ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গাজী আব্দুল হকের ইন্তেকাল ফরিদপুরে অম্বিকাপুর ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে আলোচনা সভা ও কমিটি গঠন  শিবচরে মেধার জয়জয়কার: ইকরা একাডেমীক কোচিং সেন্টারের ৪ শিক্ষার্থীর অনন্য সাফল্য জয়পুরহাট সীমান্তে ৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধা ফরিদপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা চায়না দুয়ারী ও বাঁশের বাঁধ দিয়ে দেশীয় মাছ নিধনে অস্তিত্ব সংকটে  ফরিদপুর জেলার কানাইপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ ফরিদপুরে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ, ঝুঁকিতে রাস্তা ও কৃষিজমি কিবরিয়া স্বপনের সহধর্মিনীর মৃত্যুতে ফরিদপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের গভীর শোক কিবরিয়া স্বপনের সহধর্মিনীর মৃত্যুতে এমপি নায়াব ইউসুফের গভীর শোক

মঙ্গল শোভাযাত্রা” হয়েছে “আনন্দ শোভাযাত্রা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ -ফরিদপুর এর fb থেকে সংগৃহীত 

সুশীল ও পণ্ডিতরা বলছেন “মঙ্গল” শব্দ হিন্দুয়ানী তাই বাদ দিয়েছে। তাই “সোমবার, মঙ্গলবার” এসবের নামও বদলাতে বলছেন!তাই ভাবলাম এই ব্যাপারে ২ টা কথা বলি…মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই ভাই সংস্কৃত শব্দ! যদি এটাকে হিন্দুয়ানী বলেন সেই যুক্তিতে ২ টাই হিন্দুয়ানী শব্দ!তবে নাম পরিবর্তন করার পিছনে এখানে ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত! অন্য ধর্মের কথা জানিনা তবে ইসলাম এর সাথে “মঙ্গল কামনা করে শোভাযাত্রা” পালন করায় সরাসরি কনফ্লিক্ট আছে। মঙ্গল কামনা করে গলায় তাবিজ লাগানোই তো শিরক, সেখানের এটাও শিরক!উদাহরণ স্বরূপ, আমরা কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করি। বাস্তবে এটা কিন্তু শুধু একটা দিক নির্দেশের জন্য। যদি আমরা মনে করি কাবা ঘরকে সেজদা দিচ্ছি তাহলে আমার গুনাহ হবে, চরম গুনাহ হবে! আমরা নিয়ত করি আল্লাহ এর নিকট সেজদাহ দিচ্ছি। এখানেও কাজ একই কিন্তু ফলাফল ২ ধরনের!যেহেতু “মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই সংস্কৃত বা হিন্দুস্তানি নাম বলা যায়। তাই এটা নিয়ে এত কনফ্লিক্টের কিছু নাই। মঙ্গল ব্যবহার করলে যদি মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে তো এটা ইগনোর করলে দোষ কোথায়? আপনি অন্য ধর্মের হতে পারেন, বা কোন ধর্মেই বিশ্বাস নাও রাখতে পারেন; কিন্তু একটা নাম পরিবর্তন করে তার পূর্বের নাম যেটা ১৯৮৯ সাল থেকে চালু ছিলো সেটাই ফিরিয়ে আনলে যদি একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে তাহলে এটা আপনার মেনে নিতে কি সমস্যা?