ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দিনে-দুপুরে জমিদার বাড়ির ‘বউঘাট’ খুঁড়ে নেওয়া হচ্ছে গুপ্তধন জোয়াইড় মোড়ে মাদকবিরোধী মানববন্ধন: সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ ফরিদপুর পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে সমর্থন চাইছেন জুলফিকার হোসেন জুয়েল ফরিদপুরে অবৈধ মাটি উত্তোলন, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা ফরিদপুর সদর কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে অবৈধ মাটি উত্তোলন, আতঙ্কে এলাকাবাসী ফরিদপুরে নতুন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম প্রশাসনে গতি ও জনসেবায় নতুন প্রত্যাশা বিএসটিআইয়ের সার্ভিল্যান্স অভিযান: ফরিদপুরে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্যে মিলল ব্যাপক অনিয়ম জনস্বার্থে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল, প্রতিশ্রুতিতে অবিচল নেতৃত্ব হাতকড়া পরা আ.লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল নেতা কর্মীরা, পুলিশের ওপর হামলায় আহত অন্তত ৫

ফরিদপুরে নতুন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম প্রশাসনে গতি ও জনসেবায় নতুন প্রত্যাশা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:

ফরিদপুর জেলার প্রশাসনিক নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অভিজ্ঞ সরকারি কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম। বুধবার (২২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিনি এর আগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক (উপসচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সরকারি নীতিমালার ধারাবাহিকতায় উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। সেই বিবেচনায় প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ মাজহারুল ইসলামের এ পদায়নকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদপুর জেলার সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি জেলার প্রশাসনিক কাঠামোর নেতৃত্ব দেবেন। পাশাপাশি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাও তার অন্যতম প্রধান কর্তব্য।
এছাড়া কালেক্টর হিসেবে ভূমি ব্যবস্থাপনা, খাসজমি সংরক্ষণ, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম তদারকির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করবেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসনকে আরও কার্যকর, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক করতে জেলা প্রশাসকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নেও জেলা প্রশাসকের ভূমিকা অপরিসীম। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে সমন্বয়কের ভূমিকাও পালন করবেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকায় সামাজিক অপরাধ দমন, বিশেষ করে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করতে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যুবসমাজকে সচেতন করা, অপরাধপ্রবণতা হ্রাস এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তার এই অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
ফরিদপুরবাসীর প্রত্যাশা, নতুন জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও গতিশীল হবে। সেবার মানোন্নয়ন, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার।
উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসক পদটি মাঠ প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বপূর্ণ অবস্থান। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে স্থানীয় পর্যায়ের নানা জটিলতা সমাধান—সব ক্ষেত্রেই এ পদটির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নতুন ডিসি মাজহারুল ইসলামের যোগদানের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরে প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি ও ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরে নতুন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম প্রশাসনে গতি ও জনসেবায় নতুন প্রত্যাশা

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:

ফরিদপুর জেলার প্রশাসনিক নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অভিজ্ঞ সরকারি কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম। বুধবার (২২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিনি এর আগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক (উপসচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সরকারি নীতিমালার ধারাবাহিকতায় উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। সেই বিবেচনায় প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ মাজহারুল ইসলামের এ পদায়নকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদপুর জেলার সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি জেলার প্রশাসনিক কাঠামোর নেতৃত্ব দেবেন। পাশাপাশি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাও তার অন্যতম প্রধান কর্তব্য।
এছাড়া কালেক্টর হিসেবে ভূমি ব্যবস্থাপনা, খাসজমি সংরক্ষণ, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম তদারকির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করবেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসনকে আরও কার্যকর, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক করতে জেলা প্রশাসকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নেও জেলা প্রশাসকের ভূমিকা অপরিসীম। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে সমন্বয়কের ভূমিকাও পালন করবেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকায় সামাজিক অপরাধ দমন, বিশেষ করে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করতে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যুবসমাজকে সচেতন করা, অপরাধপ্রবণতা হ্রাস এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তার এই অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
ফরিদপুরবাসীর প্রত্যাশা, নতুন জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও গতিশীল হবে। সেবার মানোন্নয়ন, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার।
উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসক পদটি মাঠ প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বপূর্ণ অবস্থান। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে স্থানীয় পর্যায়ের নানা জটিলতা সমাধান—সব ক্ষেত্রেই এ পদটির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নতুন ডিসি মাজহারুল ইসলামের যোগদানের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরে প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি ও ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।