ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সদরপুরে ২০০ বছরের ঐতিহ্য: জরিপের ডাঙ্গীতে উৎসবমুখর ‘মুসলমানদের মেলা’ সদরপুরে হাম-রুবেলা প্রতিরোধ টিকাদান কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারনে এস এস সি পরীক্ষার্থী চরম ভোগান্তি এগুলো দেখার কেউ নেই কালিয়াকৈরেএস এস সি পরীক্ষার্থীদের পাশে এমপি মজিবুর রহমান, শুভেচ্ছা ব্যানারে দলীয় বার্তা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জনের মনোনয়ন চূড়ান্ত ফরিদপুরে আবাসিক হোটেলে হামলা, মালিককে কুপিয়ে জখম; চাঁদাবাজির অভিযোগ। ফরিদপুরে রাতের আঁধারে অবৈধ মাটি উত্তোলন, ফসলি জমির ক্ষতি ও জনদুর্ভোগ। ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকেই প্রাণ গেল পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর, ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১ ফরিদপুর মহানগর কৃষকদলের প্রচার সম্পাদক বহিষ্কার ফরিদপুর জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

মঙ্গল শোভাযাত্রা” হয়েছে “আনন্দ শোভাযাত্রা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫ ১১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ -ফরিদপুর এর fb থেকে সংগৃহীত 

সুশীল ও পণ্ডিতরা বলছেন “মঙ্গল” শব্দ হিন্দুয়ানী তাই বাদ দিয়েছে। তাই “সোমবার, মঙ্গলবার” এসবের নামও বদলাতে বলছেন!তাই ভাবলাম এই ব্যাপারে ২ টা কথা বলি…মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই ভাই সংস্কৃত শব্দ! যদি এটাকে হিন্দুয়ানী বলেন সেই যুক্তিতে ২ টাই হিন্দুয়ানী শব্দ!তবে নাম পরিবর্তন করার পিছনে এখানে ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত! অন্য ধর্মের কথা জানিনা তবে ইসলাম এর সাথে “মঙ্গল কামনা করে শোভাযাত্রা” পালন করায় সরাসরি কনফ্লিক্ট আছে। মঙ্গল কামনা করে গলায় তাবিজ লাগানোই তো শিরক, সেখানের এটাও শিরক!উদাহরণ স্বরূপ, আমরা কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করি। বাস্তবে এটা কিন্তু শুধু একটা দিক নির্দেশের জন্য। যদি আমরা মনে করি কাবা ঘরকে সেজদা দিচ্ছি তাহলে আমার গুনাহ হবে, চরম গুনাহ হবে! আমরা নিয়ত করি আল্লাহ এর নিকট সেজদাহ দিচ্ছি। এখানেও কাজ একই কিন্তু ফলাফল ২ ধরনের!যেহেতু “মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই সংস্কৃত বা হিন্দুস্তানি নাম বলা যায়। তাই এটা নিয়ে এত কনফ্লিক্টের কিছু নাই। মঙ্গল ব্যবহার করলে যদি মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে তো এটা ইগনোর করলে দোষ কোথায়? আপনি অন্য ধর্মের হতে পারেন, বা কোন ধর্মেই বিশ্বাস নাও রাখতে পারেন; কিন্তু একটা নাম পরিবর্তন করে তার পূর্বের নাম যেটা ১৯৮৯ সাল থেকে চালু ছিলো সেটাই ফিরিয়ে আনলে যদি একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে তাহলে এটা আপনার মেনে নিতে কি সমস্যা?