ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরের ৬ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইর বিশেষ নজরদারি অভিযান, জ্বালানির পরিমাপ সঠিক রাজবাড়ীতে র‍্যাবের অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, অস্ত্রধারী ৫ জন গ্রেপ্তার ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত নগরকান্দার রামনগর ইউনিয়ন এ বিনামূল্যে ছানি রোগী বাছাই ও ফ্রি অপারেশন কার্যক্রম, চিকিৎসা পেলেন শত শত রোগী নগরকান্দায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ঘোষিত মাদক বিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  পত্নীতলা সার্কেল অফিস বার্ষিক পরিদর্শন করলেন নওগাঁর পুলিশ সুপার অন্ধত্ব রুখতে পারেনি জীবনের চাকা: সদরপুরের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী জুয়েলের অদম্য সংগ্রাম কালিয়াকৈরে হানিট্যাপ চক্রের ৪ সদস্য আটক মান্দায় মাটির নিচে লুকানো ৮০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ ফরিদপুরের ভাঙ্গা রাস্তার মোড়ে অটোরিকশার অব্যবস্থাপনায় তীব্র যানজট, চরম ভোগান্তিতে জনসাধারণ

খুলনার মুজগুন্নী মহাসড়ক : ২১ কোটি টাকার সড়কে দুবছরেই খানাখন্দ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫ ১৫২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

দীর্ঘ একদশকের ওপর ভাঙাচোরা ছিল খুলনা সিটি করপোরেশনের ( কেসিসি) মুজগুন্নী মহাসড়ক। নগরীর সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল থেকে নতুন রাস্তা পর্যন্ত সড়কটি স্থায়ীভাবে সড়কটির সংস্কারের জন্য মানববন্ধন সহ নানা কর্মসুচি পালন করেন স্থানীয়রা। জনদাবির প্রেক্ষিতে ২০২১ সালে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু হয় কেসিসি। কয়েকদফা সময় বাড়িয়ে শেষ হয় ২০২৩ সালের মে মাসে। প্রায় ৫ দশমিক ৩০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর সড়ক মেরামতে ব্যয় হয় ২১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। ইতিপুর্বে সড়কে খানাখন্দ তৈরির প্রধান কারন ছিল জলাবদ্ধতা। পানি জমে সাড়ে ২১ কোটি টাকার সড়ক যেন নষ্ট না হয়, এজন্য সড়কের দুইপাশে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা দিয়ে নতুন ড্রেন তৈরি করা হয়। কিন্তু বিপুল অর্থ ব্যয় ঔই এলাকার মানুষের ভোগান্তি কমাতে পারেনি। নির্মানের পর পরই সড়কে গর্ত তৈরি হয়। দুই বছর পর সেই গর্ত বড় হয়ে সড়কে যান চলাচল আগের মতো ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে। এদিকে  সংকট বাড়িয়েছে নতুন ড্রেন। নকশা জটিলতার কারনে ৩৩ কোটি টাকার ড্রেন দিয়ে পানি অপসারন হচ্ছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে সড়কে আগের মতো বৃষ্টির পানি জমে যাচ্ছে। গত জুলাই মাসে ১৪ দিন সড়কটি পানিতে তলিয়ে ছিল। ফলে আগের মতোই বৃষ্টিতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয়রা। নষ্ট হচ্ছে  সড়কও। এব্যাপারে সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ কুদরতই খুদা বলেন, অপরিকল্পিত নকশা প্রনয়ণ নিন্ম মানের কাজের কারনে সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়েছে, ড্রেন ও কাজে আসছে না। রাস্ট্রের প্রায় ৫৫ কোটি টাকা নষ্ট হওয়ার পেছনে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। না আনলে ভবিষ্যতেও অর্থ অপচয় হবে, মানুষের উপকারে আসবে না। সম্প্রতি বৃষ্টির দিনে সড়কটি ঘুরে দেখা গেছে, কেডিএর উল্লাস পার্কের সামনে সড়কটির একপাশ পুরোটাই পানিতে তলিয়ে আছে। পাশে নির্মান করা নতুন ড্রেন দিয়ে পানি নিস্কাশন হচ্ছে না। এর আগে সকালের সামান্য বৃষ্টিতে সড়কটির বিভিন্ন অংশে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। সড়কের বয়রা বাজার মোড় থেকে বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে গর্তের ভেতর প্লাস্টিক নির্দেশক দিয়েছেন স্থানীয়রা। কয়েকদিন আগে সেখানে ইট ফেলা হয়েছে। কেসিসির নথি থেকে জানাগেছে, ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর সড়কটি সংস্কারের দরপত্র আহবান করে কেসিসি। ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোহিনূর এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এর মধ্যে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল থেকে পুলিশ লাইন্স পর্যন্ত ২ দশমিক ৭৫৮ কিলোমিটার সড়ক সংকারের ব্যয় ছিলো সাড়ে ৯ কোটি টাকা। পরবর্তীতে ব্যয় বাড়িয়ে ১০ কোটি ৯২ লাখ টাকা করা হয়। ২০২৩ সালের ৩০ মার্চ কাজ শেষ হয়। নতুন রাস্তা পর্যন্ত দ্ধিতীয় অংশের ( ২ দশমিক ৫৪৫ কিলোমিটার)  কাজ যৌথ ভাবে পায় মোজাহের এন্টারপ্রাইজ ও শহিদ এন্টারপ্রাইজ। এই অংশের ব্যয় ছিল ১০ কোটি ৭২ লাখ  টাকা। এই অংশের কাজ শেষ হয়। ২০২৩ সালের ১৬ এপ্রিল।  সড়কের ঔই অংশেই নষ্ট হয়েছে বেশি। এছাড়া ড্রেনটি তিনভাগে ভাগ করে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ৩ টি অংশের ব্যয় হয়েছিল ৩৩ কোটি টাকা। ২০২৪ সালে জানুয়ারি মাসে ড্রেনের কাজ শেষ হয়। সরেজমিনে সড়ক পরিদর্শনের সময় কথা হয় মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আসলাম হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, সড়কটি সংস্কারের সময় কাজের মান বজায় রাখতে প্রকৌশলীদের বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু কাজ হয়নি। তার সাথে থাকা আজমল হোসেন বলেন, আগেও বৃষ্টিতে পানিতে ডুবেছি , গর্তে কষ্ট পেয়েছি। এখনও পাচ্ছি। এতো টাকা খরচের পর সবাই হতাশ। স্থানীয়রা জানান, এই সড়ক ৫০০ শয্যার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ২৫০ শয্যার খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল সহ প্রায় ৫০ টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হয়। কেডিএর সোনাডাঙা ও মুজগুন্নী – ১ ও ২ আবাসিক এলাকা, বন বিভাগ, ইমাম  প্রশিক্ষণ একাডেমি, টুরিস্ট পুলিশ সুপারের কার্যালয়, কর কমিশনারের কার্যালয়,  মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স, খুলনা মেডিকেল কলেজ, সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউট, পুলিশ লাইন্স স্কুল, নৌবাহিনী স্কুল এ্যান্ড কলেজ সহ প্রায় এক ডজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দেড় ডজন সরকারি বেসরকারি অফিস সড়কের পাশে অবস্থিত। সড়কটি নষ্ট হওয়ায় সবাই ক্ষুদ্ধ। এব্যাপারে কেসিসির প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান বলেন, সড়কটি আরো উঁচু করার প্রয়োজন ছিল। সেটা না করায় কয়েকটি স্থানে বৃষ্টির পানি জমে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মুজগুন্নী মহাসড়ক ও এম এ বারী সড়ক মিলিয়ে নতুন প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। এ প্রকল্পটি দিয়ে সড়কটি দ্রুত মেরামত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খুলনার মুজগুন্নী মহাসড়ক : ২১ কোটি টাকার সড়কে দুবছরেই খানাখন্দ।

আপডেট সময় : ০১:৩৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

দীর্ঘ একদশকের ওপর ভাঙাচোরা ছিল খুলনা সিটি করপোরেশনের ( কেসিসি) মুজগুন্নী মহাসড়ক। নগরীর সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল থেকে নতুন রাস্তা পর্যন্ত সড়কটি স্থায়ীভাবে সড়কটির সংস্কারের জন্য মানববন্ধন সহ নানা কর্মসুচি পালন করেন স্থানীয়রা। জনদাবির প্রেক্ষিতে ২০২১ সালে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু হয় কেসিসি। কয়েকদফা সময় বাড়িয়ে শেষ হয় ২০২৩ সালের মে মাসে। প্রায় ৫ দশমিক ৩০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর সড়ক মেরামতে ব্যয় হয় ২১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। ইতিপুর্বে সড়কে খানাখন্দ তৈরির প্রধান কারন ছিল জলাবদ্ধতা। পানি জমে সাড়ে ২১ কোটি টাকার সড়ক যেন নষ্ট না হয়, এজন্য সড়কের দুইপাশে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা দিয়ে নতুন ড্রেন তৈরি করা হয়। কিন্তু বিপুল অর্থ ব্যয় ঔই এলাকার মানুষের ভোগান্তি কমাতে পারেনি। নির্মানের পর পরই সড়কে গর্ত তৈরি হয়। দুই বছর পর সেই গর্ত বড় হয়ে সড়কে যান চলাচল আগের মতো ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে। এদিকে  সংকট বাড়িয়েছে নতুন ড্রেন। নকশা জটিলতার কারনে ৩৩ কোটি টাকার ড্রেন দিয়ে