ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‎মাদারীপুরে ঘরে রাখা বোমার বিস্ফোরণে উড়ে গেল টিনের চাল আতঙ্কে এলাকাবাসী হাতীর সাথে ধাক্কা লেগে অটোরিকশা উল্টে গিয়ে শিশু নিহত পরিত্যক্ত নবজাতক ও মায়ের পাশে প্রশাসন, চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিল সরকার শিবচরে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের প্রভাবে অতিষ্ঠ মানুষের জনজীবন ও মানসিক চাপ বৃদ্ধি খাল খননে টাকা সাশ্রয়: পিআইও নুরুন্নাহারের স্বচ্ছতা ও দক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফরিদপুরের ৬ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইর বিশেষ নজরদারি অভিযান, জ্বালানির পরিমাপ সঠিক রাজবাড়ীতে র‍্যাবের অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, অস্ত্রধারী ৫ জন গ্রেপ্তার ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত নগরকান্দার রামনগর ইউনিয়ন এ বিনামূল্যে ছানি রোগী বাছাই ও ফ্রি অপারেশন কার্যক্রম, চিকিৎসা পেলেন শত শত রোগী

আওয়ামী লীগের দোষর সাংবাদিক এখন নব্য বিএনপি নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের দোষর ও সাবেক ঢাকা ১৮ আসনের এমপি হাবিব হাসানের পিআরও বদরুল আলম এখন বিএনপি মনা সাংবাদিক। আবার জায়ামতের কাছে নিজেকে জামায়াত পন্থী সাংবাদিক বলে ও বিভিন্ন সুবিধা আদায় করে।এ যেন এক অলৌকিক ক্ষমতায় নেতাদের কাছে নিজেকে জাহির করাই তার কাজ।বিগত দিনে ভালো কোন হাউজে চাকরির অভিজ্ঞতা না থাকলে ও নিজেকে ফেসবুকে বড় সাংবাদিক পরিচয় দিতে সব সময় আছে সরব উপস্থিতি। উত্তরা প্রেসক্লাব কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তার পথচলা।নিজের পছন্দ করা কিছু সাংবাদিক কে ক্লাবের সদস্য বানিয়ে সে নীরব চাঁদাবাজি করে আসছে বলে ও অভিযোগ পাওয়া গেছে।বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে এমপি হাবিব হাসানের স্বঘোষিত পিআরও হিসেবে নিজেকে জাহির করতেন। তাই বিএনপি এবং অন্যান্য দলের লোকজন তার ভয়ে আতঙ্কিত থাকতো।বিগত দিনে ক্লাবের নাম ব্যবহার করে তার লালিত বাহিনী দিয়ে চাঁদা আদায় করতো।টাকা না দিলে ফেসবুক ভুয়া পোস্ট করে নেতাকর্মীদের মানহানী করতো।এবং বিভিন্ন সময় এমপি হাবিব হাসান কে ব্যবহার করে জেল খানায় পাঠাতো এই বদরুল আলম।সম্প্রতি তার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।যেখানে বদরুল আলম বলেন’ বঙ্গবন্ধু বিহীন বাংলাদেশ চিন্তা করা যাবে না ‘। গত ১৫ ফেব্রুয়ারী উত্তরা প্রেসক্লাব নির্বাচন হয়ে গেল।সেখানে সভাপতি পদে আওয়ামী লীগ সক্রিয় সদস্য আলাউদ্দিন আল আজাদ সভাপতি হয়, যার মুল কারিগর ছিলেন বদরুল আলম মজুমদার। তিনি স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতাদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এই জালিয়াতি করেছে বলে জানা গেছে।গত ৫ ই আগস্টের পর আলাউদ্দিন আল আজাদ তার ফেসবুকে পোস্টে আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত পোস্ট করেন যা সকলের নজরে আসে। পরে সে পোস্টগুলো ডিলেট করে দেয় আলাউদ্দিন আল আজাদ। কিন্তু কিছু জ্বালাময়ী পোস্ট এখনো তার ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে। জানাগেছে এর অন্তরালে কাজ করেছে উত্তরা প্রেস ক্লাবের সাবেক স্বঘোষিত সভাপতি বদরুল আলম মজুমদার। তার কারনে উত্তরা সাংবাদিকরা বিভিন্ন হামলা মামলা শিকার হয়েছে। অনেকে জেল খেটেছে। তার মতের অমিল হলেই মামলার ভয় দেখিয়ে সুবিধা নিতো বদরুল।সর্বশেষ তার আক্রোশের শিকার মানবকন্ঠের সাংবাদিক ও উত্তরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রাসেল খান।এছাড়া বিএনপির অনেক হেবিয়েট নেতাদের অভিযোগ ক্লাব ঘরের কথা বলে এ পর্যন্ত১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বদরুল।ক্লাব ঘর তার একটি পুঁজি হিসেবে কাজ করছে।ইচ্ছে করলে সে ক্লাব ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারতো কিন্তু সে তা করেনি।বরং ক্লাব ঘর দেখিয়ে সে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।বদরুল এর অপ-সাংবাদিকতা থেকে মুক্তি চায় নেতাকর্মীরা। উত্তরা প্রেসক্লাব সংগঠন নিয়ম অনুযায়ী একজন সভাপতি ২ বারের বেশি থাকতে পারবে না।সে কারনে নিজের জন্য একটি পদ তৈরি করেন বদরুল।সে বর্তমানে সিনিয়র সহ সভাপতি আর সভাপতি আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য আলাউদ্দিন আল আজাদ। এবিষয়ে উত্তরা ছাত্র আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাকর্মীরা বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আওয়ামী লীগের দোষর ও সাবেক ঢাকা ১৮ আসনের এমপি হাবিব হাসানের পিআরও বদরুল আলম এখন বিএনপি মনা সাংবাদিক। আবার জায়ামতের কাছে নিজেকে জামায়াত পন্থী সাংবাদিক বলে ও বিভিন্ন সুবিধা আদায় করে।এ যেন এক অলৌকিক ক্ষমতায় নেতাদের কাছে নিজেকে জাহির করাই তার কাজ।বিগত দিনে ভালো কোন হাউজে চাকরির অভিজ্ঞতা না থাকলে ও নিজেকে ফেসবুকে বড় সাংবাদিক পরিচয় দিতে সব সময় আছে সরব উপস্থিতি। উত্তরা প্রেসক্লাব কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তার পথচলা।নিজের পছন্দ করা কিছু সাংবাদিক কে ক্লাবের সদস্য বানিয়ে সে নীরব চাঁদাবাজি করে আসছে বলে ও অভিযোগ পাওয়া গেছে।বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে এমপি হাবিব হাসানের স্বঘোষিত পিআরও হিসেবে নিজেকে জাহির করতেন। তাই বিএনপি এবং অন্যান্য দলের লোকজন তার ভয়ে আতঙ্কিত থাকতো।বিগত দিনে

