ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবচরে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের প্রভাবে অতিষ্ঠ মানুষের জনজীবন ও মানসিক চাপ বৃদ্ধি খাল খননে টাকা সাশ্রয়: পিআইও নুরুন্নাহারের স্বচ্ছতা ও দক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফরিদপুরের ৬ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইর বিশেষ নজরদারি অভিযান, জ্বালানির পরিমাপ সঠিক রাজবাড়ীতে র‍্যাবের অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, অস্ত্রধারী ৫ জন গ্রেপ্তার ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত নগরকান্দার রামনগর ইউনিয়ন এ বিনামূল্যে ছানি রোগী বাছাই ও ফ্রি অপারেশন কার্যক্রম, চিকিৎসা পেলেন শত শত রোগী নগরকান্দায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ঘোষিত মাদক বিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  পত্নীতলা সার্কেল অফিস বার্ষিক পরিদর্শন করলেন নওগাঁর পুলিশ সুপার অন্ধত্ব রুখতে পারেনি জীবনের চাকা: সদরপুরের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী জুয়েলের অদম্য সংগ্রাম

খুলনার জলাবদ্ধতা নিরসনে পাওবোর উদাসিনতায় হতাশ ডিসি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

জলাবদ্ধতায় খুলনার দু’ উপজেলায় ৬০ গ্রাম প্লাবিত। দুবছর ধরে পানিতে এ অঞ্চলের মানুষ খাচ্ছে হাবুডুবু। ব্যহত হচ্ছে ধান চাষ। প্রতি বছর অতি বৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার মাছ ঘের। নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার হেক্টর সবজির ক্ষেত। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তর উদাসীন। তড়িৎ করনিয় নির্ধারনে নবাগত জেলা প্রশাসক বেশ কয়েকটি দপ্তর প্রধানকে নিয়ে করেছেন বৈঠক। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজে প্রকাশ করেছেন হতাশা। কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহনে সকলকে দিয়েছেন কড়া নির্দেশনা। জেলা প্রশাসন ও একাধিক দায়িত্বশীল সুত্র এ তথ্য জানিয়েছে। গেল রবিবার যোগদান করেছেন খুলনার নয়া জেলা প্রশাসক মো: তৌফিকুর রহমান। দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে খুলনার মৌলিক সমস্যা নিয়ে খোঁজ নিতে শুরু করেছেন। আজ গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে করেন মতবিনিময়। ঔই সভায় অধিকাংশ গণমাধ্যমকর্মী জলাবদ্ধতার ভয়াবহতা ও রাস্তাঘাটের বেহাল দশা সহ বেশ কয়েকটি সমস্যা সম্পর্কে তাকে কাজ করার তাগিদ দেওয়ার অনুরোধ করেন। এদিকে খুলনার জলাবদ্ধতা নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট এবং  ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মাঝে মধ্যে ডুমুরিয়া ও ফুলতলার জলাবদ্ধতার চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে। যে কারনে জরুরি বৈঠকে বসেন তিনি। ঔই বৈঠকে খুলনাঞ্চলের জলাবদ্ধতার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি প্রাথমিক ধারণা নেন। দু বছর ধরে চলমান কার্যক্রম এবং জনগনের বর্তমান চাহিদা কি সে সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দপ্তরদের কাছে ব্যাখ্যা চান। এ সময়ে তিনি দীর্ঘ দিন জলাবদ্ধতা স্থায়ী হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রমে ধীরগতির কারনে হতাশা ব্যাক্ত করেন বলে বৈঠক সুত্রে জানাগেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকায় ৪৯ কোটি টাকার প্রকল্প ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঔই প্রকল্প পাসে করনীয় সবকিছু দ্রুত সম্পন্ন করে আগামী শুকনো মৌসুমে যাতে কাজ শুরু করা যায় সে ব্যাপারে সকলকে তাগিদ দেন তিনি। শাহাপুর- দৌলতপুর সড়কের টোলনাস্থ কালভার্ট দিয়ে ডাকাতিয়া বিলে পানি প্রবেশ নিয়ে দুগ্রুপের বিরোধ দীর্ঘ দিনের। এ নিয়ে মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। সে ব্যাপারে খোঁজ খবর নেন। তাছাড়া খুব দ্রুত ঔইস্থান সহ জলাবদ্ধ সকল এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড- ১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার পাল, পাওর বিভাগ -২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জামাল ফারুক, ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ আল আমিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আমানউল্লাহ ও বরুনা বিল কমিটির সভাপতি মোস্তাক আহম্মেদ। জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, খুলনার জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা। কোথায় কোথায় সমস্যা এবং দ্রুত কি করনিয় সে সম্পর্কে জানতে ছোট পরিসরে একটি  বৈঠকে কিছু ধারনা নিয়েছি। আগামী সপ্তাহে বড় পরিসরে সকল স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করা হবে। জনগণের ভোগান্তি লাঘবে যতদ্রুত সম্ভব জলাবদ্ধতা দুর করতে সব ধরনের কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

