ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শোক সংবাদ ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ২৫০ শয্যার, নির্মাণের উদ্যোগ ১৫ তলা আধুনিক ভবনের পত্নীতলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিবচরে যুবলীগ নেতার দাপট, ভয়-ভীতি ও মারধর করে জমি দখলের অভিযোগ সদরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত অভিযুক্তের বাড়ির সামনেই ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা নেওয়া ও বাড়ি বিক্রির কথা বলে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বালিয়াকান্দিতে দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফরিদপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ফিলিং স্টেশনের ৫ ডিসপেন্সিং ইউনিট সিলগালা ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলর তিন বন্ধু নিহত অনিয়ম ও অবহেলা সহ্য করা হবে না: সদরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৩ সেবিকা বদলি

মাগুরায় জিওমার্ক লি: সুপারভাইজার আবির হোসেনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মাগুরা প্রতিনিধি:

জিওমার্ক লি: এর মাগুরা সুপারভাইজার আবির হোসেন এর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, তিনি বিভিন্নভাবে কোম্পানির অর্থ আত্মসাৎ, নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ, হাজিরা বাড়িয়ে ভুয়া বিল উত্তোলনসহ দায়িত্বে অবহেলার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন।

 

ভুক্তভোগী জাকির হোসেন, যিনি ২২ জুন থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত জিওমার্ক-এ Field Enumerator পদে কর্মরত ছিলেন, অভিযোগ করেন—তিনি সততার সঙ্গে মাঠ পর্যায়ের জরিপ সম্পন্ন করলেও হঠাৎ পারিবারিক সমস্যার কারণে চাকরি ছাড়তে হয়। কিন্তু এখনও তার ১৩ দিনের বেতন বকেয়া রাখা হয়েছে। যদিও কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী বেতন ২০ জুলাই প্রদান করা হয়েছিল, তবে সুপারভাইজার আবির হোসেন ইচ্ছাকৃতভাবে তা আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন জাকির।

 

অভিযোগ রয়েছে, আবির হোসেন—

 

মাঠকর্মীদের হাজিরা বাড়িয়ে ভুয়া বিল তৈরি করেন,

 

নিম্নমানের মালামাল কিনে উচ্চমানের ভাউচার দেখান,

 

অফিস সময়ের অধিকাংশ সময় বাসায় অবস্থান করেন,

 

জরিপকারীদের সঠিক নিয়মে মাঠে না পাঠিয়ে খাতায় তথ্য লিখে আনার জন্য উৎসাহ দেন।

 

 

ফলে মাগুরা শহরের নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনা জরিপের ৬০% তথ্য ভুল হচ্ছে বলে স্থানীয় শিক্ষিত সমাজের দাবি। ভুল নাম, ভুয়া মিটার নম্বর, সদস্য সংখ্যা বিভ্রাট, টিনের বাড়িকে পাকা দেখানোসহ নানা অসঙ্গতির জন্য প্রকল্পের মান নষ্ট হচ্ছে।

 

একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় নাগরিক বলেন, “আবির একজন মাদকসেবী। তিনি নিয়মিত ভাড়া ও অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত ভাউচার দেখিয়ে কোম্পানির টাকা আত্মসাৎ করেন।”

 

ভুক্তভোগী জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, “যদি দ্রুতই জিওমার্ক লি: এর হেড অফিস কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নেয়, তবে কোম্পানির মানসম্মান ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি প্রকল্পের মান মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটবে।”

 

স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জিওমার্ক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাগুরায় জিওমার্ক লি: সুপারভাইজার আবির হোসেনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:১২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

মাগুরা প্রতিনিধি:

জিওমার্ক লি: এর মাগুরা সুপারভাইজার আবির হোসেন এর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, তিনি বিভিন্নভাবে কোম্পানির অর্থ আত্মসাৎ, নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ, হাজিরা বাড়িয়ে ভুয়া বিল উত্তোলনসহ দায়িত্বে অবহেলার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন।

 

ভুক্তভোগী জাকির হোসেন, যিনি ২২ জুন থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত জিওমার্ক-এ Field Enumerator পদে কর্মরত ছিলেন, অভিযোগ করেন—তিনি সততার সঙ্গে মাঠ পর্যায়ের জরিপ সম্পন্ন করলেও হঠাৎ পারিবারিক সমস্যার কারণে চাকরি ছাড়তে হয়। কিন্তু এখনও তার ১৩ দিনের বেতন বকেয়া রাখা হয়েছে। যদিও কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী বেতন ২০ জুলাই প্রদান করা হয়েছিল, তবে সুপারভাইজার আবির হোসেন ইচ্ছাকৃতভাবে তা আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন জাকির।

 

অভিযোগ রয়েছে, আবির হোসেন—

 

মাঠকর্মীদের হাজিরা বাড়িয়ে ভুয়া বিল তৈরি করেন,

 

নিম্নমানের মালামাল কিনে উচ্চমানের ভাউচার দেখান,

 

অফিস সময়ের অধিকাংশ সময় বাসায় অবস্থান করেন,

 

জরিপকারীদের সঠিক নিয়মে মাঠে না পাঠিয়ে খাতায় তথ্য লিখে আনার জন্য উৎসাহ দেন।

 

 

ফলে মাগুরা শহরের নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনা জরিপের ৬০% তথ্য ভুল হচ্ছে বলে স্থানীয় শিক্ষিত সমাজের দাবি। ভুল নাম, ভুয়া মিটার নম্বর, সদস্য সংখ্যা বিভ্রাট, টিনের বাড়িকে পাকা দেখানোসহ নানা অসঙ্গতির জন্য প্রকল্পের মান নষ্ট হচ্ছে।

 

একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় নাগরিক বলেন, “আবির একজন মাদকসেবী। তিনি নিয়মিত ভাড়া ও অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত ভাউচার দেখিয়ে কোম্পানির টাকা আত্মসাৎ করেন।”

 

ভুক্তভোগী জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, “যদি দ্রুতই জিওমার্ক লি: এর হেড অফিস কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নেয়, তবে কোম্পানির মানসম্মান ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি প্রকল্পের মান মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটবে।”

 

স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জিওমার্ক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।