কাজ তো এক-ই হচ্ছে! উল্টো আনন্দ শোভাযাত্রাই এই আয়োজনের আসল নাম যেটাকে পরে পরিবর্তন করা হয়েছিল!আর হ্যাঁ, হাতি পুতুল নিয়ে বের হলে গুনাহ কিন্তু আমাদের হবেই তাতে সেটা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম হোক আর “হালাল ইসলামিক শোভাযাত্রা” যে নামই দেননা কেন!মঙ্গল শোভাযাত্রা” হয়েছে “আনন্দ শোভাযাত্রামাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ এর fb থেকে সংগৃহীতসুশীল ও পণ্ডিতরা বলছেন “মঙ্গল” শব্দ হিন্দুয়ানী তাই বাদ দিয়েছে। তাই “সোমবার, মঙ্গলবার” এসবের নামও বদলাতে বলছেন!তাই ভাবলাম এই ব্যাপারে ২ টা কথা বলি…“মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই ভাই সংস্কৃত শব্দ! যদি এটাকে হিন্দুয়ানী বলেন সেই যুক্তিতে ২ টাই হিন্দুয়ানী শব্দ!তবে নাম পরিবর্তন করার পিছনে এখানে ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত! অন্য ধর্মের কথা জানিনা তবে ইসলাম এর সাথে “মঙ্গল কামনা করে শোভাযাত্রা” পালন করায় সরাসরি কনফ্লিক্ট আছে। মঙ্গল কামনা করে গলায় তাবিজ লাগানোই তো শিরক, সেখানের এটাও শিরক!উদাহরণ স্বরূপ, আমরা কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করি। বাস্তবে এটা কিন্তু শুধু একটা দিক নির্দেশের জন্য। যদি আমরা মনে করি কাবা ঘরকে সেজদা দিচ্ছি তাহলে আমার গুনাহ হবে, চরম গুনাহ হবে! আমরা নিয়ত করি আল্লাহ এর নিকট সেজদাহ দিচ্ছি। এখানেও কাজ একই কিন্তু ফলাফল ২ ধরনের!যেহেতু “মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই সংস্কৃত বা হিন্দুস্তানি নাম বলা যায়। তাই এটা নিয়ে এত কনফ্লিক্টের কিছু নাই।মঙ্গল ব্যবহার করলে যদি মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে তো এটা ইগনোর করলে দোষ কোথায়?আপনি অন্য ধর্মের হতে পারেন, বা কোন ধর্মেই বিশ্বাস নাও রাখতে পারেন; কিন্তু একটা নাম পরিবর্তন করে তার পূর্বের নাম যেটা ১৯৮৯ সাল থেকে চালু ছিলো সেটাই ফিরিয়ে আনলে যদি একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে তাহলে এটা আপনার মেনে নিতে কি সমস্যা?কাজ তো এক-ই হচ্ছে! উল্টো আনন্দ শোভাযাত্রাই এই আয়োজনের আসল নাম যেটাকে পরে পরিবর্তন করা হয়েছিল!আর হ্যাঁ, হাতি পুতুল নিয়ে বের হলে গুনাহ কিন্তু আমাদের হবেই তাতে সেটা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম হোক আর “হালাল ইসলামিক শোভাযাত্রা” যে নামই দেননা কেন!