ক্লাবের নাম ব্যবহার করে তার লালিত বাহিনী দিয়ে চাঁদা আদায় করতো।টাকা না দিলে ফেসবুক ভুয়া পোস্ট করে নেতাকর্মীদের মানহানী করতো।এবং বিভিন্ন সময় এমপি হাবিব হাসান কে ব্যবহার করে জেল খানায় পাঠাতো এই বদরুল আলম।সম্প্রতি তার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।যেখানে বদরুল আলম বলেন’ বঙ্গবন্ধু বিহীন বাংলাদেশ চিন্তা করা যাবে না ‘।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারী উত্তরা প্রেসক্লাব নির্বাচন হয়ে গেল।সেখানে সভাপতি পদে আওয়ামী লীগ সক্রিয় সদস্য আলাউদ্দিন আল আজাদ সভাপতি হয়, যার মুল কারিগর ছিলেন বদরুল আলম মজুমদার। তিনি স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতাদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এই জালিয়াতি করেছে বলে জানা গেছে।গত ৫ ই আগস্টের পর আলাউদ্দিন আল আজাদ তার ফেসবুকে পোস্টে আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত  পোস্ট করেন যা সকলের নজরে আসে। পরে সে পোস্টগুলো ডিলেট করে দেয় আলাউদ্দিন আল আজাদ। কিন্তু কিছু জ্বালাময়ী পোস্ট এখনো তার ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে। জানাগেছে এর অন্তরালে কাজ করেছে উত্তরা প্রেস ক্লাবের সাবেক স্বঘোষিত সভাপতি বদরুল আলম মজুমদার। তার কারনে উত্তরা সাংবাদিকরা বিভিন্ন হামলা মামলা শিকার হয়েছে। অনেকে জেল খেটেছে। তার মতের অমিল হলেই মামলার ভয় দেখিয়ে সুবিধা নিতো বদরুল।সর্বশেষ তার আক্রোশের শিকার মানবকন্ঠের সাংবাদিক ও উত্তরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রাসেল খান।এছাড়া বিএনপির অনেক হেবিয়েট নেতাদের অভিযোগ ক্লাব ঘরের কথা বলে এ পর্যন্ত১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বদরুল।ক্লাব ঘর তার একটি পুঁজি হিসেবে কাজ করছে।ইচ্ছে করলে সে ক্লাব ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারতো কিন্তু সে তা করেনি।বরং ক্লাব ঘর দেখিয়ে সে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।বদরুল এর অপ-সাংবাদিকতা থেকে মুক্তি চায় নেতাকর্মীরা।