কাজ তো এক-ই হচ্ছে! উল্টো আনন্দ শোভাযাত্রাই এই আয়োজনের আসল নাম যেটাকে পরে পরিবর্তন করা হয়েছিল!আর হ্যাঁ, হাতি পুতুল নিয়ে বের হলে গুনাহ কিন্তু আমাদের হবেই তাতে সেটা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম হোক আর “হালাল ইসলামিক শোভাযাত্রা” যে নামই দেননা কেন!মঙ্গল শোভাযাত্রা” হয়েছে “আনন্দ শোভাযাত্রামাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ এর fb থেকে সংগৃহীতসুশীল ও পণ্ডিতরা বলছেন “মঙ্গল” শব্দ হিন্দুয়ানী তাই বাদ দিয়েছে। তাই “সোমবার, মঙ্গলবার” এসবের নামও বদলাতে বলছেন!তাই ভাবলাম এই ব্যাপারে ২ টা কথা বলি…“মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই ভাই সংস্কৃত শব্দ! যদি এটাকে হিন্দুয়ানী বলেন সেই যুক্তিতে ২ টাই হিন্দুয়ানী শব্দ!তবে নাম পরিবর্তন করার পিছনে এখানে ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত! অন্য ধর্মের কথা জানিনা তবে ইসলাম এর সাথে “মঙ্গল কামনা করে শোভাযাত্রা” পালন করায় সরাসরি কনফ্লিক্ট আছে। মঙ্গল কামনা করে গলায় তাবিজ লাগানোই তো শিরক, সেখানের এটাও শিরক!উদাহরণ স্বরূপ, আমরা কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করি। বাস্তবে এটা কিন্তু শুধু একটা দিক নির্দেশের জন্য। যদি আমরা মনে করি কাবা ঘরকে সেজদা দিচ্ছি তাহলে আমার গুনাহ হবে, চরম গুনাহ হবে! আমরা নিয়ত করি আল্লাহ এর নিকট সেজদাহ দিচ্ছি। এখানেও কাজ একই কিন্তু ফলাফল ২ ধরনের!যেহেতু “মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই সংস্কৃত বা হিন্দুস্তানি নাম বলা যায়। তাই এটা নিয়ে এত কনফ্লিক্টের কিছু নাই।মঙ্গল ব্যবহার করলে যদি মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে তো এটা ইগনোর করলে দোষ কোথায়?আপনি অন্য ধর্মের হতে পারেন, বা কোন ধর্মেই বিশ্বাস নাও রাখতে পারেন; কিন্তু একটা নাম পরিবর্তন করে তার পূর্বের নাম যেটা ১৯৮৯ সাল থেকে চালু ছিলো সেটাই ফিরিয়ে আনলে যদি একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে তাহলে এটা আপনার মেনে নিতে কি সমস্যা?কাজ তো এক-ই হচ্ছে! উল্টো আনন্দ শোভাযাত্রাই এই আয়োজনের আসল নাম যেটাকে পরে পরিবর্তন করা হয়েছিল!আর হ্যাঁ, হাতি পুতুল নিয়ে বের হলে গুনাহ কিন্তু আমাদের হবেই তাতে সেটা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম হোক আর “হালাল ইসলামিক শোভাযাত্রা” যে নামই দেননা কেন!

