মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জ, দৌলতপুরের চরকাটারীতে।
- আপডেট সময় : ১১:৪৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

রাবেয়া সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধি
মাদককে না বলুন,খেলাকে হ্যাঁ বলুন এই শ্লোগানকে সামনে রেখে চরকাটারী সবুজ সেনা এলামনাই এসোসিয়েশনের ক্রীড়া পরিষদ আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত। ২৯ শে মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ৩ দিনে ২৩ টি ব্যাচের ১ম, ২য় রাউন্ড, সেমিফাইনাল এবং ৩১ শে মে ফাইনাল খেলার সমাপ্তি হয়।
উক্ত টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মাননীয় সাংসদ, মানিকগঞ্জ -১, এস,এ,জিন্নাহ কবির। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সবুজ সেনা এলামনাই ক্রীড়া পরিষদের সভাপতি প্রকৌশলী মোঃ মহিদুর রহমান। ঈদ আনন্দ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এ আরো উপস্থিত ছিলেন, চরকাটারী সবুজ সেনা এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ আরশাদ উল্লোহ, সিনিয়র সহ সভাপতি -প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল করিম, সাবেক দ্রুত মানব- মোঃ মাসুদুল করিম,কানুনগো- মোঃ জুলফিকার আলি ভুট্টো,কানুনগো মোঃ শামসুল ইসলাম, প্রকৌশলী আজিজুল হক,প্রফেসর মোঃ শহিদুল ইসলাম, প্রফেসর সাইদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রশিদ কর্মকার, চেয়ারম্যান মোঃআইয়ুব আলী মন্ডল, এ,এস,পি মোঃ শরিফুল ইসলাম, চরকাটারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,ওসি মোঃ ওয়াজেদ আলী,প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক রাবেয়া সুলতানা, রেফারী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মোঃ সিহাব মাষ্টার এবং আব্দুল লতিফ। ধারা ভাষ্যকর হিসেবে ছিলেন মোঃ মনির হোসেন। চরকাটারী সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিজুল হক এবং অন্যান্য শিক্ষকন্ডলী এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ বাবুল আক্তার। ২৩ টিমের মধ্যে ২০১৬ ব্যাচ বনাম ২০২১ ব্যাচ ফাইনাল খেলায় অংশ গ্রহন করে ২০১৬ ব্যাচ কে ২০২১ ব্যাচ ৫-০ গোলে পরাজিত করে।
মাননীয় সংসদ সদস্য জিন্নাহ কবিরের সাথে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব দলের আহবায়ক কাজী মুস্তাক হোসেন দিপু,সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক, ব্যারিষ্টার জাওয়াদুল করিম নয়নসহ একঝাঁক নেতা কর্মী ও এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তব্যে মাননীয় এম,পি জনাব এস,এ, জিন্নাহ কবির বলেন মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। যুব সমাজের কাছে আমার একটাই দাবী মাদক ছেড়ে মাঠে আসুন। তিনি আরো বলেন আমি নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে আন্তর্জাতিক শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলবো,খেলার মাঠ স্থায়ীভাবে গড়ে দেবো,বিনোদনের জন্য পার্কের ব্যবস্থা করে দেবো। যুব সমাজকে মাদক ছেড়ে মাঠে আসতে হবে, আমি এলাকায় উন্নয়ন করবো।
খেলা শেষে পুরষ্কার ও ট্রফি তুলে দেয়া হয় ফলে যমুনা নদীর তীরে বয়ে যায় এক আনন্দের নহর।