উত্তরা প্রেসক্লাব সংগঠন নিয়ম অনুযায়ী একজন সভাপতি ২ বারের বেশি থাকতে পারবে না।সে কারনে নিজের জন্য একটি পদ তৈরি করেন বদরুল।সে বর্তমানে সিনিয়র সহ সভাপতি আর সভাপতি আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য আলাউদ্দিন আল আজাদ।

এবিষয়ে উত্তরা ছাত্র আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাকর্মীরা বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আওয়ামী লীগের দোষর সাংবাদিক এখন নব্য বিএনপি নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের দোষর ও সাবেক ঢাকা ১৮ আসনের এমপি হাবিব হাসানের পিআরও বদরুল আলম এখন বিএনপি মনা সাংবাদিক। আবার জায়ামতের কাছে নিজেকে জামায়াত পন্থী সাংবাদিক বলে ও বিভিন্ন সুবিধা আদায় করে।এ যেন এক অলৌকিক ক্ষমতায় নেতাদের কাছে নিজেকে জাহির করাই তার কাজ।বিগত দিনে ভালো কোন হাউজে চাকরির অভিজ্ঞতা না থাকলে ও নিজেকে ফেসবুকে বড় সাংবাদিক পরিচয় দিতে সব সময় আছে সরব উপস্থিতি। উত্তরা প্রেসক্লাব কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তার পথচলা।নিজের পছন্দ করা কিছু সাংবাদিক কে ক্লাবের সদস্য বানিয়ে সে নীরব চাঁদাবাজি করে আসছে বলে ও অভিযোগ পাওয়া গেছে।বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে এমপি হাবিব হাসানের স্বঘোষিত পিআরও হিসেবে নিজেকে জাহির করতেন। তাই বিএনপি এবং অন্যান্য দলের লোকজন তার ভয়ে আতঙ্কিত থাকতো।বিগত দিনে ক্লাবের নাম ব্যবহার করে তার লালিত বাহিনী দিয়ে চাঁদা আদায় করতো।টাকা না দিলে ফেসবুক ভুয়া পোস্ট করে নেতাকর্মীদের মানহানী করতো।এবং বিভিন্ন সময় এমপি হাবিব হাসান কে ব্যবহার করে জেল খানায় পাঠাতো এই বদরুল আলম।সম্প্রতি তার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।যেখানে বদরুল আলম বলেন’ বঙ্গবন্ধু বিহীন বাংলাদেশ চিন্তা করা যাবে না ‘। গত ১৫ ফেব্রুয়ারী উত্তরা প্রেসক্লাব নির্বাচন হয়ে গেল।সেখানে সভাপতি পদে আওয়ামী লীগ সক্রিয় সদস্য আলাউদ্দিন আল আজাদ সভাপতি হয়, যার মুল কারিগর ছিলেন বদরুল আলম মজুমদার। তিনি স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতাদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এই জালিয়াতি করেছে বলে জানা গেছে।গত ৫ ই আগস্টের পর আলাউদ্দিন আল আজাদ তার ফেসবুকে পোস্টে আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত পোস্ট করেন যা সকলের নজরে আসে। পরে সে পোস্টগুলো ডিলেট করে দেয় আলাউদ্দিন আল আজাদ। কিন্তু কিছু জ্বালাময়ী পোস্ট এখনো তার ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে। জানাগেছে এর অন্তরালে কাজ করেছে উত্তরা প্রেস ক্লাবের সাবেক স্বঘোষিত সভাপতি বদরুল আলম মজুমদার। তার কারনে উত্তরা সাংবাদিকরা বিভিন্ন হামলা মামলা শিকার হয়েছে। অনেকে জেল খেটেছে। তার মতের অমিল হলেই মামলার ভয় দেখিয়ে সুবিধা নিতো বদরুল।সর্বশেষ তার আক্রোশের শিকার মানবকন্ঠের সাংবাদিক ও উত্তরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রাসেল খান।এছাড়া বিএনপির অনেক হেবিয়েট নেতাদের অভিযোগ ক্লাব ঘরের কথা বলে এ পর্যন্ত১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বদরুল।ক্লাব ঘর তার একটি পুঁজি হিসেবে কাজ করছে।ইচ্ছে করলে সে ক্লাব ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারতো কিন্তু সে তা করেনি।বরং ক্লাব ঘর দেখিয়ে সে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।বদরুল এর অপ-সাংবাদিকতা থেকে মুক্তি চায় নেতাকর্মীরা। উত্তরা প্রেসক্লাব সংগঠন নিয়ম অনুযায়ী একজন সভাপতি ২ বারের বেশি থাকতে পারবে না।সে কারনে নিজের জন্য একটি পদ তৈরি করেন বদরুল।সে বর্তমানে সিনিয়র সহ সভাপতি আর সভাপতি আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য আলাউদ্দিন আল আজাদ। এবিষয়ে উত্তরা ছাত্র আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাকর্মীরা বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না

