিক আত্মীয়-স্বজনেরা হুমাইয়ার বাবা মোঃ লতিফ ও তার চাচা মানসিক নির্যাতন করতো বলে জানান। কালাচানের শশুর বাড়ীর কাউকে হাসপাতাল দেখা যায়নি। নিহতের মা ও বাবা বলেন আমার ছেলেকে তারা মানষিক ভাবে প্রতিনিয়ত চাপ দেয়ার কারনেই আজ তাকে জীবন দিতে হলো,সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।এব্যাপারে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসাদউজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান আপাততো এ ব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না ময়না তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে এই মৃত্যু সম্পর্কে।