ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরের সালথায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, থানায় এজাহার দায়ের। নওগাঁ মধ্যরাতের অভিযানে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পত্নীতলায় ১৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সদরপুরে ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে সাংবাদিকতার পরিচয়ের আড়ালে মাদক ব্যবসা জরুরি বিজ্ঞপ্তিঃ তারিখ ০৮-০৬-২০২৬ ইং  ৬৫ শতাংশ গ্রাহককে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুচ্চালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ বোয়ালমারীতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে তিন সন্তানের জনক গ্রেপ্তার

টেকনাফের হ্নীলায় নৌবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, সীমান্ত এলাকায় নতুন আস্তানা গড়ার অভিযোগে আতঙ্ক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৭১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গ্রেনেড ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনার পর এবার সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন করে আস্তানা গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে কথিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। এতে স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমুরাপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীর সীমান্ত এলাকায় সম্প্রতি মোটা অংকের টাকায় জমি ক্রয় করে বাউন্ডারি নির্মাণের মাধ্যমে নতুন আস্তানা তৈরির কাজ চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এসব স্থানে মাদক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে হ্নীলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড কোনাপাড়া এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি দেশি পিস্তল, ১টি একনলা বন্দুক, ১০টি গ্রেনেড, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ওই অভিযানের মূল টার্গেট কথিত সন্ত্রাসী “লম্বা মিজান” এখনো গ্রেপ্তার হয়নি বলে জানা গেছে।

নাটমুরাপাড়ার বাসিন্দারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারগুলো আতঙ্কে রয়েছে। অনেকে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল, অভিযান এবং সন্দেহভাজন আস্তানাগুলোতে তদন্ত চালানোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

টেকনাফের হ্নীলায় নৌবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, সীমান্ত এলাকায় নতুন আস্তানা গড়ার অভিযোগে আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গ্রেনেড ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনার পর এবার সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন করে আস্তানা গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে কথিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। এতে স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমুরাপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীর সীমান্ত এলাকায় সম্প্রতি মোটা অংকের টাকায় জমি ক্রয় করে বাউন্ডারি নির্মাণের মাধ্যমে নতুন আস্তানা তৈরির কাজ চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এসব স্থানে মাদক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে হ্নীলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড কোনাপাড়া এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি দেশি পিস্তল, ১টি একনলা বন্দুক, ১০টি গ্রেনেড, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ওই অভিযানের মূল টার্গেট কথিত সন্ত্রাসী “লম্বা মিজান” এখনো গ্রেপ্তার হয়নি বলে জানা গেছে।

নাটমুরাপাড়ার বাসিন্দারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারগুলো আতঙ্কে রয়েছে। অনেকে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল, অভিযান এবং সন্দেহভাজন আস্তানাগুলোতে তদন্ত চালানোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।