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মঙ্গল শোভাযাত্রা” হয়েছে “আনন্দ শোভাযাত্রা

আপডেট সময় : ০৯:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

 

মাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ -ফরিদপুর এর fb থেকে সংগৃহীত 

সুশীল ও পণ্ডিতরা বলছেন “মঙ্গল” শব্দ হিন্দুয়ানী তাই বাদ দিয়েছে। তাই “সোমবার, মঙ্গলবার” এসবের নামও বদলাতে বলছেন!তাই ভাবলাম এই ব্যাপারে ২ টা কথা বলি…মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই ভাই সংস্কৃত শব্দ! যদি এটাকে হিন্দুয়ানী বলেন সেই যুক্তিতে ২ টাই হিন্দুয়ানী শব্দ!তবে নাম পরিবর্তন করার পিছনে এখানে ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত! অন্য ধর্মের কথা জানিনা তবে ইসলাম এর সাথে “মঙ্গল কামনা করে শোভাযাত্রা” পালন করায় সরাসরি কনফ্লিক্ট আছে। মঙ্গল কামনা করে গলায় তাবিজ লাগানোই তো শিরক, সেখানের এটাও শিরক!উদাহরণ স্বরূপ, আমরা কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করি। বাস্তবে এটা কিন্তু শুধু একটা দিক নির্দেশের জন্য। যদি আমরা মনে করি কাবা ঘরকে সেজদা দিচ্ছি তাহলে আমার গুনাহ হবে, চরম গুনাহ হবে! আমরা নিয়ত করি আল্লাহ এর নিকট সেজদাহ দিচ্ছি। এখানেও কাজ একই কিন্তু ফলাফল ২ ধরনের!যেহেতু “মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই সংস্কৃত বা হিন্দুস্তানি নাম বলা যায়। তাই এটা নিয়ে এত কনফ্লিক্টের কিছু নাই। মঙ্গল ব্যবহার করলে যদি মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে তো এটা ইগনোর করলে দোষ কোথায়? আপনি অন্য ধর্মের হতে পারেন, বা কোন ধর্মেই বিশ্বাস নাও রাখতে পারেন; কিন্তু একটা নাম পরিবর্তন করে তার পূর্বের নাম যেটা ১৯৮৯ সাল থেকে চালু ছিলো সেটাই ফিরিয়ে আনলে যদি একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে তাহলে এটা আপনার মেনে নিতে কি সমস্যা?কাজ তো এক-ই হচ্ছে! উল্টো আনন্দ শোভাযাত্রাই এই আয়োজনের আসল নাম যেটাকে পরে পরিবর্তন করা হয়েছিল!আর হ্যাঁ, হাতি পুতুল নিয়ে বের হলে গুনাহ কিন্তু আমাদের হবেই তাতে সেটা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম হোক আর “হালাল ইসলামিক শোভাযাত্রা” যে নামই দেননা কেন!মঙ্গল শোভাযাত্রা” হয়েছে “আনন্দ শোভাযাত্রামাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ এর fb থেকে সংগৃহীতসুশীল ও পণ্ডিতরা বলছেন “মঙ্গল” শব্দ হিন্দুয়ানী তাই বাদ দিয়েছে। তাই “সোমবার, মঙ্গলবার” এসবের নামও বদলাতে বলছেন!তাই ভাবলাম এই ব্যাপারে ২ টা কথা বলি…“মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই ভাই সংস্কৃত শব্দ! যদি এটাকে হিন্দুয়ানী বলেন সেই যুক্তিতে ২ টাই হিন্দুয়ানী শব্দ!তবে নাম পরিবর্তন করার পিছনে এখানে ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত! অন্য ধর্মের কথা জানিনা তবে ইসলাম এর সাথে “মঙ্গল কামনা করে শোভাযাত্রা” পালন করায় সরাসরি কনফ্লিক্ট আছে। মঙ্গল কামনা করে গলায় তাবিজ লাগানোই তো শিরক, সেখানের এটাও শিরক!উদাহরণ স্বরূপ, আমরা কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করি। বাস্তবে এটা কিন্তু শুধু একটা দিক নির্দেশের জন্য। যদি আমরা মনে করি কাবা ঘরকে সেজদা দিচ্ছি তাহলে আমার গুনাহ হবে, চরম গুনাহ হবে! আমরা নিয়ত করি আল্লাহ এর নিকট সেজদাহ দিচ্ছি। এখানেও কাজ একই কিন্তু ফলাফল ২ ধরনের!যেহেতু “মঙ্গল ও আনন্দ” ২ টাই সংস্কৃত বা হিন্দুস্তানি নাম বলা যায়। তাই এটা নিয়ে এত কনফ্লিক্টের কিছু নাই।মঙ্গল ব্যবহার করলে যদি মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে তো এটা ইগনোর করলে দোষ কোথায়?আপনি অন্য ধর্মের হতে পারেন, বা কোন ধর্মেই বিশ্বাস নাও রাখতে পারেন; কিন্তু একটা নাম পরিবর্তন করে তার পূর্বের নাম যেটা ১৯৮৯ সাল থেকে চালু ছিলো সেটাই ফিরিয়ে আনলে যদি একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে তাহলে এটা আপনার মেনে নিতে কি সমস্যা?কাজ তো এক-ই হচ্ছে! উল্টো আনন্দ শোভাযাত্রাই এই আয়োজনের আসল নাম যেটাকে পরে পরিবর্তন করা হয়েছিল!আর হ্যাঁ, হাতি পুতুল নিয়ে বের হলে গুনাহ কিন্তু আমাদের হবেই তাতে সেটা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম হোক আর “হালাল ইসলামিক শোভাযাত্রা” যে নামই দেননা কেন!