খুলনা- মোংলা মহাসড়ক যেন মরনফাদ, চরম ঝুকি নিয়ে চলছে যানবাহন।
- আপডেট সময় : ১২:১৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ৬১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :
খানা খন্দে খুলনা – মোংলা মহাসড়ক এখন মরন ফাদে পরিনত হয়েছে। এরপর ঝুকি নিয়ে চলছে বিভিন্ন যানবাহন। মোংলা হতে সড়ক যোগে একমাত্র মহাসড়ক এটি। এ সড়কের বিকল্প না থাকায় বিভিন্ন যানবাহন বাধ্য হয়েই ঝুকি নিয়ে চলছে। জানাযায়, প্রতিবছর বর্ষার মৌসুমে খুলনা মোংলা মহাসড়কের এ করুন পরিস্থিতির শিকার হয় সাধারণ মানুষ সহ বিভিন্ন পরিবহনের চালকরা। আর প্রতি বছর নামমাত্র সড়ক সংস্কার করা হয় এ মহাসড়ক। কিছু দিন আগেও এ মহাসড়ক সংস্কার করা হয়েছে। অল্প দিনের ব্যবধানে আবারও সড়কটি একই দশা। অল্পদিনের সংস্কারে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে হয়ে পড়ায় সংস্কার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এলাকার সাধারণ মানুষ। খানা খন্দে ভরা এসড়কে যান চলাচলে ঘটছে দুর্ঘটনা। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ভুক্তোভোগীদের। আর রাতের বেলায় এ মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করা আরো কষ্টকর। মহাসড়কের কোথাও নেই কোন ল্যাম্প পোস্ট, নেই আলো। অন্ধকারে ভ্যান, সাইকেল, মোটরসাইকেল সহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সুত্র মতে, দেশের দ্ধিতীয় বৃহত্তম মোংলা সমুদ্র বন্দর। এ বন্দরের আমদানি রপ্তানি পন্যসহ স্থায়ীভাবে গড়ে ওঠা উৎপাদনমুখী ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের স্থল পথে পন্য পরিবহন ও যাতায়তের একমাত্র মাধ্যমে মোংলা – খুলনা মহাসড়ক। মহাসড়কটির সড়ক ও জনপথ বিভাগের ২৫ কিলোমিটার এবং ৫ কিলোমিটার মোংলা বন্দরের আওতায়। মহাসড়ক জুড়েই খানাখন্দে পরিনত হওয়ায় নানা দুর্ভোগে পড়ছে হাজার হাজার পন্যবাহী সহ সকল প্রকার যানবাহন ও পথচারীরা। এছাড়া খুলনা মহাসড়কের কুদির গাছতলা মোড়, লকপুর এলাকার কিছু অংশ কাটাখালি মোড়, শ্যামবাগাও, চুলকাঠি এলাকার কিছু মোড়, বিমানবন্দর এর সামনে মহাসড়কের বেশকিছু অংশ ছোট বড় গর্ত ও খানাখন্দ রয়েছে। এ সড়কে চলাচলকারী গারি চালক রিপন, হানিফ, আল আমিন জানান, একটু বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে যায়। ভারী যানবাহন চলাচল করায় সড়কের সংস্কারের কাজ বেশিদিন টেকেনি। এতে নানা ভোগান্তির পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে গাড়ির চাকা যন্ত্রাংশ। এই মহাসড়ক দিয়ে সাইকেল যোগে প্রতিদিন খুলনায় যাওয়া হাসান আলী বলেন, নিয়মিত গতানুগতিক মেরামত কাজ চললেও ভারী যানবাহন চলাচলের কারনে ফের ভেঙে যায়। এতে প্রায় আমরা মোটরসাইকেল নিয়ে পড়ে গেলে পেছন থেকে আসা ভারী যানবাহনের দ্ধারা জীবননাশের মত দুর্ঘটনার সম্ভাবনা ও থেকে যায়। পথচারীরা জানান, সড়কটি ব্যবহারে আমাদের যেমন সময় নষ্ট হয় তেমন অর্থও। তাই কতৃপক্ষকে অনুরোধ করবো দ্রত এ সড়কটি যেন মেরামত করা হয়। বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, বর্ষা মৌসুমের কারনে টানা একমাস বৃষ্টিতে বটতলা থেকে দিগরাজ পর্যন্ত মহাসড়কে খনাখন্দে পরিনত হয়েছে। ইতিমধ্যে বাগেরহাট সড়ক বিভাগের একটি ট্রাক দিয়ে মহাসড়কের কাজ চলছে, কিছু কাজ শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে বাকি শেষ হবে বলে তিনি আশা করছেন। তিনি আরো বলেন, দিগরাজ থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত সড়কের দেখভালের দায়িত্ব মোংলা বন্দর কতৃপক্ষের।

