আপডেট সময় : ১২:০০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আওয়ামী লীগের দোষর ও সাবেক ঢাকা ১৮ আসনের এমপি হাবিব হাসানের পিআরও বদরুল আলম এখন বিএনপি মনা সাংবাদিক। আবার জায়ামতের কাছে নিজেকে জামায়াত পন্থী সাংবাদিক বলে ও বিভিন্ন সুবিধা আদায় করে।এ যেন এক অলৌকিক ক্ষমতায় নেতাদের কাছে নিজেকে জাহির করাই তার কাজ।বিগত দিনে ভালো কোন হাউজে চাকরির অভিজ্ঞতা না থাকলে ও নিজেকে ফেসবুকে বড় সাংবাদিক পরিচয় দিতে সব সময় আছে সরব উপস্থিতি। উত্তরা প্রেসক্লাব কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তার পথচলা।নিজের পছন্দ করা কিছু সাংবাদিক কে ক্লাবের সদস্য বানিয়ে সে নীরব চাঁদাবাজি করে আসছে বলে ও অভিযোগ পাওয়া গেছে।বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে এমপি হাবিব হাসানের স্বঘোষিত পিআরও হিসেবে নিজেকে জাহির করতেন। তাই বিএনপি এবং অন্যান্য দলের লোকজন তার ভয়ে আতঙ্কিত থাকতো।বিগত দিনে

ক্লাবের নাম ব্যবহার করে তার লালিত বাহিনী দিয়ে চাঁদা আদায় করতো।টাকা না দিলে ফেসবুক ভুয়া পোস্ট করে নেতাকর্মীদের মানহানী করতো।এবং বিভিন্ন সময় এমপি হাবিব হাসান কে ব্যবহার করে জেল খানায় পাঠাতো এই বদরুল আলম।সম্প্রতি তার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।যেখানে বদরুল আলম বলেন’ বঙ্গবন্ধু বিহীন বাংলাদেশ চিন্তা করা যাবে না ‘।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারী উত্তরা প্রেসক্লাব নির্বাচন হয়ে গেল।সেখানে সভাপতি পদে আওয়ামী লীগ সক্রিয় সদস্য আলাউদ্দিন আল আজাদ সভাপতি হয়, যার মুল কারিগর ছিলেন বদরুল আলম মজুমদার। তিনি স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতাদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এই জালিয়াতি করেছে বলে জানা গেছে।গত ৫ ই আগস্টের পর আলাউদ্দিন আল আজাদ তার ফেসবুকে পোস্টে আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত  পোস্ট করেন যা সকলের নজরে আসে। পরে সে পোস্টগুলো ডিলেট করে দেয় আলাউদ্দিন আল আজাদ। কিন্তু কিছু জ্বালাময়ী পোস্ট এখনো তার ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে। জানাগেছে এর অন্তরালে কাজ করেছে উত্তরা প্রেস ক্লাবের সাবেক স্বঘোষিত সভাপতি বদরুল আলম মজুমদার। তার কারনে উত্তরা সাংবাদিকরা বিভিন্ন হামলা মামলা শিকার হয়েছে। অনেকে জেল খেটেছে। তার মতের অমিল হলেই মামলার ভয় দেখিয়ে সুবিধা নিতো বদরুল।সর্বশেষ তার আক্রোশের শিকার মানবকন্ঠের সাংবাদিক ও উত্তরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রাসেল খান।এছাড়া বিএনপির অনেক হেবিয়েট নেতাদের অভিযোগ ক্লাব ঘরের কথা বলে এ পর্যন্ত১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বদরুল।ক্লাব ঘর তার একটি পুঁজি হিসেবে কাজ করছে।ইচ্ছে করলে সে ক্লাব ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারতো কিন্তু সে তা করেনি।বরং ক্লাব ঘর দেখিয়ে সে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।বদরুল এর অপ-সাংবাদিকতা থেকে মুক্তি চায় নেতাকর্মীরা।

উত্তরা প্রেসক্লাব সংগঠন নিয়ম অনুযায়ী একজন সভাপতি ২ বারের বেশি থাকতে পারবে না।সে কারনে নিজের জন্য একটি পদ তৈরি করেন বদরুল।সে বর্তমানে সিনিয়র সহ সভাপতি আর সভাপতি আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য আলাউদ্দিন আল আজাদ।

এবিষয়ে উত্তরা ছাত্র আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাকর্মীরা বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না