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মঙ্গল শোভাযাত্রা” হয়েছে “আনন্দ শোভাযাত্রা

আপডেট সময় : ০৯:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

 

মাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ -ফরিদপুর এর fb থেকে সংগৃহীত 

সুশীল ও পণ্ডিতরা বলছেন “মঙ্গল” শব্দ হিন্দুয়ানী তাই বাদ দিয়েছে। তাই “সোমবার, মঙ্গলবার” এসবের নামও বদলাতে বলছেন!তাই ভাবলাম এই ব্যাপারে ২ টা কথা বলি…মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই ভাই সংস্কৃত শব্দ! যদি এটাকে হিন্দুয়ানী বলেন সেই যুক্তিতে ২ টাই হিন্দুয়ানী শব্দ!তবে নাম পরিবর্তন করার পিছনে এখানে ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত! অন্য ধর্মের কথা জানিনা তবে ইসলাম এর সাথে “মঙ্গল কামনা করে শোভাযাত্রা” পালন করায় সরাসরি কনফ্লিক্ট আছে। মঙ্গল কামনা করে গলায় তাবিজ লাগানোই তো শিরক, সেখানের এটাও শিরক!উদাহরণ স্বরূপ, আমরা কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করি। বাস্তবে এটা কিন্তু শুধু একটা দিক নির্দেশের জন্য। যদি আমরা মনে করি কাবা ঘরকে সেজদা দিচ্ছি তাহলে আমার গুনাহ হবে, চরম গুনাহ হবে! আমরা নিয়ত করি আল্লাহ এর নিকট সেজদাহ দিচ্ছি। এখানেও কাজ একই কিন্তু ফলাফল ২ ধরনের!যেহেতু “মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই সংস্কৃত বা হিন্দুস্তানি নাম বলা যায়। তাই এটা নিয়ে এত কনফ্লিক্টের কিছু নাই। মঙ্গল ব্যবহার করলে যদি মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে তো এটা ইগনোর করলে দোষ কোথায়? আপনি অন্য ধর্মের হতে পারেন, বা কোন ধর্মেই বিশ্বাস নাও রাখতে পারেন; কিন্তু একটা নাম পরিবর্তন করে তার পূর্বের নাম যেটা ১৯৮৯ সাল থেকে চালু ছিলো সেটাই ফিরিয়ে আনলে যদি একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে তাহলে এটা আপনার মেনে নিতে কি সমস্যা?কাজ তো এক-ই হচ্ছে! উল্টো আনন্দ শোভাযাত্রাই এই আয়োজনের আসল নাম যেটাকে পরে পরিবর্তন করা হয়েছিল!আর হ্যাঁ, হাতি পুতুল নিয়ে বের হলে গুনাহ কিন্তু আমাদের হবেই তাতে সেটা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম হোক আর “হালাল ইসলামিক শোভাযাত্রা” যে নামই দেননা কেন!মঙ্গল শোভাযাত্রা” হয়েছে “আনন্দ শোভাযাত্রামাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ এর fb থেকে সংগৃহীতসুশীল ও পণ্ডিতরা বলছেন “মঙ্গল” শব্দ হিন্দুয়ানী তাই বাদ দিয়েছে। তাই “সোমবার, মঙ্গলবার” এসবের নামও বদলাতে বলছেন!তাই ভাবলাম এই ব্যাপারে ২ টা কথা বলি…“মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই ভাই সংস্কৃত শব্দ! যদি এটাকে হিন্দুয়ানী বলেন সেই যুক্তিতে ২ টাই হিন্দুয়ানী শব্দ!তবে নাম পরিবর্তন করার পিছনে এখানে ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত! অন্য ধর্মের কথা জানিনা তবে ইসলাম এর সাথে “মঙ্গল কামনা করে শোভাযাত্রা” পালন করায় সরাসরি কনফ্লিক্ট আছে। মঙ্গল কামনা করে গলায় তাবিজ লাগানোই তো শিরক, সেখানের এটাও শিরক!উদাহরণ স্বরূপ, আমরা কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করি। বাস্তবে এটা কিন্তু শুধু একটা দিক নির্দেশের জন্য। যদি আমরা মনে করি কাবা ঘরকে সেজদা দিচ্ছি তাহলে আমার গুনাহ হবে, চরম গুনাহ হবে! আমরা নিয়ত করি আল্লাহ এর নিকট সেজদাহ দিচ্ছি। এখানেও কাজ একই কিন্তু ফলাফল ২ ধরনের!যেহেতু “মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই সংস্কৃত বা হিন্দুস্তানি নাম বলা যায়। তাই এটা নিয়ে এত কনফ্লিক্টের কিছু নাই।মঙ্গল ব্যবহার করলে যদি মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে তো এটা ইগনোর করলে দোষ কোথায়?আপনি অন্য ধর্মের হতে পারেন, বা কোন ধর্মেই বিশ্বাস নাও রাখতে পারেন; কিন্তু একটা নাম পরিবর্তন করে তার পূর্বের নাম যেটা ১৯৮৯ সাল থেকে চালু ছিলো সেটাই ফিরিয়ে আনলে যদি একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে তাহলে এটা আপনার মেনে নিতে কি সমস্যা?কাজ তো এক-ই হচ্ছে! উল্টো আনন্দ শোভাযাত্রাই এই আয়োজনের আসল নাম যেটাকে পরে পরিবর্তন করা হয়েছিল!আর হ্যাঁ, হাতি পুতুল নিয়ে বের হলে গুনাহ কিন্তু আমাদের হবেই তাতে সেটা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম হোক আর “হালাল ইসলামিক শোভাযাত্রা” যে নামই দেননা কেন!