পানি অপসারন হচ্ছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে সড়কে আগের মতো বৃষ্টির পানি জমে যাচ্ছে। গত জুলাই মাসে ১৪ দিন সড়কটি পানিতে তলিয়ে ছিল। ফলে আগের মতোই বৃষ্টিতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয়রা। নষ্ট হচ্ছে  সড়কও। এব্যাপারে সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ কুদরতই খুদা বলেন, অপরিকল্পিত নকশা প্রনয়ণ নিন্ম মানের কাজের কারনে সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়েছে, ড্রেন ও কাজে আসছে না। রাস্ট্রের প্রায় ৫৫ কোটি টাকা নষ্ট হওয়ার পেছনে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। না আনলে ভবিষ্যতেও অর্থ অপচয় হবে, মানুষের উপকারে আসবে না। সম্প্রতি বৃষ্টির দিনে সড়কটি ঘুরে দেখা গেছে, কেডিএর উল্লাস পার্কের সামনে সড়কটির একপাশ পুরোটাই পানিতে তলিয়ে আছে। পাশে নির্মান করা নতুন ড্রেন দিয়ে পানি নিস্কাশন হচ্ছে না। এর আগে সকালের সামান্য বৃষ্টিতে সড়কটির বিভিন্ন অংশে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। সড়কের বয়রা বাজার মোড় থেকে বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে গর্তের ভেতর প্লাস্টিক নির্দেশক দিয়েছেন স্থানীয়রা। কয়েকদিন আগে সেখানে ইট ফেলা হয়েছে। কেসিসির নথি থেকে জানাগেছে, ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর সড়কটি সংস্কারের দরপত্র আহবান করে কেসিসি। ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোহিনূর এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এর মধ্যে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল থেকে পুলিশ লাইন্স পর্যন্ত ২ দশমিক ৭৫৮ কিলোমিটার সড়ক সংকারের ব্যয় ছিলো সাড়ে ৯ কোটি টাকা। পরবর্তীতে ব্যয় বাড়িয়ে ১০ কোটি ৯২ লাখ টাকা করা হয়। ২০২৩ সালের ৩০ মার্চ কাজ শেষ হয়। নতুন রাস্তা পর্যন্ত দ্ধিতীয় অংশের ( ২ দশমিক ৫৪৫ কিলোমিটার)  কাজ যৌথ ভাবে পায় মোজাহের এন্টারপ্রাইজ ও শহিদ এন্টারপ্রাইজ। এই অংশের ব্যয় ছিল ১০ কোটি ৭২ লাখ  টাকা। এই অংশের কাজ শেষ হয়। ২০২৩ সালের ১৬ এপ্রিল।  সড়কের ঔই অংশেই নষ্ট হয়েছে বেশি। এছাড়া ড্রেনটি তিনভাগে ভাগ করে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ৩ টি অংশের ব্যয় হয়েছিল ৩৩ কোটি টাকা। ২০২৪ সালে জানুয়ারি মাসে ড্রেনের কাজ শেষ হয়। সরেজমিনে সড়ক পরিদর্শনের সময় কথা হয় মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আসলাম হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, সড়কটি সংস্কারের সময় কাজের মান বজায় রাখতে প্রকৌশলীদের বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু কাজ হয়নি। তার সাথে থাকা আজমল হোসেন বলেন, আগেও বৃষ্টিতে পানিতে ডুবেছি , গর্তে কষ্ট পেয়েছি। এখনও পাচ্ছি। এতো টাকা খরচের পর সবাই হতাশ। স্থানীয়রা জানান, এই সড়ক ৫০০ শয্যার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ২৫০ শয্যার খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল সহ প্রায় ৫০ টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হয়। কেডিএর সোনাডাঙা ও মুজগুন্নী – ১ ও ২ আবাসিক এলাকা, বন বিভাগ, ইমাম  প্রশিক্ষণ একাডেমি, টুরিস্ট পুলিশ সুপারের কার্যালয়, কর কমিশনারের কার্যালয়,  মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স, খুলনা মেডিকেল কলেজ, সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউট, পুলিশ লাইন্স স্কুল, নৌবাহিনী স্কুল এ্যান্ড কলেজ সহ প্রায় এক ডজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দেড় ডজন সরকারি বেসরকারি অফিস সড়কের পাশে অবস্থিত। সড়কটি নষ্ট হওয়ায় সবাই ক্ষুদ্ধ। এব্যাপারে কেসিসির প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান বলেন, সড়কটি আরো উঁচু করার প্রয়োজন ছিল। সেটা না করায় কয়েকটি স্থানে বৃষ্টির পানি জমে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মুজগুন্নী মহাসড়ক ও এম এ বারী সড়ক মিলিয়ে নতুন প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। এ প্রকল্পটি দিয়ে সড়কটি দ্রুত মেরামত করা হবে।