ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টঙ্গীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল, নিষিদ্ধ সংগঠনের কথিত চোরাগোপ্তা তৎপরতার প্রতিবাদের দাবি ২০০ টাকার বাকবিতণ্ডা থেকে প্রাণহানি! লাথির আঘাতে যুবকের মৃত্যু। সম্পত্তির লোভে মায়ের ওপর নৃশংস হামলা, ধামইরহাটে ছেলে গ্রেফতার গজারিয়া বাজার লিটিল স্টার কিন্ডারগার্টেন স্কুলে বৃত্তি ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে শামা ওবায়েদকে সংবর্ধনা ফরিদপুরে ইয়াবা সেবনের গ্যাস লাইটার চাওয়া কে কেন্দ্র করে অসহায় বোতল সংগ্রহকারীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিলেন মাস্টারের ছেলে অসুস্থতার ছুটি না পেয়ে রাতের ডিউটিতে শ্রমিকের মৃত্যু, কারখানার সামনে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় পরিচালকের ১০ বছরের কারাদণ্ড

টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের সফল অভিযান: অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট ও বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছ জব্দ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫ ৬২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে : 

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড টেকনাফ উপকূলীয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট এবং বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছে। এই অভিযানটি পরিচালিত হয় টেকনাফের শাহপরী দ্বীপ সংলগ্ন গভীর সমুদ্র এলাকায়, যেখানে বেশ কিছুদিন ধরে অবৈধ মাছ ধরার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল।

 

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফের একটি বিশেষ দল গতকাল রাতে একটি সুনির্দিষ্ট এলাকায় নজরদারি শুরু করে। গভীর রাতের দিকে সন্দেহজনকভাবে চলমান একটি ট্রলিং বোটকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে ট্রলিং বোটটির কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় সেটিকে অবৈধ ঘোষণা করে জব্দ করা হয়।

 

তল্লাশির সময় বোটটির ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মাছগুলো অবৈধভাবে গভীর সমুদ্র থেকে আহরণ করা হয়েছিল। এছাড়া, ট্রলিং বোটটি আর্টিসানাল লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও গভীর সমুদ্র এলাকায় চলাচল করছিল, যা মৎস্য সম্পদ আইনের লঙ্ঘন।

 

এ বিষয়ে কোস্ট গার্ডের এক মুখপাত্র জানান—

 

“সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও বাংলাদেশের জলসীমায় টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমাদের নিয়মিত টহল এবং অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। অবৈধভাবে পরিচালিত যেকোনো নৌযান ও ট্রলার রোধে কোস্ট গার্ড সর্বদা তৎপর রয়েছে।”

 

জব্দকৃত মাছ ও বোট পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় মৎস্য অফিস ও সংশ্লিষ্ট থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্তকরণ ও আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

 

এ ধরনের অভিযান সমুদ্র সীমায় অবৈধ মাছ ধরার প্রবণতা রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সমুদ্রসম্পদ রক্ষা করা সম্ভব।

 

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানায়, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ রোধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের সফল অভিযান: অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট ও বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছ জব্দ

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

 

 

 

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে : 

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড টেকনাফ উপকূলীয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট এবং বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছে। এই অভিযানটি পরিচালিত হয় টেকনাফের শাহপরী দ্বীপ সংলগ্ন গভীর সমুদ্র এলাকায়, যেখানে বেশ কিছুদিন ধরে অবৈধ মাছ ধরার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল।

 

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফের একটি বিশেষ দল গতকাল রাতে একটি সুনির্দিষ্ট এলাকায় নজরদারি শুরু করে। গভীর রাতের দিকে সন্দেহজনকভাবে চলমান একটি ট্রলিং বোটকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে ট্রলিং বোটটির কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় সেটিকে অবৈধ ঘোষণা করে জব্দ করা হয়।

 

তল্লাশির সময় বোটটির ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মাছগুলো অবৈধভাবে গভীর সমুদ্র থেকে আহরণ করা হয়েছিল। এছাড়া, ট্রলিং বোটটি আর্টিসানাল লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও গভীর সমুদ্র এলাকায় চলাচল করছিল, যা মৎস্য সম্পদ আইনের লঙ্ঘন।

 

এ বিষয়ে কোস্ট গার্ডের এক মুখপাত্র জানান—

 

“সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও বাংলাদেশের জলসীমায় টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমাদের নিয়মিত টহল এবং অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। অবৈধভাবে পরিচালিত যেকোনো নৌযান ও ট্রলার রোধে কোস্ট গার্ড সর্বদা তৎপর রয়েছে।”

 

জব্দকৃত মাছ ও বোট পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় মৎস্য অফিস ও সংশ্লিষ্ট থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্তকরণ ও আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

 

এ ধরনের অভিযান সমুদ্র সীমায় অবৈধ মাছ ধরার প্রবণতা রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সমুদ্রসম্পদ রক্ষা করা সম্ভব।

 

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানায়, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ রোধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা হবে।