খুলনার জলাবদ্ধতা নিরসনে পাওবোর উদাসিনতায় হতাশ ডিসি।

আপডেট সময় : ০২:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :

জলাবদ্ধতায় খুলনার দু’ উপজেলায় ৬০ গ্রাম প্লাবিত। দুবছর ধরে পানিতে এ অঞ্চলের মানুষ খাচ্ছে হাবুডুবু। ব্যহত হচ্ছে ধান চাষ। প্রতি বছর অতি বৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার মাছ ঘের। নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার হেক্টর সবজির ক্ষেত। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তর উদাসীন। তড়িৎ করনিয় নির্ধারনে নবাগত জেলা প্রশাসক বেশ কয়েকটি দপ্তর প্রধানকে নিয়ে করেছেন বৈঠক। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজে প্রকাশ করেছেন হতাশা। কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহনে সকলকে দিয়েছেন কড়া নির্দেশনা। জেলা প্রশাসন ও একাধিক দায়িত্বশীল সুত্র এ তথ্য জানিয়েছে। গেল রবিবার যোগদান করেছেন খুলনার নয়া জেলা প্রশাসক মো: তৌফিকুর রহমান। দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে খুলনার মৌলিক সমস্যা নিয়ে খোঁজ নিতে শুরু করেছেন। আজ গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে করেন মতবিনিময়। ঔই সভায় অধিকাংশ গণমাধ্যমকর্মী জলাবদ্ধতার ভয়াবহতা ও রাস্তাঘাটের বেহাল দশা সহ বেশ কয়েকটি সমস্যা সম্পর্কে তাকে কাজ করার তাগিদ দেওয়ার অনুরোধ করেন। এদিকে খুলনার জলাবদ্ধতা নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট এবং  ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মাঝে মধ্যে ডুমুরিয়া ও ফুলতলার জলাবদ্ধতার চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে। যে কারনে জরুরি বৈঠকে বসেন তিনি। ঔই বৈঠকে খুলনাঞ্চলের জলাবদ্ধতার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি প্রাথমিক ধারণা নেন। দু বছর ধরে চলমান কার্যক্রম এবং জনগনের বর্তমান চাহিদা কি সে সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দপ্তরদের কাছে ব্যাখ্যা চান। এ সময়ে তিনি দীর্ঘ দিন জলাবদ্ধতা স্থায়ী হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রমে ধীরগতির কারনে হতাশা ব্যাক্ত করেন বলে বৈঠক সুত্রে জানাগেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকায় ৪৯ কোটি টাকার প্রকল্প ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঔই প্রকল্প পাসে করনীয় সবকিছু দ্রুত সম্পন্ন করে আগামী শুকনো মৌসুমে যাতে কাজ শুরু করা যায় সে ব্যাপারে সকলকে তাগিদ দেন তিনি। শাহাপুর- দৌলতপুর সড়কের টোলনাস্থ কালভার্ট দিয়ে ডাকাতিয়া বিলে পানি প্রবেশ নিয়ে দুগ্রুপের বিরোধ দীর্ঘ দিনের। এ নিয়ে মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। সে ব্যাপারে খোঁজ খবর নেন। তাছাড়া খুব দ্রুত ঔইস্থান সহ জলাবদ্ধ সকল এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড- ১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার পাল, পাওর বিভাগ -২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জামাল ফারুক, ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ আল আমিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আমানউল্লাহ ও বরুনা বিল কমিটির সভাপতি মোস্তাক আহম্মেদ। জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, খুলনার জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা। কোথায় কোথায় সমস্যা এবং দ্রুত কি করনিয় সে সম্পর্কে জানতে ছোট পরিসরে একটি  বৈঠকে কিছু ধারনা নিয়েছি। আগামী সপ্তাহে বড় পরিসরে সকল স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করা হবে। জনগণের ভোগান্তি লাঘবে যতদ্রুত সম্ভব জলাবদ্ধতা দুর করতে সব ধরনের কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।