ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবচরে আধুনিক ডাকবাংলোর শুভ উদ্বোধন সদরপুরে মোবাইল ব্যবসায়ীকে হানিট্র্যাপে ফেলে ১৮ ঘণ্টা জিম্মি ও টাকা লুটের অভিযোগ: ২ নারী আটক শারদীয়া দুর্গাপূজা ষষ্ঠ থেকে দশমি পর্যন্ত পাঁচ দিন ব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত সদরপুরে ৩৫টি মণ্ডপে পালিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা, আজ প্রতিমা বিসর্জন বালিয়াকান্দি উপজেলা শালমারা নিশ্চিন্তপুর শালিকী গ্রাম স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ‎শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপির নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান নিহত ‎। ফরিদপুরে দেড় কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার দীর্ঘ ১৮৫ বছরের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল ফরিদপুর পৌরসভা। দেশকে অস্থিতিশীল করতে পতিত অপশক্তির দোসররা নানা ষড়যন্ত্র করছে: রিজভী কালিয়াকৈরে আবাসিক হোটেলে অভিযান, নারী পুরুষ সহ ৩৯ জনকে আটক 

জাতীয় পরিচয়পত্রে বাধ্যতামূলক মোবাইল নম্বর সংযুক্তির ব্যাপারে আমার কিছু কথা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্তে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আমার আহ্বান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ১৪০ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রেজাউল করিম,ফরিদপুর

বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ২০০৬ সালের ২২ জুলাই। সেই সময় থেকে দেশের নাগরিকদের তথ্য ডাটাবেজভুক্ত করে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের যেকোনো স্থান থেকে নাগরিকরা জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারতেন। পাশাপাশি ঠিকানা পরিবর্তনের সুবিধাও চালু ছিল, যা এখনো চলমান রয়েছে।
কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নাগরিক সেবায় আরও আধুনিক ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার দাবি—জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় প্রত্যেক নাগরিকের ব্যক্তিগত একটি মোবাইল নম্বর এবং পরিবারের একজন সদস্যের বিকল্প মোবাইল নম্বর বাধ্যতামূলকভাবে ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হোক।
বর্তমানে অসংখ্য মানুষ জীবিকার তাগিদে নিজ জেলা ছেড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন। অনেকেই কর্মস্থল, ব্যবসা কিংবা দৈনন্দিন প্রয়োজনে দূর-দূরান্তে যাতায়াত করেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক সময় দুর্ঘটনা, অসুস্থতা কিংবা নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় কেউ মারা গেলে তার পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির কাছে কোনো পরিচয়পত্র থাকে না, আবার জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানায়ও তিনি বসবাস করেন না।
এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নানা জটিলতার মুখোমুখি হয়। অনেক সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলিয়েও দ্রুত পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায় না। ফলে পরিচয়হীন অবস্থায় অনেক লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করতে হয়, যা অত্যন্ত মানবিক ও বেদনাদায়ক একটি বিষয়।
যদি জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজে নাগরিকের নিজস্ব মোবাইল নম্বরের পাশাপাশি পরিবারের একজন সদস্যের নম্বর সংরক্ষিত থাকতো, তাহলে খুব সহজেই সংশ্লিষ্ট পরিবারকে খুঁজে বের করা সম্ভব হতো। এতে একদিকে যেমন প্রশাসনিক জটিলতা কমবে, অন্যদিকে পরিবারও দ্রুত তাদের স্বজনের খবর জানতে পারবে।
ডিজিটাল বাংলাদেশের এই সময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন সচেতন মহল।
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সরকারের কাছে এটাই আমার জোরালো দাবি—জাতীয় পরিচয়পত্রে বাধ্যতামূলকভাবে দুইটি মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করার ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জাতীয় পরিচয়পত্রে বাধ্যতামূলক মোবাইল নম্বর সংযুক্তির ব্যাপারে আমার কিছু কথা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্তে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আমার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

রেজাউল করিম,ফরিদপুর

বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ২০০৬ সালের ২২ জুলাই। সেই সময় থেকে দেশের নাগরিকদের তথ্য ডাটাবেজভুক্ত করে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের যেকোনো স্থান থেকে নাগরিকরা জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারতেন। পাশাপাশি ঠিকানা পরিবর্তনের সুবিধাও চালু ছিল, যা এখনো চলমান রয়েছে।
কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নাগরিক সেবায় আরও আধুনিক ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার দাবি—জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় প্রত্যেক নাগরিকের ব্যক্তিগত একটি মোবাইল নম্বর এবং পরিবারের একজন সদস্যের বিকল্প মোবাইল নম্বর বাধ্যতামূলকভাবে ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হোক।
বর্তমানে অসংখ্য মানুষ জীবিকার তাগিদে নিজ জেলা ছেড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন। অনেকেই কর্মস্থল, ব্যবসা কিংবা দৈনন্দিন প্রয়োজনে দূর-দূরান্তে যাতায়াত করেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক সময় দুর্ঘটনা, অসুস্থতা কিংবা নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় কেউ মারা গেলে তার পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির কাছে কোনো পরিচয়পত্র থাকে না, আবার জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানায়ও তিনি বসবাস করেন না।
এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নানা জটিলতার মুখোমুখি হয়। অনেক সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলিয়েও দ্রুত পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায় না। ফলে পরিচয়হীন অবস্থায় অনেক লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করতে হয়, যা অত্যন্ত মানবিক ও বেদনাদায়ক একটি বিষয়।
যদি জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজে নাগরিকের নিজস্ব মোবাইল নম্বরের পাশাপাশি পরিবারের একজন সদস্যের নম্বর সংরক্ষিত থাকতো, তাহলে খুব সহজেই সংশ্লিষ্ট পরিবারকে খুঁজে বের করা সম্ভব হতো। এতে একদিকে যেমন প্রশাসনিক জটিলতা কমবে, অন্যদিকে পরিবারও দ্রুত তাদের স্বজনের খবর জানতে পারবে।
ডিজিটাল বাংলাদেশের এই সময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন সচেতন মহল।
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সরকারের কাছে এটাই আমার জোরালো দাবি—জাতীয় পরিচয়পত্রে বাধ্যতামূলকভাবে দুইটি মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করার ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক।