ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নগরকান্দায় সারের ডিলার নিয়োগের জেরে যুবদল নেতাকে হাতুড়িপেটা, আহত ৫ ‎ ‎শিবচরে শিরুয়াইল তরুণ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী নূরুল ইসলাম খলিফার পরিচিতি সভা ‎ ‎ ‎ কালিয়াকৈরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায়, ১৪৯ মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে শিবচরে রাতের আঁধারে জমি দখল ও গাছ কাটার অভিযোগ,ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন গুনি সাংবাদিক হারুন আনসারীর বিকৃত ছবি ছড়ানোর অভিযোগে থানায় জিডি পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে জা’র হামলায় গৃহবধূ রক্তাক্ত জখম, থানায় অভিযোগ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া ফরিদপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, তদন্ত দাবি বঞ্চিতদের। ‎কালিয়াকৈরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠকর্মী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ

ফরিদপুর মেডিকেলে ‘পর্দা কেলেঙ্কারি’: ৬ জন খালাস, ৬ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ২৭২ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রেজাউল করিম-ফরিদপুর

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহুল আলোচিত ‘পর্দা কেলেঙ্কারি’ ও আইসিইউ সরঞ্জাম ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নতুন মোড় নিয়েছে। আদালত ১২ আসামির মধ্যে ৬ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন এবং অপর ৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শরিফউদ্দিন এ আদেশ দেন। শুনানি শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কুব্বাত হোসেন।
আদালত যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের পর্যাপ্ত ভিত্তি খুঁজে পাননি, তারা হলেন— মিজানুর রহমান, শেখ আব্দুল ফাত্তাহ, মো. আলমগীর ফকির, আব্দুস সাত্তার, ওমর ফারুক এবং মিয়া মোর্তজা হোসাইন।
অন্যদিকে মামলার অবশিষ্ট ৬ আসামির মধ্যে দুইজন এখনও পলাতক রয়েছেন— বরুণ কান্তি বিশ্বাস ও মুনশী কাফরুল হুসাইন। বাকি চারজন— আব্দুল্লা আল মামুন, মুন্সী সাজ্জাদ হোসাইন, এনামুল হক এবং মো. আলমগীর কবির বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।
২০১৫ সালে হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিট চালুর জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম সরবরাহ করে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে বিল পরিশোধ না হওয়ায় বিষয়টি উচ্চ আদালতে গড়ায়। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্তে নামে এবং ২০১৯ সালে মামলা দায়ের করা হয়।
তদন্তের বিভিন্ন ধাপে একাধিকবার অভিযোগপত্র সংশোধন করা হয়। সর্বশেষ ২০২৫ সালের আগস্টে ১২ জনকে অভিযুক্ত করে নতুন করে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়।
অব্যাহতি পাওয়া আসামিদের পক্ষে আইনজীবী এম এ সামাদ দাবি করেন, মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সরঞ্জাম সরবরাহ যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছিল এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট অর্থও পরিশোধ করা হয়েছে। ফলে আত্মসাতের অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুর মেডিকেলে ‘পর্দা কেলেঙ্কারি’: ৬ জন খালাস, ৬ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

 

রেজাউল করিম-ফরিদপুর

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহুল আলোচিত ‘পর্দা কেলেঙ্কারি’ ও আইসিইউ সরঞ্জাম ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নতুন মোড় নিয়েছে। আদালত ১২ আসামির মধ্যে ৬ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন এবং অপর ৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শরিফউদ্দিন এ আদেশ দেন। শুনানি শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কুব্বাত হোসেন।
আদালত যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের পর্যাপ্ত ভিত্তি খুঁজে পাননি, তারা হলেন— মিজানুর রহমান, শেখ আব্দুল ফাত্তাহ, মো. আলমগীর ফকির, আব্দুস সাত্তার, ওমর ফারুক এবং মিয়া মোর্তজা হোসাইন।
অন্যদিকে মামলার অবশিষ্ট ৬ আসামির মধ্যে দুইজন এখনও পলাতক রয়েছেন— বরুণ কান্তি বিশ্বাস ও মুনশী কাফরুল হুসাইন। বাকি চারজন— আব্দুল্লা আল মামুন, মুন্সী সাজ্জাদ হোসাইন, এনামুল হক এবং মো. আলমগীর কবির বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।
২০১৫ সালে হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিট চালুর জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম সরবরাহ করে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে বিল পরিশোধ না হওয়ায় বিষয়টি উচ্চ আদালতে গড়ায়। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্তে নামে এবং ২০১৯ সালে মামলা দায়ের করা হয়।
তদন্তের বিভিন্ন ধাপে একাধিকবার অভিযোগপত্র সংশোধন করা হয়। সর্বশেষ ২০২৫ সালের আগস্টে ১২ জনকে অভিযুক্ত করে নতুন করে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়।
অব্যাহতি পাওয়া আসামিদের পক্ষে আইনজীবী এম এ সামাদ দাবি করেন, মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সরঞ্জাম সরবরাহ যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছিল এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট অর্থও পরিশোধ করা হয়েছে। ফলে আত্মসাতের অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।